Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, রবিবার, ২২ জুলাই ২০১৮ , সময়- ২:২৮ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
ব্রিটিশ এমপি রুশনারা আলী ঢাকায় সংবর্ধনার দরকার নেই, জনগণ সুখে থাকলেই আমি খুশি : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংবর্ধনার দরকার নেই, জনগণ সুখে থাকলেই আমি খুশি : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যুদ্ধাপরাধের মামলায় ৩৪তম রায়ের অপেক্ষা প্রধানমন্ত্রীকে গণসংবর্ধনা : সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অভিমুখে জনস্রোত নেতৃত্ব নিয়ে দ্বন্দ্ব আরও প্রকট : ভেস্তে যেতে বসেছে যুক্তফ্রন্টের উদ্যোগ শেখের বেটি মোক নয়া ঘর দেল বাহে, মোক দেখার কাইয়ো ছিল না ‘স্বপ্ন’ প্রকল্পটির সুফল পাচ্ছে সাতক্ষীরা ও কুড়িগ্রাম জেলার ৮,৯২৮ দরিদ্র নারী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গণসংবর্ধনা দিতে প্রস্তুত আওয়ামী লীগ ১৯৭১ সালে যুদ্ধ করে দিল্লির গোলামি করতে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়নি : গয়েশ্বর

বুদ্ধিজীবীদের নিয়ে ‘আপত্তিকর’ বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে

খালেদা জিয়া-গয়েশ্বরের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত


নিজস্ব প্রতিবেদক, প্রজন্মকণ্ঠ

আপডেট সময়: ১২ জুলাই ২০১৮ ১:২৯ এএম:
খালেদা জিয়া-গয়েশ্বরের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত

বিএনপির কারাবন্দী চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এবং দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের সংখ্যা ও বুদ্ধিজীবীদের নিয়ে ‘আপত্তিকর’ বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে উভয়ের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়। 

বুধবার ঢাকা মহানগর হাকিম আবু সাঈদের আদালতে মামলার বাদী এ বি সিদ্দিকীর এক আবেদনের পর  শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম আবু সাঈদ এ পরোয়ানা জারি করেন।

বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশিত ‘আপত্তিকর’ বক্তব্যের জেরে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের বিরুদ্ধে ২০১৬ সালের ৫ জানুয়ারি জননেত্রী পরিষদের সভাপতি এ বি সিদ্দিকী একশ কোটি টাকার মানহানি মামলা করেন। ওই মামলাটি শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শাহবাগ থানার উপ-পরিদর্শক জাফর আলী জানান, ১ জুলাই ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে মর্মে খালেদা জিয়া ও গয়েশ্বরের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে। 

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ২১ ডিসেম্বরে আয়োজিত এক সভায় খালেদা জিয়া বলেছিলেন, ‘আজকে বলা হয় এত লাখ শহীদ হয়েছে, এটা নিয়েও অনেক বিতর্ক আছে।’তিনি আরও বলেন, ‘তিনি (শেখ মুজিবুর রহমান) বাংলাদেশের স্বাধীনতা চাননি। তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতে চেয়েছিলেন। জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা না দিলে মুক্তিযুদ্ধ হত না।’

আর গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছিলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বুদ্ধিজীবীরা নির্বোধের মতো মারা গেছেন। একাত্তরের ১৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত যারা পাকিস্তানের বেতন-ভাতা খেয়েছেন, তারা নির্বোধের মতো মারা গেলেন? আর আমাদের মতো নির্বোধরা শহীদ বুদ্ধিজীবী হিসেবে তাদের কবরে ফুল দিই। আবার না গেলে পাপ হয়। তারা যদি বুদ্ধিমান হন, তাহলে ১৪ তারিখ পর্যন্ত নিজের ঘরে থাকলেন কীভাবে?’

এ বক্তব্য দুটির পরিপ্রেক্ষিতেই মামলা করেছিলেন জননেত্রী পরিষদের সভাপতি এ বি সিদ্দিকী।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top