Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, রবিবার, ২১ অক্টোবর ২০১৮ , সময়- ১২:৩১ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
লক্ষ লক্ষ তরুণ-তরুণীদের কাঁদিয়ে ‘এবি’ উড়াল দিলেন আকাশে । প্রজন্মকণ্ঠ  কক্সবাজারের টেকনাফে দেশের সবচেয়ে বড় সৌরপ্রকল্প চালু । প্রজন্মকণ্ঠ  জাতীয় নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠাবে না ইউরোপীয় ইউনিয়ন, কিন্তু কেন ?  কক্সবাজারে আত্মসমর্পণ করলেন ৬ দস্যু বাহিনীর ৪৩ সদস্য । প্রজন্মকণ্ঠ শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী মায়ের কবরের পাশে চির নিদ্রায় আইয়ুব বাচ্চু  প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের সমালোচনা করার কারণেই খাশগজিকে হত্যা করা হয়  জাতীয় পার্টির মহাসমাবেশে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ১৮ দফা কর্মসূচি ঘোষণা  দেশের শান্তি ও অগ্রগতি অব্যাহত রাখতে স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি রোধে সবার প্রতি আহ্বান : রাষ্ট্রপতি কারিগরি শিক্ষা ও বিজ্ঞান শিক্ষাকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছি : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনের সংবাদ ৭ দিন বর্জনের আহ্বান : সাংবাদিক নারী সমাজ 

যারা গত কয়েকদিন সহিংসতায় অংশ নিয়েছে, তাদের বিচার হবেই : সজীব ওয়াজেদ


নিজস্ব প্রতিবেদক, প্রজন্মকণ্ঠ

আপডেট সময়: ১০ আগস্ট ২০১৮ ৬:২৫ পিএম:
যারা গত কয়েকদিন সহিংসতায় অংশ নিয়েছে, তাদের বিচার হবেই : সজীব ওয়াজেদ

আওয়ামী লীগ সরকার বাকস্বাধীনতায় বিশ্বাসী। কিন্তু সহিংসতা উস্কে দেয়া ও অন্যের ক্ষতি করা বাকস্বাধীনতা না। এর জবাবদিহিতা ও বিচার থাকতে হবে, না হলে বার বার একই কাণ্ড ঘটতেই থাকবে। তাই, যারা গত কয়েকদিন সহিংসতায় অংশ নিয়েছে, তাদের বিচার হবেই।

বুধবার (৮ আগস্ট) মধ্যরাতে নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসে এমনটিই বললেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়।

তিনি ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন- 

নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন এখন শেষ। এই আন্দোলনের শুরুর দিকেই আমাদের আওয়ামী লীগ সরকার সব দাবি মেনে নেয়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দাবিগুলো বাস্তবায়নের জন্য যথাযথ নির্দেশনা দেন ও শিক্ষার্থীদের অনুরোধ করেন ঘরে ফেরার, কারণ তাদের আন্দোলন সফল হয়েছে।

দুর্ভাগ্যবশত, সরকার সব দাবি মেনে নিলেও বিএনপি সহ ১/১১'র মিলিটারি ক্যু'র কুশীলব, কিছু চিহ্নিত সুশীল সমাজের এই আন্দোলনের দিকে কুনজর পরে। তারা শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যমূলকভাবে উস্কে দিতে থাকেন আন্দোলন চালিয়ে যেতে। ক্রমশই আন্দোলনটি সহিংসতার দিকে যেতে থাকে। প্রাইভেট গাড়ি ভাঙা হয়, পোড়ানো হয় বাস এমনকি মোটরসাইকেলও জ্বালানো হয়।

পর্দার পেছনে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোকে ব্যবহার করে অপপ্রচার চালাতে থাকে বিরোধী দলগুলো। তাদের উদ্দেশ্য ছিল শিক্ষার্থীদের সহিংসতার দিকে ঠেলে দেয়া। পুলিশ এর উপর আঘাত আসে, আক্রমণ করা হয় বর্ডার-গার্ড দেরও।

আমরা সবাই অভিনেত্রী নওশাবার ভিডিওটি দেখেছি, যেটি উনি নিজেই ভুয়া হিসেবে মিডিয়ার কাছে স্বীকার করেছেন। শহিদুল আলম শুধু এমন গুজবই ছড়াননি, ছড়িয়েছেন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের কাছে। ৭১ এর রাজাকারদের মতনই এখনো নিজ স্বার্থে দেশের স্বার্থ বিসর্জন দেয়ার মতন অনেক মানুষই আছে।

আমাদের আওয়ামী লীগ সরকার বাকস্বাধীনতায় বিশ্বাসী। কিন্তু সহিংসতা উস্কে দেয়া ও অন্যের ক্ষতি করা বাকস্বাধীনতা না। এর জবাবদিহিতা ও বিচার থাকতে হবে, নাহলে বার বার একই কান্ড ঘটতেই থাকবে। তাই, যারা গত কয়েকদিন সহিংসতায় অংশ নিয়েছে, তাদের বিচার হবেই।

আমাদের মনে আছে ২০১৩ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত বিএনপি-জামাতের অগ্নিসন্ত্রাসের কথা, যখন ১০০ এর অধিক নিরীহ মানুষ প্রাণ হারান ও হাজার হাজার মানুষ আহত হন।

জনগণের স্বার্থেই অরাজকতা ও সহিংসতার জবাব দিতে হয়।

ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিঙ্ক 


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top