Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, রবিবার, ২১ অক্টোবর ২০১৮ , সময়- ১০:১৩ পূর্বাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
লক্ষ লক্ষ তরুণ-তরুণীদের কাঁদিয়ে ‘এবি’ উড়াল দিলেন আকাশে । প্রজন্মকণ্ঠ  কক্সবাজারের টেকনাফে দেশের সবচেয়ে বড় সৌরপ্রকল্প চালু । প্রজন্মকণ্ঠ  জাতীয় নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠাবে না ইউরোপীয় ইউনিয়ন, কিন্তু কেন ?  কক্সবাজারে আত্মসমর্পণ করলেন ৬ দস্যু বাহিনীর ৪৩ সদস্য । প্রজন্মকণ্ঠ শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী মায়ের কবরের পাশে চির নিদ্রায় আইয়ুব বাচ্চু  প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের সমালোচনা করার কারণেই খাশগজিকে হত্যা করা হয়  জাতীয় পার্টির মহাসমাবেশে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ১৮ দফা কর্মসূচি ঘোষণা  দেশের শান্তি ও অগ্রগতি অব্যাহত রাখতে স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি রোধে সবার প্রতি আহ্বান : রাষ্ট্রপতি কারিগরি শিক্ষা ও বিজ্ঞান শিক্ষাকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছি : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনের সংবাদ ৭ দিন বর্জনের আহ্বান : সাংবাদিক নারী সমাজ 

মুক্তিযোদ্ধা অনিল সেনের পুনর্বাসনের দায়িত্ব নিলেন জেলা প্রশাসক


নিজস্ব প্রতিবেদক, প্রজন্মকণ্ঠ

আপডেট সময়: ১১ আগস্ট ২০১৮ ১:০৩ এএম:
মুক্তিযোদ্ধা অনিল সেনের পুনর্বাসনের দায়িত্ব নিলেন জেলা প্রশাসক

জাতিরজনক বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমান এর ডাকে সাড়া দিয়ে পাকিস্তানি সেনার বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রামে নেমে পড়েছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙ্গামাটির জেলার কাউখালি উপজেলার ঘাগরা এলাকার অনিল সেন৷ তাঁর স্বপ্ন সফল হয়েছে৷ কিন্তু স্বাধীন দেশে আর তাঁর থাকার ঘরটুকুও নেই৷ জমি বিবাদ সংক্রান্ত একটি মামলায় আদালতের রায়ে এই মুক্তিযোদ্ধার বসত বাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে৷ ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশ জুড়ে৷ গৃহহীন অনিল বাবুর পক্ষে দাঁড়িয়েছেন বহু মানুষ৷ হয়েছে মানব বন্ধন৷

মুক্তিযোদ্ধা অনিল সেনের বাড়ি পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙ্গামাটির জেলার কাউখালি উপজেলার ঘাগরা এলাকায়। অভিযোগ, সম্পূর্ণ বিনা নোটিশে তাঁকে উচ্ছেদ করা হয়েছে৷ ঘরের সকল ব্যবহৃত জিনিস পত্র, আসবাব পত্র, অমানবিকভাবে ছুঁড়ে ফেলে দেওয়া হয়েছে রাস্তায়। তাঁর মুক্তিযোদ্ধা সার্টিফিকেট, পরিচয় পত্র এবং সাম্মানিক চরম অবহেলায় ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে৷

১৯৭১ সালের পর থেকে ঘাগড়া ইউনিয়নে খাস জমিতে ঘর তুলে স্ত্রী, চার মেয়ে ও এক ছেলে নিয়ে বসবাস করছিলেন মুক্তিযোদ্ধা অনিল সেন। কয়েক বছর আগে রাজ্যমনি ও বিশ্বজিৎ নামে স্থানীয় দুই ব্যক্তির সঙ্গে জমি নিয়ে অনিল সেনের বিরোধ দেখা দেয়। এর জেরে অনিল সেনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন ওই দুই ব্যক্তি৷ পরে আদালতের রায়ে বৃহস্পতিবার তাকে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করে স্থানীয় প্রশাসন। খবর পেয়ে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতৃত্ব তাঁর কাছে যান৷ তাঁদের তরফে সম্পূর্ণ সাহায্যের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে৷

জেলা প্রশাসক একেএম মামুনুর রশিদ বলেন, অনিল সেন একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। তার পুনর্বাসনে জেলা প্রশাসন থেকে আপাতত ১০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে। আমি অনিল সেনের সঙ্গে আছি। তার পুনর্বাসনের জন্য যা করা দরকার, সব করা হবে।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top