Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, বুধবার, ২২ আগস্ট ২০১৮ , সময়- ১১:০৬ পূর্বাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
অটলবিহারী বাজপেয়ীর অবস্থা সঙ্কটজনক আলোর গতিতে বাংলার আকাশ ছাড়িয়ে বহির্বিশ্বে বঙ্গবন্ধুর নাম গভীর শোক আর শ্রদ্ধায় জাতি স্মরণ করলো বঙ্গবন্ধুকে বাংলাদেশ সরকার গণগ্রেপ্তার চালাচ্ছে - এইচআরডব্লিউ : বিশ্লেষক প্রতিক্রিয়া বঙ্গবন্ধু হত্যায় জড়িত ছিল দেশি-বিদেশি আন্তর্জাতিক চক্র : সেলিম জাতীয় নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র চলছে : কামরুল নির্বাচনে বিশ্বাস করি, ভোটের লড়াই করে ক্ষমতায় যেতে চাই : মোহাম্মদ নাসিম কাবুলে আত্মঘাতী বোমা হামলার ঘটনায় ৪৮ জন নিহত এখন পর্যন্ত ৪০ বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু  বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম সারওয়ারকে শেষ বিদায় জানালেন বানারীপাড়াবাসী

৭ দিনের রিমান্ডে আলোকচিত্রী শহীদুল আলম 


নিজস্ব প্রতিবেদক, প্রজন্মকণ্ঠ

আপডেট সময়: ৬ আগস্ট ২০১৮ ৯:২১ পিএম:
৭ দিনের রিমান্ডে আলোকচিত্রী শহীদুল আলম 

আলোকচিত্রী শহীদুল আলমের বিরুদ্ধে রমনা থানায় তথ্যপ্রযুক্তি আইনে দায়ের করা মামলায় সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। সোমবার অতিরিক্ত ঢাকা মহানগর হাকিম আসাদুজ্জামান নূর আদালত উভয় পক্ষের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। এদিকে বিশ্বখ্যাত ফটোগ্রাফার শহীদুলের আটকের খবর আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় ব্যাপক কভারেজ দেওয়া হচ্ছে।

১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের (পরিদর্শক) আরমান আলী। শহীদুলের পক্ষে আইনজীবী ব্যারিস্টার সারা হোসেন ও জোতির্ময় বড়ুয়া রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিনের আবেদন করেন। রাষ্ট্র পক্ষ থেকে এর বিরোধিতা করা হয়। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক সাত দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন।

জানা যায়, দৃক গ্যালারির প্রতিষ্ঠাতা শহীদুল আলম চলমান ছাত্র আন্দোলন নিয়ে সম্প্রতি একটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। ওই ঘটনায় রমনা থানার তথ্যপ্রযুক্তি আইনে দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখায় পুলিশ। বিকেলে ডিবি (উত্তর) পরিদর্শক মেহেদী হাসান বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

প্রখ্যাত আলোকচিত্রী এবং অ্যাক্টিভিস্ট শহীদুল আলমকে রবিবার রাত সাড়ে দশটার দিকে তার ধানমন্ডির বাসভবন থেকে তুলে নিয়ে যায় সাদা পোশাকের একদল লোক৷ স্থানীয় সময় রবিবার দিবাগত রাতে ঢাকার গোয়েন্দা পুলিশের কার্যালয়ে শহীদুল আলমের দেখা পাওয়ার আশায় অপেক্ষারত তার স্ত্রী রেহনুমা আহমেদ বলেন, আমাদের বাসার নিরাপত্তা কর্মী আমাকে জানিয়েছেন, ডিবি পরিচয়ে লোকজন বাড়িতে ঢুকে সিসিটিভি ফুটেজ নিয়ে গেছে৷ তারপর ক্যামেরার উপরে কশটেপ লাগিয়ে উপরে গিয়ে শহীদুলকে জোর করে নীচে নামিয়ে এনেছে এবং হাইরেস গাড়িতে তুলেছে৷ বাসার বাইরে তখন আরো দু’টি গাড়ি অপেক্ষমান ছিল, যার একটির লাইসেন্স নম্বর জানা গেছে৷

ঘটনার সময় একই ভবনের আরেকটি তলায় অবস্থান করছিলেন রেহনুমা আহমেদ৷ তিনি বলেন, শহীদুলকে যে ফ্ল্যাট থেকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, সেখানকার সবকিছু আগে যেমন ছিল তেমনই আছে৷ শহীদুলের স্যান্ডেলও আছে৷ 

শহীদুলকে সাদা পোশাকের ব্যক্তিরা তুলে নিয়ে যাওয়ার পরপরই ধানমন্ডি থানায় যান রেহনুমা৷ সেখানে দায়ের করা অভিযোগে তিনি তার স্বামী এবং সহকর্মী শহীদুল আলমকে অক্ষত অবস্থায় দ্রুত উদ্ধারের জন্য পুলিশের প্রতি আর্জি জানান৷

রবিবার রাতভর শহীদুলকে কারা তুলে নিয়ে গেছে তা নিয়ে বিভ্রান্তি থাকলেও সোমবার তাকে গ্রেফতারের কথা নিশ্চিত করে পুলিশ৷ পুলিশ কর্মকর্তা মশিউর রহমান বার্তাসংস্থা এএফপিকে বলেন, তাকে সোমবার ভোরে আমাদের কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়েছে৷ বিভিন্ন গণমাধ্যমে ভুল তথ্য এবং ‘উসকানিমূলক বক্তব্য দেয়ার বিষয়ে আমরা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছি৷

এই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, তিনি (শহীদুল আলম) কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি৷ তিনি স্বীকার করেছেন, সেগুলো তার ব্যক্তিগত মতামত ছিল৷’ 

এর আগে, রবিবার দিবাগত রাতে ঢাকার ইউএনবি সংবাদ সংস্থা এক প্রতিবেদনে জানায় গোয়েন্দারা শহীদুল আলমকে আটক করেছে৷ সংবাদ সংস্থাটি ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার আব্দুল বাতেনকে উদ্বৃতি করে লিখেছে, চলমান ছাত্র বিক্ষোভ নিয়ে ফেসবুকে শহীদুল আলমের কিছু পোস্টের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে আটক করা হয়েছে৷


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top