Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, রবিবার, ২১ অক্টোবর ২০১৮ , সময়- ১২:১৪ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
লক্ষ লক্ষ তরুণ-তরুণীদের কাঁদিয়ে ‘এবি’ উড়াল দিলেন আকাশে । প্রজন্মকণ্ঠ  কক্সবাজারের টেকনাফে দেশের সবচেয়ে বড় সৌরপ্রকল্প চালু । প্রজন্মকণ্ঠ  জাতীয় নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠাবে না ইউরোপীয় ইউনিয়ন, কিন্তু কেন ?  কক্সবাজারে আত্মসমর্পণ করলেন ৬ দস্যু বাহিনীর ৪৩ সদস্য । প্রজন্মকণ্ঠ শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী মায়ের কবরের পাশে চির নিদ্রায় আইয়ুব বাচ্চু  প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের সমালোচনা করার কারণেই খাশগজিকে হত্যা করা হয়  জাতীয় পার্টির মহাসমাবেশে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ১৮ দফা কর্মসূচি ঘোষণা  দেশের শান্তি ও অগ্রগতি অব্যাহত রাখতে স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি রোধে সবার প্রতি আহ্বান : রাষ্ট্রপতি কারিগরি শিক্ষা ও বিজ্ঞান শিক্ষাকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছি : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনের সংবাদ ৭ দিন বর্জনের আহ্বান : সাংবাদিক নারী সমাজ 

'রোজ গার্ডেন' কেন কিনছে বাংলাদেশ সরকার ?


নিজস্ব প্রতিবেদক, প্রজন্মকণ্ঠ

আপডেট সময়: ১০ আগস্ট ২০১৮ ৩:০৮ পিএম:
'রোজ গার্ডেন' কেন কিনছে বাংলাদেশ সরকার ?

পুরনো ঢাকার ঐতিহাসিক স্থাপনা 'রোজ গার্ডেন' ক্রয় করতে যাচ্ছে সরকার। এই ক্রয়ের জন্য সরকারের খরচ হবে ৩৩২ কোটি টাকা। ১৯৪৯ সালে এ বাড়িতেই পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগের জন্ম হয়েছিল, যেটি নানা বিবর্তনের মধ্য দিয়ে বর্তমানের বাংলাদেশ আওয়ামী লীগে রূপান্তরিত হয়েছে।

গত প্রায় ৩০ বছর যাবত এই ভবনটি বাংলাদেশের প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের তালিকায় সংরক্ষিত স্থাপনা হিসেবেই রয়েছে, যদিও এটি একটি ব্যক্তি মালিকানাধীন সম্পত্তি। ১৯৩০ সালে হৃষিকেশ দাস সাত একর জমিতে এ বাড়ি নির্মাণের কাজ শুরু করেন করেন। বাংলাপিডিয়ার তথ্যে দেখা যাচ্ছে, সাত হাজার ফুট আয়তনের এ বাড়ির সামনে নানা ভাস্কর্য রয়েছে।

বাড়িটি যখন তৈরি করা হয়েছিল, তখন সেখানে নানা প্রজাতির বিরল গোলাপ গাছ ছিল। আর সে কারণেই এর নামকরণ করা হয় রোজ গার্ডেন। বাংলাপিডিয়ার তথ্য অনুযায়ী, হৃষিকেষ দাসের কাছ থেকে ওই সম্পত্তি ক্রয়ের মাধ্যমে ১৯৩৭ সাল থেকে সেখানে বসবাস শুরু করেন বিত্তশালী ব্যবসায়ী খান বাহাদুর কাজী আবদুর রশীদ। এরপর ভবনটি রশীদ মঞ্জিল নামে পরিচিত ছিল। বর্তমানে তার বংশধরেরাই এই সম্পত্তির মালিক।

১৯৪৯ সালের ২৩ শে জুন আতাউর রহমান খানের সভাপতিত্বে একটি বৈঠকে আওয়ামী লীগের জন্ম হয়। ওই বৈঠকটি হয়েছিল বর্তমানে পুরনো ঢাকার কে এম দাস লেনের কে এম বশির হুমায়ুনের এই বাড়িতেই। প্রথম বৈঠকে মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানিকে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগের সভাপতি এবং শামসুল হককে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।

সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, অনেকদিন ধরেই বাড়ির মালিক এটি বিক্রি করতে আগ্রহী ছিলেন। সেজন্য তার সাথে সরকারের তরফ থেকে যোগাযোগও করা হয়। বাড়িকে কেনার পর সরকার এটিকে নিয়ে কী করবে, সে ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা।

তবে বাড়িটি সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকবে এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে ওই কর্মকর্তা জানান। তবে এখানে একটি জাদুঘরও হতে পারে বলে তিনি ধারণা দিয়েছেন। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নুরুল কবির বলেন, যদিও 'রোজ গার্ডেন' ভবনটিকে রাজনৈতিক দলের পটভূমি থেকে মূল্যায়ন করা হচ্ছে, তবে এর বাইরেও এর স্থাপনা শৈলীর গুরুত্ব আছে।

তিনি বলেন, এটি উনবিংশ থেকে বিংশ শতাব্দীর নিউ-ক্লাসিক্যাল স্থাপত্য স্টাইলের উদাহরণ। ভবনটি এমনভাবে নির্মাণ করা হয়েছিল, যাতে সেখানে ভারতীয় স্থাপত্য শৈলীর সাথে ইউরোপীয় স্থাপত্য শৈলীর সংমিশ্রণ ঘটে।

এ ধরনের স্থাপনা বাংলাদেশে কয়েকটি রয়েছে বলে মিস্টার কবির উল্লেখ করেন। সবমিলিয়ে, 'রোজ গার্ডেন' স্থাপনা সংরক্ষণের দাবি রাখে বলে উল্লেখ করেন তিনি।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top