Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, সোমবার, ২২ অক্টোবর ২০১৮ , সময়- ১১:০৫ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
কবি শামসুর রাহমানের ৯০তম জন্মদিন, আগামীকাল ২৩ অক্টোবর  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে হর্ষ বর্ধণ শ্রীংলার সৌজন্য সাক্ষাৎ জামায়াত বা তারেক রহমানের প্রতি সমর্থন হিসেবে ঐক্যফ্রন্ট ভাবার কোনো সুযোগ নেই   আওয়ামী লীগ কোনো দুশ্চিন্তা করে না ঐক্যফ্রন্ট গঠিত হবার পর থেকেই বিএনপির কিছু নেতার রহস্যময় নীরবতা | প্রজন্মকণ্ঠ বাংলাদেশ সরকারের ধারাবাহিকতার প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন সৌদি বাদশাহ উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ফলে দেশের মানুষের জীবনে দিন বদলের যাত্রা শুরু হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী | প্রজন্মকণ্ঠ পুলিশের সঙ্গে কারখানার শ্রমিকরাদের ব্যাপক ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ, আহত ৫০ | প্রজন্মকণ্ঠ গার্মেন্টসের শ্রমিকরা বকেয়া বেতন-বোনাস পরিশোধের দাবিতে সড়ক অবরোধ চলতি সপ্তাহে ভারতের সঙ্গে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ 

‘স্বপ্ন’ প্রকল্পটির সুফল পাচ্ছে সাতক্ষীরা ও কুড়িগ্রাম জেলার ৮,৯২৮ দরিদ্র নারী


প্রজন্মকণ্ঠ রিপোর্ট

আপডেট সময়: ২১ জুলাই ২০১৮ ১:১০ এএম:
‘স্বপ্ন’ প্রকল্পটির সুফল পাচ্ছে সাতক্ষীরা ও কুড়িগ্রাম জেলার ৮,৯২৮ দরিদ্র নারী

সরকারের একটি সামাজিক নিরাপত্তা প্রকল্প স্ট্রেঞ্জদেনিং ওমেন অ্যাবিলিটি ফর প্রডাক্টিভ নিউ অপারচ্যুনিটি (স্বপ্ন) সাতক্ষীরা ও কুড়িগ্রাম জেলার পল্লী এলাকায় ৮,৯২৮ জন দরিদ্র লোককে তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে সহায়তা করছে। জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচী (ইউএনডিপি) টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য তহবিল (এসডিজিএফ) এবং বিএসআরএম এর সহায়তায় স্থানীয় সরকার বিভাগ ২০১৫ সালের এপ্রিল থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পযর্ন্ত পাঁচ বছর মেয়াদি এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। 

এসডব্লিউএপিএনও প্রকল্পের প্রশিক্ষন বিশেষজ্ঞ কাজল চ্যাটার্জী আজ এখানে  জানান, প্রকল্পের প্রথম পযার্য়ের কাজ সম্পন্ন হবার পর মোট ৪,৪৬৪ জন বিধবা, তালাকপ্রাপ্ত এবং প্রতিবন্ধিদের স্ত্রী আগের চেয়ে অধিক স্বচ্ছল জীবন যাপন করছেন। তিনি জানান, প্রথম পযার্য়ের কাজ সফল ভাবে সম্পন্ন হবার পর দ্বিতীয় পযার্য়ের জন্য প্রকল্প ইতোমধ্যেই একই জেলার আরো ৪৪৬৪ জন অতি দরিদ্র্য লোক মনোনিত করেছে। 

তিনি আরো জানান, স্বপ্ন জেলার ১১২ টি ইউনিয়নে ই-পেমেন্ট ব্যবস্থা চালু করেছে। বাংলাদেশ ইনিষ্টিটিউট অব ডেভলপমেন্ট স্টাডিজ এর এক জরিপ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সুবিধাভোগি নারীরা প্রথ পযার্য়ে ১৮ মাসের একটি প্রশিক্ষনের জন্য ২০১৫ সালের ১৬ আগস্ট থেকে ২০১৭ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি পযর্ন্ত কাজ করেছে। এ সময়ে প্রত্যেক সুবিধাভোগি একটি গ্রাজুয়েশন বোনাস হিসাবে ২২,১৫০ টাকাসহ ৬৬,৪৫০ টাকা বেতন পেয়েছে। 

প্রকল্পটি প্রায় ৪০.০০০ টাকা আয় বৃদ্ধিতে অবদান রাখছে। এতে তাদের দারিদ্র্য বিমোচনে সহায়ক হচ্ছে। এখন তারা আগের চেয়ে ভাল ভাবে জীবন যাপন করছে। তারা দৈনন্দিন খাবারে এবং অন্যান্য পারিবারিক প্রয়োজনে বিশেষ করে সন্তানের লেখা পড়ায় অর্থ ব্যায় করতে পারছে।

সুবিধাভোগিদের এখন প্রধান সম্পদ হচ্ছে জীবনযাপন। অর্থের পরিমানগত দিক থেকে নয়, তাদের জীবন যাপনের ধরন প্রায় ৪৩ শতাংশ বদলে দিয়েছে। গ্রাজুয়েশন বুনাস সুবিধাভোগিদের কৃষি জমি বরাদ্দ নিতে সহায়তা করছে। দির মজুর থেকে এখন তাদের অনেকে কৃষক হতে পারছে। তারা স্বাবলম্বী হচ্ছে। এতে তাদের সামাজিক মযার্দাও বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রকল্পের সকল সূচক সুবিধাভোগিদেরকে আরো উন্নত জীবনযাপনে উৎসাহিত করছে।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top