Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, রবিবার, ১৯ আগস্ট ২০১৮ , সময়- ৯:২১ পূর্বাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
অটলবিহারী বাজপেয়ীর অবস্থা সঙ্কটজনক আলোর গতিতে বাংলার আকাশ ছাড়িয়ে বহির্বিশ্বে বঙ্গবন্ধুর নাম গভীর শোক আর শ্রদ্ধায় জাতি স্মরণ করলো বঙ্গবন্ধুকে বাংলাদেশ সরকার গণগ্রেপ্তার চালাচ্ছে - এইচআরডব্লিউ : বিশ্লেষক প্রতিক্রিয়া বঙ্গবন্ধু হত্যায় জড়িত ছিল দেশি-বিদেশি আন্তর্জাতিক চক্র : সেলিম জাতীয় নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র চলছে : কামরুল নির্বাচনে বিশ্বাস করি, ভোটের লড়াই করে ক্ষমতায় যেতে চাই : মোহাম্মদ নাসিম কাবুলে আত্মঘাতী বোমা হামলার ঘটনায় ৪৮ জন নিহত এখন পর্যন্ত ৪০ বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু  বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম সারওয়ারকে শেষ বিদায় জানালেন বানারীপাড়াবাসী

মুক্তিযোদ্ধা অনিল সেনের পুনর্বাসনের দায়িত্ব নিলেন জেলা প্রশাসক


নিজস্ব প্রতিবেদক, প্রজন্মকণ্ঠ

আপডেট সময়: ১১ আগস্ট ২০১৮ ১:০৩ এএম:
মুক্তিযোদ্ধা অনিল সেনের পুনর্বাসনের দায়িত্ব নিলেন জেলা প্রশাসক

জাতিরজনক বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমান এর ডাকে সাড়া দিয়ে পাকিস্তানি সেনার বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রামে নেমে পড়েছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙ্গামাটির জেলার কাউখালি উপজেলার ঘাগরা এলাকার অনিল সেন৷ তাঁর স্বপ্ন সফল হয়েছে৷ কিন্তু স্বাধীন দেশে আর তাঁর থাকার ঘরটুকুও নেই৷ জমি বিবাদ সংক্রান্ত একটি মামলায় আদালতের রায়ে এই মুক্তিযোদ্ধার বসত বাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে৷ ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশ জুড়ে৷ গৃহহীন অনিল বাবুর পক্ষে দাঁড়িয়েছেন বহু মানুষ৷ হয়েছে মানব বন্ধন৷

মুক্তিযোদ্ধা অনিল সেনের বাড়ি পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙ্গামাটির জেলার কাউখালি উপজেলার ঘাগরা এলাকায়। অভিযোগ, সম্পূর্ণ বিনা নোটিশে তাঁকে উচ্ছেদ করা হয়েছে৷ ঘরের সকল ব্যবহৃত জিনিস পত্র, আসবাব পত্র, অমানবিকভাবে ছুঁড়ে ফেলে দেওয়া হয়েছে রাস্তায়। তাঁর মুক্তিযোদ্ধা সার্টিফিকেট, পরিচয় পত্র এবং সাম্মানিক চরম অবহেলায় ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে৷

১৯৭১ সালের পর থেকে ঘাগড়া ইউনিয়নে খাস জমিতে ঘর তুলে স্ত্রী, চার মেয়ে ও এক ছেলে নিয়ে বসবাস করছিলেন মুক্তিযোদ্ধা অনিল সেন। কয়েক বছর আগে রাজ্যমনি ও বিশ্বজিৎ নামে স্থানীয় দুই ব্যক্তির সঙ্গে জমি নিয়ে অনিল সেনের বিরোধ দেখা দেয়। এর জেরে অনিল সেনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন ওই দুই ব্যক্তি৷ পরে আদালতের রায়ে বৃহস্পতিবার তাকে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করে স্থানীয় প্রশাসন। খবর পেয়ে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতৃত্ব তাঁর কাছে যান৷ তাঁদের তরফে সম্পূর্ণ সাহায্যের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে৷

জেলা প্রশাসক একেএম মামুনুর রশিদ বলেন, অনিল সেন একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। তার পুনর্বাসনে জেলা প্রশাসন থেকে আপাতত ১০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে। আমি অনিল সেনের সঙ্গে আছি। তার পুনর্বাসনের জন্য যা করা দরকার, সব করা হবে।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top