Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, রবিবার, ২১ অক্টোবর ২০১৮ , সময়- ১০:২৭ পূর্বাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
লক্ষ লক্ষ তরুণ-তরুণীদের কাঁদিয়ে ‘এবি’ উড়াল দিলেন আকাশে । প্রজন্মকণ্ঠ  কক্সবাজারের টেকনাফে দেশের সবচেয়ে বড় সৌরপ্রকল্প চালু । প্রজন্মকণ্ঠ  জাতীয় নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠাবে না ইউরোপীয় ইউনিয়ন, কিন্তু কেন ?  কক্সবাজারে আত্মসমর্পণ করলেন ৬ দস্যু বাহিনীর ৪৩ সদস্য । প্রজন্মকণ্ঠ শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী মায়ের কবরের পাশে চির নিদ্রায় আইয়ুব বাচ্চু  প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের সমালোচনা করার কারণেই খাশগজিকে হত্যা করা হয়  জাতীয় পার্টির মহাসমাবেশে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ১৮ দফা কর্মসূচি ঘোষণা  দেশের শান্তি ও অগ্রগতি অব্যাহত রাখতে স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি রোধে সবার প্রতি আহ্বান : রাষ্ট্রপতি কারিগরি শিক্ষা ও বিজ্ঞান শিক্ষাকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছি : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনের সংবাদ ৭ দিন বর্জনের আহ্বান : সাংবাদিক নারী সমাজ 

গুলশনের হোলি আর্টিজান : জঙ্গিদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ আলাপচারী হাসনাত মুক্ত


নিজস্ব প্রতিবেদক, প্রজন্মকণ্ঠ

আপডেট সময়: ৯ আগস্ট ২০১৮ ৭:৫৮ পিএম:
গুলশনের হোলি আর্টিজান : জঙ্গিদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ আলাপচারী হাসনাত মুক্ত

ভয়াবহ হামলার পর যে ছবি প্রকাশ হয়, তাতে স্পষ্ট দেখা গিয়েছিল দুই জঙ্গির সঙ্গে আলোচনারত কেশহীন ব্যক্তি হাসনাত করিমকে৷ গুলশনের হোলি আর্টিজান ক্যাফে হামলার সেই ঘটনায় নিরীহদের কুপিয়ে কুপিয়ে পরে গুলি করে খুন করে জঙ্গিরা৷ কেঁপে গিয়েছিল দুনিয়া৷ সেদিন জঙ্গিদের সঙ্গে কথাবার্তা বলা হাসনাতকে অবশেষে প্রমাণাভাবে মুক্তি দেওয়া হল৷ বাংলাদেশ ও ইংল্যান্ডের দ্বৈত নাগরিকত্ব রয়েছে তার৷

বৃহস্পতিবার জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার সময় তার পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। আদালতের নির্দেশেই হাসনাত করিম মুক্তি পেয়েছে বলে জানিয়েছে জেল কর্তৃপক্ষ৷

২০১৬ সালের ১ জুলাই গুলশানের হোলি আর্টিজান বেকারিতে হামলার পরদিন থেকেই সন্দেহভাজন হিসেবে প্রথমে আটক ও পরবর্তীতে গ্রেফতার হয়ে কারাগারে ছিল হাসনাত করিম৷ তার স্ত্রী শারমিনা জানিয়েছেন, ‘আমরা খুশি। অবশেষে হাসনাত জেল থেকে মুক্তি পেয়েছে। আমাদের বিশ্বাস ছিল সে যেহেতু নির্দোষ, সেহেতু আজ হোক কাল হোক মুক্তি সে পাবেই। কিন্তু এই দুটি বছর আমাদের দুঃসহ জীবন পার করতে হয়েছে।’

গুলশন জঙ্গি হামলায় হাসনাত করিমকে অব্যাহতি দিয়ে আদালতে নথি জমা দেয় বাংলাদেশের জঙ্গি দমন শাখা কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট বা সিটিটিসি। চার্জশিটে বলা হয়েছিল, ২০১৬ সালের ১ জুলাই হাসনাত করিমের মেয়ে শেফা করিমের জন্মদিন ছিল। মেয়ের জন্মদিন উপলক্ষে স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে হাসনাত গুলশনের হোলি আর্টিজান বেকারিতে রাতে খেতে গিয়েছিলেন৷ তখন রমজান মাস চলছিল৷

রাত সাড়ে আটটার দিকে তারা ওই রেস্টুরেন্টে প্রবেশ করার পরেই জঙ্গিরা সেখানে হামলা করে। অন্যান্যদের মতো হাসনাত ও তার পরিবারকে পণবন্দি করা হয়৷ পরের দিন কমান্ডো অভিযানে তারা মুক্তি পান৷ এরপর প্রথমে পরিবারের অন্যান্য সদস্যসহ হাসনাতকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গোয়েন্দা কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়৷

হোলি আর্টিজান ক্যাফের বিভিন্ন ছবিতে দেখা গিয়েছে, হামলাকারী দুই জঙ্গির সঙ্গে কথা বলছেন হাসনাত করিম৷ এরপরেই সন্দেহ হয়, অন্যান্যদের খুন করা হলেও হাসনাতকে কেন ছাড়ল জঙ্গিরা৷ সন্দেহ আরও বাড়ে হাসনাতের আচমকা অন্তর্ধান হয়ে যাওয়ায়৷

পরে ২০১৬ সালে তাকে গ্রেফতার করা হয় ফের৷ জেরার পর আদালতের নির্দেশে জেলবন্দি ছিল হাসনাত করিম৷ তদন্তে উঠে এসেছে, জঙ্গিরা তাকে জোর করেই বাইরে টেনে এনেছিল৷ জঙ্গি সংগঠন হিযবুত তাহরিরের সঙ্গে সম্পৃক্তার যে অভিযোগ উঠেছিল, তারও কোনও সত্যতা পায়নি পুলিশ।সবদিক দেখেই মামলার চার্জশিট থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top