Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, রবিবার, ২২ জুলাই ২০১৮ , সময়- ২:৫১ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
ব্রিটিশ এমপি রুশনারা আলী ঢাকায় সংবর্ধনার দরকার নেই, জনগণ সুখে থাকলেই আমি খুশি : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংবর্ধনার দরকার নেই, জনগণ সুখে থাকলেই আমি খুশি : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যুদ্ধাপরাধের মামলায় ৩৪তম রায়ের অপেক্ষা প্রধানমন্ত্রীকে গণসংবর্ধনা : সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অভিমুখে জনস্রোত নেতৃত্ব নিয়ে দ্বন্দ্ব আরও প্রকট : ভেস্তে যেতে বসেছে যুক্তফ্রন্টের উদ্যোগ শেখের বেটি মোক নয়া ঘর দেল বাহে, মোক দেখার কাইয়ো ছিল না ‘স্বপ্ন’ প্রকল্পটির সুফল পাচ্ছে সাতক্ষীরা ও কুড়িগ্রাম জেলার ৮,৯২৮ দরিদ্র নারী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গণসংবর্ধনা দিতে প্রস্তুত আওয়ামী লীগ ১৯৭১ সালে যুদ্ধ করে দিল্লির গোলামি করতে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়নি : গয়েশ্বর

গিনেস বুকে স্থান পাচ্ছে, বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ টুর্নামেন্ট


নিজস্ব প্রতিবেদক, প্রজন্মকণ্ঠ

আপডেট সময়: ১১ জুলাই ২০১৮ ২:০০ এএম:
গিনেস বুকে স্থান পাচ্ছে, বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ টুর্নামেন্ট

বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব গোল্ডকাপ টুর্নামেন্ট গিনেস বুকে স্থান পেতে যাচ্ছে। খেলায় সর্বোচ্চ অংশগ্রহণকারীর ক্যাটাগরিতে চলতি বছরই গিনেস বুকে বাংলাদেশের ১৫তম রেকর্ড হিসেবে স্থান পাবে। এ সংক্রান্ত সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে নিবন্ধ করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। 

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব গিয়াস উদ্দিন আহমেদ আজকালের খবরকে বলেন, গিনেস বুকে স্থান পেতে যা যা করার দরকার সব ধরনের তথ্য দিয়ে নিবন্ধ করেছি। ‘গিনেস বুক ২০১৮’ নামে যে তালিকা প্রকাশিত হবে সেখানে এ দুটি টুর্নামেন্ট স্থান পাবে আশা করি। তিনি আরও বলেন, পৃথিবীতে কোনো খেলায় এত সংখ্যক অংশগ্রহণ করে না। এ অর্জনের মাধ্যমে আমাদের দেশের খেলাধুলায় আরেকটি যুগান্তকারী অধ্যায় সূচিত হবে। 

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্টের চলতি আসরে অংশগ্রহণকারী বিদ্যালয়ের সংখ্যা ছিল ৬৪ হাজার ২৬০টি। অংশগ্রহণকারী খেলোয়াড় ছিল ১০ লাখ ৯২ হাজার ৪২০ জন। আর বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণকারী বিদ্যালয়ের সংখ্যা ৬৪ হাজার ১৯৬টি এবং অংশগ্রহণকারী খেলোয়াড়ের সংখ্যা ছিল ১০ লাখ ৯১ হাজার ৩৩২ জন। বিপুলসংখ্যক খেলোয়াড়ের অংশগ্রহণের গিনেস বুকে স্থান পাওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছে। সম্প্রতি তিন হাজার ডলার অর্থ জমা দিয়ে নিবন্ধ করা হয়েছে। 

মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুর সুস্থ বিকাশ, লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলার মাধ্যমে শিশুদের মাঝে দেশপ্রেম গড়ে ওঠা, শৃঙ্খলা, নৈতিকতা ও উদারতা তৈরিতে ২০১০ সাল থেকে চালু করা হয় বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ। পরের বছর মেয়েদের জন্য চালু করা বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট। 

দেশব্যাপী এ আয়োজনের মাধ্যমে এরইমধ্যে বেরিয়ে এসেছে বেশ কজন প্রতিশ্রুতিশীল নারী ও পুরুষ ফুটবলার। দেশের আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে থাকা ক্ষুদে ফুটবলারদের খুঁজে বের করার বড় মঞ্চ ধরা হয় এ দুটি টুর্নামেন্টেকে। ভবিষ্যতেও এ আসর থেকে আরও ভালো ফুটবলার বেরিয়ে আসবে বলে মনে করেন আয়োজনকারীরা।
 
