Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮ , সময়- ৮:০০ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
খালেদা জিয়ার চিকিৎসা বিতর্ক কেন ? বিএনপি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সাক্ষাত শেষে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী | প্রজন্মকণ্ঠ পছন্দের হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য আবেদন খালেদা জিয়ার | প্রজন্মকণ্ঠ খালেদা জিয়া কারাগারের বাইরে থাকার সময়ও জনগণ তার ডাকে সাড়া দেয়নি : ওবায়দুল কাদের বিএনপি-জামায়াত ক্লিনহার্ট অপারেশন চালিয়ে আ'লীগের অসংখ্য নেতাকর্মীকে নির্যাতনের শিকার করেছিল : প্রধানমন্ত্রী  ধর্মমন্ত্রী ও ভূমিমন্ত্রীর  কড়া সমালোচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে রিজভীর নেতৃত্বে মিছিল করেছে বিএনপি আ'লীগের প্রতিনিধিদলের উত্তরবঙ্গ সফর শুরু । প্রজন্মকণ্ঠ   বিজিবি-বিএসএফ সম্মেলন : সীমান্ত হত্যা শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনার অঙ্গীকার | প্রজন্মকণ্ঠ  সেমিফাইনাল নিশ্চিত করতে মাঠে নামছে স্বাগতিক বাংলাদেশ, আগামীকাল | প্রজন্মকণ্ঠ

ভারী বৃষ্টিপাতে আবারও পাহাড় ধসে প্রাণ গেল ৫ শিশুর


প্রজন্মকণ্ঠ রিপোর্ট

আপডেট সময়: ২৫ জুলাই ২০১৮ ৩:২১ পিএম:
ভারী বৃষ্টিপাতে আবারও পাহাড় ধসে প্রাণ গেল  ৫ শিশুর

টানা ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে পাহাড় ধসের ঘটনায় কক্সবাজার শহরে একই পরিবারের চার শিশু এবং রামু উপজেলায় অপর এক শিশু নিহত হয়েছে।

আজ (বুধবার) সকালে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত পাঁচ শিশু হলো- দক্ষিণ রুমালিয়ারছড়া বাঁচামিয়ার ঘোনা এলাকার মর্জিয়া আকতার, কাফিয়া আকতার, আবদুল খাইর  ও খাইরুন্নেছা । এর সবাই ভাই-বোন। অপরজন রামু উপেজলার দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নের পানেরছড়া গ্রামের মোর্শেদ আলম (৬)।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আফরাজুল হক টুটুল জানান, শহরের দক্ষিণ রুমালিয়ারছড়া এলাকায় ওই চার শিশুর মা বাড়ির বাইরে কাজ করছিলেন। এ সময় চার শিশুই ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন। হঠাৎ পার্শ্ববর্তী পাহাড় বাড়ির ওপর ধসে পড়ে। এতে ঘুমন্ত চার শিশু মাটির নিচে চাপা পড়ে। এ সময় মায়ের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে এবং ওই চার শিশুকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেন। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

অন্যদিকে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কক্সবাজারের ইনচার্জ শেফায়েত হোসেন বলেন, রামু উপজেলার দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নের পানেরছড়া গ্রামে পাহাড়ধসে মোর্শেদ আলম (৬) নামে এক শিশু নিহত হয়েছে। সে এলাকার জাকির হোসেনের ছেলে।

নিহতদের স্বজন ও স্থানীয়দের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, “বাঁচামিয়ার ঘোনা এলাকায় একটি পাহাড়ের ঢালের নিচে মালয়েশিয়া প্রবাসী জামাল হোসেনের বাড়ি। ভোরে ভারী বৃষ্টির মধ্যে যখন পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটে, জামালের স্ত্রী ছেনুয়ার তখন বাড়ির সদর দরজার পাশে বসে কুরআন পড়ছিলেন। এক পর্যায়ে হঠাৎ বাড়ির পেছনের পাহাড় থেকে কাদার স্তর নেমে আসে। জামালের চার ছেলেমেয়ে তখন ঘরের ভেতরে ঘুমাচ্ছিল। ওই অবস্থাতেই তারা মাটিচাপা পড়ে। ধসের মধ্যে ছেনুয়ারা নিজেও আহত হন। কোনোক্রমে তিনি বেরিয়ে এসে চিৎকার শুরু করলে স্থানীয়রা এগিয়ে আসে। পরে ফায়ার সার্ভিসে খবর দেওয়া হয় এবং উদ্ধারকর্মীরা এসে মাটি সরিয়ে চার শিশুকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে।“

কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন বলে জানান ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা সাফায়েত।

কক্সবাজারসহ দেশের উপকূলীয় এলাকায় গত তিন দিন ধরেই বৃষ্টি হচ্ছে। টানা বৃষ্টিতে পাহাড়ের মাটি নরম হয়ে ধস নামতে পারে বলে আবহাওয়া অফিস থেকেও সতর্ক করা হচ্ছিল। কিন্তু তা সত্ত্বেও মর্মান্তিক এ ঘটনা ঘটল।

গতবছর ১১ থেকে ১৩ জুন ভারি বর্ষণের ফলে চট্টগ্রাম, রাঙামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার, খাগড়াছড়ি ও মৌলভীবাজার জেলায় অন্তত ১৫৬ জনের মৃত্যু হয়।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top