Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮ , সময়- ১০:১১ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
বাংলাদেশে ইংরেজি বর্ষবরণে হামলার ছক বানচাল : পরিকল্পনা ফাঁস  নির্বাচনের মাঠে জামাত, ৪৭ জনের প্রার্থীপদে আপত্তি আমেরিকার  টেলিভিশন বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে আ.লীগের নির্বাচনী প্রচার : এইচটি ইমাম নৌকার পক্ষে ভোট দেওয়ার ওয়াদা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে মাঠে নামবে সেনাবাহিনী  ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় গণসংযোগে মির্জা ফখরুল  বিতর্কিত সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদ ও তাঁর রাজনীতি  প্রমাণিত হলো বিএনপি সন্ত্রাসী দল : কাদের  বিবাহবার্ষিকীতে দোয়া চাইলেন ক্রিকেট সুপারস্টার সাকিব টুঙ্গিপাড়া থেকে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করলেন সভানেত্রী শেখ হাসিনা 

শাস্তি নিশ্চিত করতে রাষ্ট্র বদ্ধপরিকর

দুটো ব্যক্তির ছবির কাহিনী | প্রজন্মকণ্ঠ


কবীর চৌধুরী তন্ময়

আপডেট সময়: ৮ আগস্ট ২০১৮ ১০:০৯ এএম:
দুটো ব্যক্তির ছবির কাহিনী | প্রজন্মকণ্ঠ

ফেসবুক স্ট্যাটাস : বাচ্চাদের সড়ক নিরাপদ আন্দোলনের আগে স্যোশাল মিডিয়ায় ঘুরে বেড়িয়েছে আমাদের দেশ পত্রিকার ভন্ড সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের রক্তাক্ত ছবি।

এই ধরনের ছবি আমিও ভাইরাল করেছি। কারণ, মাহমুদুর রহমান শুধু তাঁর ব্যক্তি অপরাধগুলো তাঁর মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখেনি; তাঁর অপরাধ ছড়িয়ে দিয়েছিল সমাজ ও রাষ্ট্রের মধ্যে। প্রজন্মের মেধাবী সন্তানদের বিতর্কিত করতে এমন কোনো চক্রান্ত নেই যে এই মাহমুদুর রহমান করেনি।

তাঁকে কুষ্টিয়ার আদালত চত্বরে শারীরিকভাবে আঘাত করা হয়েছে। তাঁর গাড়িও ভাংচুর করেছে। কিন্তু কেন আঘাত করা হয়েছে-এই প্রশ্নের উত্তর অনেকের জানা থাকলেও সরাসরি এড়িয়ে গেছে। বরং এক ধরনের সুশীল হওয়ার চেষ্টা করেছে।

এটাই আমাদের মুল সমস্যা যা মাহমুদুর রহমানরা এই সুযোগ বার বার কাজে লাগিয়ে দেশ ও দেশের মানুষের বিরুদ্ধে একেরে পর এক ষড়যন্ত্র অব্যাহত রেখেছে।

আরেকটি ছবির মানুষের নাম শহীদুল আলম। অত্যন্ত মেধাবী মানুষ তিঁনি। দৃক গ্যালারির প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এবং নিজের দক্ষতা আর অভিজ্ঞতা দিয়ে তিঁনি আন্তর্জাতিকভাবে সুনাম অর্জন করেছে-এটা অনেকেই বলে। কিন্তু আপনি কী জানেন, এই শহিদুল আলম তাঁর মেধার ব্যবহার করেছে যুদ্ধাপরাধী, রাজাকার, মানবতাবিরোধীদের পক্ষ অবলম্বন করে..? এই শহীদুল আলম পরিকল্পিতভাবে মিথ্যাচার করে, গুজব ছড়িয়ে একের পর এক- বাংলাদেশ, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও যুদ্ধাপরাধীর বিচারকাজের বিরুদ্ধে জনমত তৈরি করতে কাজ করেছিল?

