Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, মঙ্গলবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৮ , সময়- ২:০৭ পূর্বাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
ভোটের মাঠে লড়বেন ১,৮৪১ জন প্রার্থী, স্বতন্ত্র ৯৬ শেখ হাসিনার হ্যাট্রিক নাকি ক্ষমতায় আসছে বিরোধীরা ? বিশ্লেষণে আন্তর্জাতিক মহল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সৎ নেতা হিসাবে আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত  ‘তারুণ্যের প্রথম ভোট উন্নয়নের স্বার্থে হোক, শন্তির পক্ষে হোক’ জামিনে মুক্ত ভিকারুননিসার শিক্ষক হাসনা হেনা ময়মনসিংহ মুক্ত দিবস আজ খালেদা জিয়ার প্রার্থিতা নিয়ে রিটের আদেশ আগামীকাল  মনোনয়নপত্র ফিরে পাচ্ছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিরো আলম নির্বাচনী প্রচার শুরু করবেন শেখ হাসিনা, ১২ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুর যাচ্ছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ

শহীদের সংখ্যা নিয়ে কটূক্তি

খালেদা জিয়ার জামিনের আবেদন নাকচ করেছেন আদালত


নিজস্ব প্রতিবেদক, প্রজন্মকণ্ঠ

আপডেট সময়: ৭ আগস্ট ২০১৮ ১১:০৩ পিএম:
খালেদা জিয়ার জামিনের আবেদন নাকচ করেছেন আদালত

মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সংখ্যা নিয়ে মন্তব্যের মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিনের আবেদন নাকচ করেছেন আদালত। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম আসাদুজ্জামান নূর এ আদেশ দেন।

খালেদা জিয়ার আইনজীবী হান্নান ভূইয়া জানান, আজ বেলা সাড়ে ১২টায় খালেদা জিয়ার জামিন সংক্রান্ত শুনানি হয়। শুনানি শেষে সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় বিচারক খালেদা জিয়ার জামিনের আবেদন নাকচ করে দেন।

২০১৬ সালের ৫ জানুয়ারি শহীদের সংখ্যা নিয়ে কটূক্তি করে বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে জননেত্রী পরিষদের সভাপতি এ বি সিদ্দিক খালেদা জিয়া ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের বিরুদ্ধে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের (সিএমএম) আদালতে মামলা করেন। পরবর্তী সময়ে সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারক শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। সে তদন্ত প্রতিবেদন আসার পরে খালেদা জিয়া ও গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০১৫ সালের ২১ ডিসেম্বর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেন, ‘আজকে বলা হয় এত লক্ষ শহীদ হয়েছে, এটা নিয়েও অনেক বিতর্ক আছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘তিনি (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান) বাংলাদেশের স্বাধীনতা চাননি। তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতে চেয়েছিলেন। জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা না দিলে মুক্তিযুদ্ধ হতো না।’

অন্যদিকে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বুদ্ধিজীবীরা নির্বোধের মতো মারা গেছেন। একাত্তরের ১৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত যাঁরা পাকিস্তানের বেতন-ভাতা খেয়েছেন, তারা নির্বোধের মতো মারা গেলেন। আর আমাদের মতো নির্বোধরা শহীদ বুদ্ধিজীবী হিসেবে তাদের কবরে ফুল দেই। আবার না গেলে পাপ হয়। তারা যদি বুদ্ধিমান হন, তাহলে ১৪ তারিখ পর্যন্ত নিজের ঘরে থাকলেন কীভাবে।’


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top