Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, রবিবার, ২২ জুলাই ২০১৮ , সময়- ২:৩২ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
ব্রিটিশ এমপি রুশনারা আলী ঢাকায় সংবর্ধনার দরকার নেই, জনগণ সুখে থাকলেই আমি খুশি : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংবর্ধনার দরকার নেই, জনগণ সুখে থাকলেই আমি খুশি : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যুদ্ধাপরাধের মামলায় ৩৪তম রায়ের অপেক্ষা প্রধানমন্ত্রীকে গণসংবর্ধনা : সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অভিমুখে জনস্রোত নেতৃত্ব নিয়ে দ্বন্দ্ব আরও প্রকট : ভেস্তে যেতে বসেছে যুক্তফ্রন্টের উদ্যোগ শেখের বেটি মোক নয়া ঘর দেল বাহে, মোক দেখার কাইয়ো ছিল না ‘স্বপ্ন’ প্রকল্পটির সুফল পাচ্ছে সাতক্ষীরা ও কুড়িগ্রাম জেলার ৮,৯২৮ দরিদ্র নারী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গণসংবর্ধনা দিতে প্রস্তুত আওয়ামী লীগ ১৯৭১ সালে যুদ্ধ করে দিল্লির গোলামি করতে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়নি : গয়েশ্বর

বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গর মৈত্রীর ওপর জোর দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়


ডেস্ক রিপোর্ট

আপডেট সময়: ১১ জুলাই ২০১৮ ১:০৮ এএম:
বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গর মৈত্রীর ওপর জোর দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দুই বাংলার (বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গ) মৈত্রীর উপরে জোর দিয়েছেন। তিনি মঙ্গলবার কুচবিহার জেলার চ্যাংরাবান্ধায় এক সমাবেশ থেকে দেয়া ভাষণে এ সংক্রান্ত বার্তা দেন।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘কেউ কেউ আপনাদের নানারকমভাবে ভুল বোঝায়, বিভ্রান্তি করে। মানুষে মানুষে ভেদাভেদ করার চেষ্টা করে। এই সমস্ত মানুষদের প্রশ্রয় দেবেন না। আমি কাস্টমস বা কেন্দ্রীয় সরকারের অন্যান্য যেসব এজেন্সি আছে তাদের কাছেও অনুরোধ করব, চ্যাংরাবান্ধা ডেভেলপমেন্ট অথরিটিকে সহযোগিতা করে আপনারা কাজ করবেন, যাতে এখানে কেন্দ্র ও রাজ্য উভয়েই ভালো করে এই অঞ্চলের মানুষের উন্নয়নে কাজ করতে পারে। এটা আমাদের রাজনীতি করার জায়গা নয়। এটা আমাদের উন্নয়নের জায়গা। আর দু’পার বাংলার মানুষের সঙ্গে সুন্দর সম্পর্ক তৈরি করার জায়গা।’

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছিটমহল বিনিময় প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমরা একটা সংহতির সেতুবন্ধন তৈরি করে দিয়েছিলাম, যার ফসল আজ আমাদের এখানেও অনেক মানুষ পাচ্ছেন, বাংলাদেশেও অনেক মানুষ পাচ্ছেন। ছিটমহল থেকে যারা এসেছেন, তাদের ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট, রেশন ইত্যাদি আমরা তৈরি করছি, একটু সময় লাগছে। এরইমধ্যে অনেক কাজই হয়ে গেছে, কিছু যা বাকি আছে তাও হয়ে যাবে।’

মমতা আজ তার ভাষণে সবাইকে মিলেমিশে থাকার উপরে জোর দিয়ে বলেন, ‘একটা সমাজে হিন্দু থাকবে, মুসলমান থাকবে, শিখ থাকবে, খ্রিস্টান থাকবে, পাঞ্জাবী থাকবে, গুজরাটি থাকবে, মারোয়াড়ি থাকবে, মারাঠি থাকবে, তপসিলি ভাইবোনেরা থাকবে, আদিবাসী ভাইবোনেরা থাকবে, সাধারণ কাস্ট থাকবে, রাজবংশীরা থাকবে, কামতাপুরিরা থাকবে, কুরুক থাকবে, কুরমালি থাকবে, সবাইকে একসঙ্গে নিয়ে কাজ করতে হবে। সবাইকে নিয়ে তবেই একটা পরিবার। সবাইকে নিয়ে তবেই একটা সমাজ। সবাই ভালোভাবে থাকুন।’

মমতা আজ রাজ্য সরকার সাধারণ মানুষের কল্যাণে যেসব প্রকল্প হাতে নিয়ে কাজ করছে এবং মানুষ যেসবের সুবিধা পাচ্ছেন তা বিস্তারিত তুলে ধরেন।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top