জানা গেছে, ‘গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস’ নামের বইটি সারা বিশ্বে বেশ আলোচিত। এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৫৫ সালের ২৭ আগস্ট। পৃথিবীতে সংঘটিত যাবতীয় ঘটনা ও বিষয়ের সাম্প্রতিকতম রেকর্ড বা তথ্য এই বইতে সংকলিত হয়। বাংলাদেশের দখলে ১৪টি রেকর্ড বইটিতে স্থান পেয়েছে। 
বংলাদেশের দখলে থাকা রেকর্ডগুলো হলো- লাখো কণ্ঠে জাতীয় সংগীত, ২০১৪ সালে জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে লাখো কণ্ঠে জাতীয় সংগীত গেয়ে বিশ্ববাসীকে তাক লাগিয়ে দেয় বাংলাদেশ। যা গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে স্থান পেয়েছে।

২০০৯ সালের ১৫ অক্টোবর বিশ্ব হাত ধোয়া দিবসে ৫২ হাজার ৯৭০ জন মানুষ একসঙ্গে হাত ধুয়ে বিশ্ব রেকর্ড করে গিনেস বুকে স্থান করেছে। এছাড়াও বিশ্বের সবচেয়ে বড় ব্যাটের দৈর্ঘ্য ১১১ ফুট ও প্রস্থ সাড়ে ১২ ফুট। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহনেওয়াজ হলের ৬৭ জন ছাত্র বিশ্বকাপ উপলক্ষে বিশ্বের সবচেয়ে বড় এই ব্যাটটি বানিয়ে ছিলেন। ব্যাটটি বানাতে তাদের সময় লেগেছিল ১৫ দিন। ১৯৮৭ সালে গোপালগঞ্জে এক ভয়ঙ্কর শিলাবৃষ্টি আঘাত হানে। সবচেয়ে বড় শিলাটি ছিল এক কেজি ওজনের। বিশ্বের কোথাও এত বেশি ওজনের শিলাপাত হয়নি। সে বৃষ্টিতে প্রাণ হারিয়েছিল ৯২ জন মানুষ। সবচেয়ে বড় শিলাবৃষ্টি হিসেবে গিনেস বুকে এটি স্থান পেয়েছে।

টেবিল টেনিসে বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন জোবেরা রহমান লিনু। তিনি জাতীয় টেবিল টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপে ১৬ বার জিতে সবচেয়ে বেশিবার চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নাম লিখিয়েছেন গিনেস বুকে। খন্দকার শিহাব আহমেদ নামের এক ছাত্র বিশ্বের সবচেয়ে বড় স্ট্যাপলার পিনের চেইন তৈরি করেছেন। যেটি ৪২২ ফুট চার ইঞ্চি লম্বা। ২৭ হাজার পিন ব্যবহার করে তৈরি চেইনটি বানাতে শিহাবের খরচ হয়েছে ২৭০ টাকা। সবচেয়ে বড় উপসাগর বঙ্গোপসাগরের আয়তন ২১ লাখ ৭২ হাজার বর্গকিলোমিটার। এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় উপসাগর হিসেবে গিনেস বুকে স্থান পেয়েছে। বাংলাদেশের ঝাল মরিচও গিনেস বুকে নাম লিখিয়েছে। পৃথিবীর সবচেয়ে পাতলা জাতি হিসেবে গিনেস বুকে বাংলাদেশিদের রেকর্ডভুক্ত হয়েছে। বাংলাদেশে পুরুষের গড় ওজন প্রতি মিটার স্কয়ারে ২০.৫ কেজি। আর নারীদের ক্ষেত্রে ২০ দশমিক ৪ কেজি। 

বিএমআই (বডি মাস ইনডেক্স) সূচকের এই হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশই বিশ্বের সবচেয়ে কম ওজনের জাতি। নরেন্দ্র নাথ ও তারামণি নাথের পাঁচ মেয়েকে বিয়ে করেছেন তারাপদ কর্মকার ও রাধা রানী রায়ের পাঁচ ছেলে। এক পরিবারের ভাইদের সঙ্গে আরেক পরিবারের বোনদের বিয়ে দিয়ে এটিও গিনেস বুকে নাম লেখিয়েছে। বাংলাদেশে প্রতি বর্গকিলোমিটারে দুই হাজার ৯১৮ জনেরও বেশি মানুষ বসবাস করে বিশ্বের সর্বাধিক ঘনত্বের দেশ হিসেবে গিনেস বুকে নাম রয়েছে। ২০০৮ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত এক হাজার ৫০ কিলোমিটার এলাকা হাতে হাত রেখে বিশ্বের সবচেয়ে বড় মানবশিকলের আয়োজন করে গিনেস বুকে স্থান পেয়েছিল। 

সুপার গ্র্যান্ড ফাদার: বগুড়ার মোহাম্মদ রজব আলীর নাম গিনেস বুকে ‘সুপার গ্র্যান্ড ফাদার’। ১১৫ বছর বয়সে মারা যাওয়া রজব আলীর নাতি-নাতনির সংখ্যা পাঁচ শতাধিক। এটিও গিনেস বুকে স্থান পেয়েছে।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top