Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, শনিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৮ , সময়- ৭:২৯ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
ভাসানীর আদর্শকে ধারণ করে দেশপ্রেম ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হওয়ার আহ্বান  তরুণ ভোটারদের প্রাধান্য দিয়ে প্রণয়ন করা হচ্ছে আ'লীগের ইশতেহার  মওলানা ভাসানীর ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ  বিশ্ব ইজতেমা স্থগিত করা হয়নি  দাবানলে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭৪, নিখোঁজ সহস্রাধিক রাজনৈতিক দলগুলোর রেকর্ড পরিমান মনোনয়নপত্র বিক্রি ঐক্যফ্রন্ট সংখ্যাগরিষ্ট আসন পেলে কে হবেন প্রধানমন্ত্রী ?  আ’লীগ নেতা রেজনু ও ছাত্রদল নেতা জিলানির ফোনালাপ ফাঁস প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের ইসিকে সহযোগিতার নির্দেশনা | প্রজন্মকণ্ঠ আওয়ামী লীগের দুপক্ষের সংঘর্ষ ও গোলাগুলিতে চারজন নিহত | প্রজন্মকণ্ঠ

চট্টগ্রামে ‘মদ্যপ’ অবস্থায় এএসপি'র টোল প্লাজা ও থানায় ঢুকে ভাংচুর ! 


নিজস্ব প্রতিবেদক, প্রজন্মকণ্ঠ

আপডেট সময়: ৪ আগস্ট ২০১৮ ১২:২৩ এএম:
চট্টগ্রামে ‘মদ্যপ’ অবস্থায় এএসপি'র টোল প্লাজা ও থানায় ঢুকে ভাংচুর ! 

চট্টগ্রামে ‘মদ্যপ’ অবস্থায় সহকারি পুলিশ সুপার (এএসপি) পদমর্যাদার এক কর্মকর্তা টোল প্লাজা ও থানায় ঢুকে ভাংচুর চালিয়েছেন। ওই এএসপির কোমরে ছিল সরকারি নাইন এমএম পিস্তল। সেই অস্ত্র দিয়ে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটানোর আশঙ্কায় তটস্থ হয়ে পড়েন জেলা পুলিশের কর্মকর্তারা।

তবে শেষ পর্যন্ত তার কাছ থেকে পিস্তল কেড়ে নিতে সক্ষম হয় চন্দনাইশ থানা পুলিশ। পরে এএসপিকে জেলা পুলিশ লাইনে নিয়ে আসা হয়। তাকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করেও নেওয়া হয়েছে।

এএসপি পদমর্যাদার ওই কর্মকর্তা হলেন-চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের মিরসরাই সার্কেলে কর্মরত মশিয়ার রহমান। শুক্রবার (৩ আগস্ট) দুপুরে সরকারি পিকআপ নিয়ে তিনি চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক দিয়ে যাচ্ছিলেন। সে সময় সাদা পোশাকে ছিলেন তিনি।

শাহ আমানত সেতুর টোল প্লাজার পরিচালক (অপারেশন) অপূর্ব সাহা জানান, আকস্মিকভাবে নিজের গাড়ি থেকে নেমে এসে তিনি টোল বক্সে ঢুকে প্রথমে দরজা ভাংচুর করেন। কয়েকজন কর্মকর্তা তাকে নিবৃত্ত করার জন্য গেলে তিনি তাদেরও মারধর করেন।

এ সময় মশিয়ার রহমানকে অসংলগ্ন অবস্থায় ছিলেন বলে মনে হয়েছে বলে জানান অপূর্ব সাহা।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার (এসপি) নূরে আলম মিনা যখন বিষয়টি জানতে পারেন, তখন গাড়ি নিয়ে মশিয়ার পটিয়া থানা পার হয়ে চন্দনাইশের দিকে চলে যান। এসপি দ্রুত চন্দনাইশ থানার ওসিকে এএসপি মশিয়ারকে আটক করে তার অস্ত্র নিজের জিম্মায় নেওয়ার নির্দেশ দেন।

ওসি দ্রুত টেলিফোনে তার সঙ্গে যোগাযোগ করে চন্দনাইশ থানায় ভাতের দাওয়াত দেন। এ সময় মশিয়ার ওসির সঙ্গেও অসংলগ্নভাবে দুর্ব্যবহার করেন। পরে ওসি কৌশলে তাকে থানায় নিতে সক্ষম হন। কিন্তু থানায় ঢুকেই মশিয়ার আবারও ভাংচুর, পুলিশ সদস্যদের মারধরসহ অপ্রীতিকর ঘটনায় জড়িয়ে পড়েন।

একপর্যায়ে ওসিসহ অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা ঘিরে ধরে তার কাছ থেকে পিস্তল ছিনিয়ে নেন। তার গাড়ি, ওয়্যারলেস সেটও জব্দ করা হয়। এর মাধ্যমে কৌশলে তাকে আটকে ফেলা হয়। এসপি বলেন, টোল প্লাজার ঘটনার সময় সে (মশিয়ার) মদ্যপ ছিল বলে জানতে পেরেছি। তবে চন্দনাইশ থানায় যখন গেছে, তখন অসংলগ্ন অবস্থা তেমন ছিল না। এরপরও সে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটিয়েছে। আমাদের ভয় ছিল, তার কোমরে সরকারি অস্ত্র ছিল।

সূত্রমতে, এই ঘটনা জানার পর এসপি চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি ও পুলিশ সদর দপ্তরের ডিআইজির (এডমিন) সঙ্গে যোগাযোগ করেন। দুই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাই যেকোনভাবে তাকে আটক করে এসপি অফিসে এনে সংযুক্ত করে রাখার আদেশ দেন।

চন্দনাইশ থানা থেকে তাকে বিকেলে এসপি অফিসে নিয়ে আসা হয়। তাকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে নিয়ে এসপি অফিসে সংযুক্ত করা হয়েছে বলে এসপি জানিয়েছেন। সূত্রমতে, এএসপি মশিয়ার রহমানকে সম্প্রতি চট্টগ্রাম থেকে বদলি করা হয়েছিল। কিন্তু পুলিশের স্টাফ কলেজে একটি প্রশিক্ষণের পূর্বনির্ধারিত শিডিউল থাকায় তার বদলি বিলম্বিত হয়।

মশিয়ারের পারিবারিক কোনো হতাশা কিংবা ব্যক্তিগত কোনো সমস্যা আছে কি-না সেটাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top