সাম্প্রতিক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাঁকে গ্রেফতারের পর অনেকের সমালোচনা দেখা যায়। অনেকে আমাকেও ফোন করে হতাশা ব্যক্ত করেন, উদ্বিগ্ন হয়ে উঠেন। কিন্তু কেন গ্রেফতার করেছে-এটি দেখি কেউই বলতে পারেনি। সড়ক নিরাপদ আন্দোলন নিয়ে আল জাজিরা টেলিভিশনে তাঁর একটি সাক্ষাৎকারে সে যা বলেছে; তা রীতিমত বিভ্রান্তকর ও মিথ্যাচার। কোটা সংস্কার আন্দোলন নিয়েও তাঁর বক্তব্য ছিলো পুরোপুরি ষড়যন্ত্রের মোড়কে ঢাকা।

আমি সবাইকে বলবো-প্লীজ! তাঁর সাক্ষাৎকারটি শুনুন... 

এবার আসুন আমি কেন তাকে বিতর্কিত বা ষড়যন্ত্রকারী বলছি- শহীদুল আলম শুধুই দৃক গ্যালারির প্রতিষ্ঠাতা ও একজন ভালো মানের ফটোগ্রাফার নয়। আমি তাঁকে চিনেছি ও তাঁর ব্যাপারে জেনেছি তথাকথিত হেফাজতের আন্দোলনের সময়। তখন আরেক ভন্ড বুদ্ধিজীবী ফরহাদ মজহার আর তাঁকে হেফাজতের তান্ডবের উপদেষ্ঠা হিসেবে কাজ করতে দেখেছি।

কুখ্যাত রাজাকার, মানবতাবিরোধী অপরাধীর সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে আমরা যখন শাহবাগে আন্দোলন করি, তখন এই ফটোগ্রাফার শহিদুল আলম নাস্তিক বলে সমাজ ও রাষ্ট্রের ভিতর আমাদের জীবনকে নিরাপত্তাহীন করে তোলে।

ডেভিড বার্গম্যান আর এই শহিদুল আলম মিলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বানচাল করতে দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমে মিথ্যাচার করে দেশের ভাবমুর্তী নষ্ট করার চক্রান্ত করে।

আরেকটি কথা-

এই শহিদুল আলম একজন ফিল্ম মেকার হিসেবে তার এই কারিসমাটিক ফিল্ম মেকারের দক্ষতার মাধ্যমে বিএনপির জিয়াউর রহমানের দুটো ভুয়া কণ্ঠস্বর যুক্ত করে বঙ্গবন্ধুর বদলে জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে দেশ ও জাতির সামনে উপস্থাপন করতে এমন কোনো চেষ্টা নেই যে সে করেনি।

কেন তাঁরা এগুলো করছে?

শহিদুল আলমের স্ত্রী রেহনুমা আহমেদকে আজকের প্রজন্ম বেশ ভালো করে জেনেছে জামাত-শিবিরের কোটা সংস্কার আন্দোলনের নামে নতুন ষড়যন্ত্রের পক্ষে জোরালো বক্তব্য দেওয়ার কারনে। এই অধ্যাপিকা রেহনুমা আহমেদ হচ্ছে কুখ্যাত রাজাকার খান এ সবুর সম্পর্কে মামা-ভাগ্নী। 

২০১৪ সালে তথাকথিত ব্রিটিশ সাংবাদিক ও যুদ্ধাপরাধী বিচারের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলার কাজে নিয়োজিত ডেভিড বার্গম্যান আদালত অবমাননার দায়ে সাজা হলে, তখন যে ৫০ জন জামাতপন্থী বুদ্ধিজীবী তাঁর সাজার বিরুদ্ধে বিবৃতি দিয়েছিলো, শহিদুল আলমের স্ত্রী এই রেহনুমা আহমেদ তাঁদের একজন।

আরও অনেক কিছু লিখতে গেলে লম্বা হয়ে যাবে।

তবে আপনি যদি বাক স্বাধীনতার নামে তাঁদের কৃতকর্মকে সমর্থন করেন-এটা আপনার নিজেস্ব ব্যক্তিগত ব্যাপার। কিন্তু আমি উদার গণতন্ত্রের নামে নীল নকশার ষড়যন্ত্র আর বাক স্বাধীনতার নামে মিথ্যাচার, গুজব ছড়ানোকে প্রশ্রয় দিতে পারিন না। এটা অপরাধ। আর এই অপরাধের শাস্তি নিশ্চিত করতে রাষ্ট্র বদ্ধপরিকর।

ফেসবুক স্ট্যাটাস লিঙ্ক : কবীর চৌধুরী তন্ময়


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top