Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, রবিবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৮ , সময়- ৬:৪৬ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
নির্বাচনকালীন সম্ভাব্য নাশকতা মোকাবিলায় সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার  একজন শিশুকে পিইসি পরীক্ষার জন্য যেভাবে পরিশ্রম করতে হয়, সত্যিই অমানবিক : সমাজকল্যাণমন্ত্রী নির্বাচনকে সামনে রেখে আদর্শগত নয়, কৌশলগত জোট করছে আওয়ামী লীগ : সাধারণ সম্পাদক থার্টিফার্স্ট উদযাপন নিষিদ্ধ : স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের স্বার্থে পেশাদারিত্ব বজায় রাখবে সেনাবাহিনী  মহাজোটের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ হয়ে নির্বাচনে যাওয়ার শিগগিরই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসছে  প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা শুরু আজ  ভোট পর্যবেক্ষণের জন্য আবেদন শেষ তারিখ ২১ নভেম্বর  আ'লীগ যত রকম ১০ নম্বরি করার করুক, ভোট দেবো, ভোটে থাকব : ড. কামাল হোসেন মহাজোটের আসন বণ্টনের আলোচনা চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর নিকট চিঠি  

রেকর্ড পরিমাণ চাল উৎপাদন সত্ত্বেও দাম বৃদ্ধি


নিজস্ব প্রতিবেদক, প্রজন্মকণ্ঠ

আপডেট সময়: ৮ জুলাই ২০১৮ ২:০৩ এএম:
রেকর্ড পরিমাণ চাল উৎপাদন সত্ত্বেও দাম বৃদ্ধি

এ বছর রেকর্ড পরিমাণ চাল উৎপাদন হয়েছে এবং বিশ্ববাজারেও চালের দাম এখনো অনেক কম। তারপরও পাইকারী ও খুচরা বাজারে ক্রমশ বাড়ছে চালের দাম। বাংলাদেশের প্রধান খাদ্য চালের এ মূল্য বৃদ্ধিতে হিমসিম খাচ্ছেন নিম্ন আয়ের মানুষরা। আর চালের দাম বাড়ায় প্রভাব পড়ছে অন্যান্য ব্যয়ের ওপর।

গত এক সপ্তাহে খুচরা পর্যায়ে প্রতি কেজি চালের দাম চার থেকে পাঁচ টাকা বেড়েছে। পাইকারি বাজারে দাম বেড়েছে তিন থেকে চার টাকা। কেজিতে দুই থেকে তিন টাকা দাম বাড়িয়েছেন মিল মালিকরা। ব্যবসায়ীরা বলছেন, চলতি বাজেটে চাল আমদানির ওপর ২৮ শতাংশ শুল্ক পুনর্বহালের কারণে বাজারে দাম বাড়তে শুরু করে।  

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ অটো মেজর এন্ড হাস্কিং মিল মালিক সমিতির সহসভাপতি শহিদুর রহমান পাটোয়ারী রেডিও তেহরানকে জানান, ২৮ শতাংশ শুল্ক পুনর্বহাল ছাড়াও,  সিজনের শেষ দিকে অবস্থাসম্পন্ন গেরস্তের ঘর ছাড়া চাষীর হাতে বিক্রয় করার মতো চাল নেই এবং ভারত থেকে চাল আমদানী বন্ধ রয়েছে বলে বাজারে এ মূল্য বৃদ্ধি ঘটেছে। তিনি মনে করেন, এর পরও চালের বাজার মূল্য সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে।  

এ ছাড়া, বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি প্রজ্ঞাপনকেও দায়ী করছেন ব্যবসায়ীরা। গত ২৬ জুন জারি করা ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, কোনো অবস্থাতেই শূন্য মার্জিনে অর্থাৎ বাকিতে চাল আমদানীর এলসি (ঋণপত্র) স্থাপন করা যাবে না। এতে আরো বলা হয়, ধান ও চাল ব্যবসায়ীদের ঘূর্ণায়মান ঋণের ক্ষেত্রে ৪৫ দিন পর অবশ্যই পুরো টাকা শোধ করতে হবে। আগে ৩০ দিনের মধ্যে ঋণ সমন্বয়ের সুযোগ ছিল। ঋণপত্র খুলতে ব্যবসায়ীদের এখন ৪৫ দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। চাল আমদানি বাড়াতে ২০১৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বিনা মার্জিনে ঋণপত্র খোলার সুযোগ ছিল। এখন নগদ টাকায় ঋণপত্র খুলতে হচ্ছে ব্যবসায়ীদের।

প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, দেশে এ বছর চালের চাহিদা সোয়া তিন কোটি টনের মতো। অথচ জোগান আছে প্রায় চার কোটি টন। লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে এবার বোরো ধান উৎপাদন হয়েছে প্রায় দুই কোটি টন। আমন উৎপাদন হয়েছে প্রায় দেড় কোটি টন। গত এক বছরে আমদানি করা হয়েছে প্রায় ৩৮ লাখ টন চাল। আরো ৪৫ লাখ টনের এলসি খোলা হয়েছে বাজেটকে সামনে রেখে।

মূলত বাজেটে চাল আমদানির ওপর শুল্ক আরোপ করা হচ্ছে এমন খবর যারা আগেই জানতে পেরেছিলেন তারাই  সুযোগের সদ্ব্যবহার করে বাড়তি একটা মুনাফা করে নিয়েছে। অথচ, চালের এ মূল্য বৃদ্ধিতে উৎপাদনকারী কৃষক লাভবান হতে পারে নি।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top