Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, রবিবার, ২২ জুলাই ২০১৮ , সময়- ২:৫৩ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
ব্রিটিশ এমপি রুশনারা আলী ঢাকায় সংবর্ধনার দরকার নেই, জনগণ সুখে থাকলেই আমি খুশি : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংবর্ধনার দরকার নেই, জনগণ সুখে থাকলেই আমি খুশি : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যুদ্ধাপরাধের মামলায় ৩৪তম রায়ের অপেক্ষা প্রধানমন্ত্রীকে গণসংবর্ধনা : সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অভিমুখে জনস্রোত নেতৃত্ব নিয়ে দ্বন্দ্ব আরও প্রকট : ভেস্তে যেতে বসেছে যুক্তফ্রন্টের উদ্যোগ শেখের বেটি মোক নয়া ঘর দেল বাহে, মোক দেখার কাইয়ো ছিল না ‘স্বপ্ন’ প্রকল্পটির সুফল পাচ্ছে সাতক্ষীরা ও কুড়িগ্রাম জেলার ৮,৯২৮ দরিদ্র নারী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গণসংবর্ধনা দিতে প্রস্তুত আওয়ামী লীগ ১৯৭১ সালে যুদ্ধ করে দিল্লির গোলামি করতে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়নি : গয়েশ্বর

নতুন কর্মী সৃষ্টি করতে তৃণমূল কর্মীদের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর


প্রজন্মকণ্ঠ বিশেষ প্রতিবেদক

আপডেট সময়: ৩০ জুন ২০১৮ ৩:৫৫ পিএম:
নতুন কর্মী সৃষ্টি করতে তৃণমূল কর্মীদের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আগামীতে নির্বাচন। সেখানে কোনোরকম দলীয় কোন্দল যেন না হয়। যে সমস্ত ইউনিয়ন কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্ব আছে খুব দ্রুত সেগুলো মিটিয়ে ফেলতে হবে। নিজেদের লোক করতে গিয়ে যারা আমাদের নেতা-কর্মীদের হত্যা ও নির্যাতন করেছে, তাদেরকে টানাটানি না করে, নতুন নতুন কর্মী সৃষ্টি করেন।

শনিবার (৩০ জুন) দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে বিশেষ বর্ধিত সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বেলা এগারটায় ৪০মিনিটে সভা শুরু হয়। সভা সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। স্বাগত বক্তব্য রাখেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তার আগে শোকপ্রস্তাব পাঠ করেন দপ্তর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ। এ ছাড়া সভা পরিচালনা করেন দলের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ এবং উপপ্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন।

তৃণমূলকে নিজ নিজ এলাকার উন্নয়ন কর্মকাণ্ডগুলো যথাযথভাবে নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। দেশ এগিয়ে যাবে। জাতির পিতার এই দেশ স্বাধীন করে দিয়ে গেছেন। এই দেশ কখনো পিছিয়ে থাকতে পারে না। আমরা পিছিয়ে নেই। ‘তবে ওই স্বাধীনতাবিরোধী, যুদ্ধাপরাধী, জাতির পিতার খুনীদেরকে বিচারের হাত থেকে রেহাই দানকারী, তাদের লালন-পালনকারী, দুর্নীতি, মাদক সন্ত্রাসের সাথে জড়িত মানিলন্ডারিং-এর সঙ্গে জড়িত; এই সমস্ত গোষ্ঠী যেন আর কোনদিন বাংলাদেশে ক্ষমতায় আসতে না পারে, সেটা আপনাদের দেখতে হবে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘এখন স্থানীয় সরকার নির্বাচন নৌকা মার্কায় হয়। খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে নৌকার বিজয় হয়েছে। গাজীপুরে সিটি করপোরেশনেও নৌকার বিজয় হয়েছে। নৌকা ভাষার অধিকার দিয়েছে। নৌকা স্বাধীনতা এনে দিয়েছে। নৌকা দারিদ্রমুক্ত করে যাচ্ছে। নৌকা মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করে দিচ্ছে। বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল হয়েছে, যখন নৌকা মার্কায় আমরা ভোট পেয়েছি। কাজেই এই নৌকা মার্কায় ভোট দেওয়ার জন্য আমাদের উন্নয়নের কথাগুলি আপনারা প্রতিটি গ্রামে, প্রতি ঘরে ঘরে প্রতি পরিবারের কাছে পৌঁছে দেবেন। সেটাই আমি চাই। কারণ মানুষকে বলতে হবে। মানুষ সুখ পেলে কিন্তু দুঃখের দিনের কথা ভুলে যায়। কিন্তু এই সুখটা পেল কীভাবে সেটা আপনাদেরকে মনে করিয়ে দিতে হবে। আপনাদের বলতে হবে, একমাত্র আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলে তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন হয় এবং পরিবর্তন হবে।

আগামীতে যেন মানুষ নৌকা মার্কায় ভোট দেয় এ জন্য তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের কাজ করার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আগামীতে নির্বাচন। এখানে কোনরকম দলীয় কোন্দল যেন না হয়। যে সমস্ত ইউনিয়ন কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্ব আছে খুব দ্রুত সেগুলো মিটিয়ে ফেলতে হবে। সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। নিজেদের লোক করতে গিয়ে, আমাদের মানুষ হত্যা করেছে, নির্যাতন করেছে, তাদেরকে টানাটানি না করে, আপনারা নতুন নতুন কর্মী সৃষ্টি করেন।

জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষে দলীয় নেতা-কর্মীদের কাছে সহযোগিতা কামনা করে বঙ্গবন্ধু কন্যা আওয়ামী লীগকে আরও সুসংগঠিত করতে হবে বলেও উল্লেখ করেন। এ বিষয়ে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ একমাত্র এই দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারে। এই সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। এই সংগঠনের জনসমর্থন বাড়াতে হবে। আমরা এখন আমাদের প্রত্যেকটি ইউনিয়ন থেকে শুরু করে, সমস্ত কমিটিগুলো আমরা কম্পিউটারে ডাটাবেজ করে রাখবো। যাতে আমরা জানতে আমাদের কোনো কর্মী কোথায় কি করে,সেটা জানতে পারি। সে লক্ষ্যেও কাজ চলছে।

গণভবনে আগত নেতাকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে শেখ হাসিনা বলেন, আমার পরিবার তো আপনারাই। আপনাদের কাছে আসলেই তো মনের কথা বলতে হয়। আপনাদের কাছেই বলি। আর এই দেশকে উন্নত করতে চাই। সমৃদ্ধশালী করতে চাই। জাতির পিতার স্বপ্ন পূরণ করতে চাই। আপনারাই পারেন সেই স্বপ্ন পূরণ বাস্তবায়ন করতে।

আমরা প্রতিটি গ্রামকে শহর হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। আমাদের নির্বাচনী ইশতেহার দিন বদলের সনদ দিয়েছিলাম। বাংলাদেশের মানুষ দিন বদল হতে শুরু করেছে। কোটি মানুষ নিম্নবিত্ত থেকে মধ্যবিত্তে উঠে এসেছে। কোনো মানুষ যেন না খেতে পাওয়ার কষ্ট না পায় সে লক্ষ্য নিয়েই আমরা কাজ করছি। সেই সাথে আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে প্রতিটি গ্রামকেই একটা শহরের পর্যায়ে উন্নীত করা। এটা আমাদের ধাপে ধাপে করতে হবে।

বাংলাদেশকে জাতির পিতার স্বপ্নের উন্নত সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলতে তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের প্রতিজ্ঞা নেওয়ারও আহ্বান জানান দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনা।

সভায় আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ, উপদেষ্টা পরিষদ, রাজশাহী, বরিশাল, সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগের অধীন প্রতিটি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত দলীয় চেয়ারম্যান, মহানগরের অধীন সংগঠনের প্রতিটি ওয়ার্ডের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও দলীয় নির্বাচিত কাউন্সিলারগণ এবং জেলা পরিষদের নির্বাচিত দলীয় সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top