Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, বুধবার, ২১ নভেম্বর ২০১৮ , সময়- ২:১০ পূর্বাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন নির্বাচনি জোটের শরিক জাতীয় পাটি পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) আজ  প্রধানমন্ত্রীর হাতে ৩৮টি আসনের তালিকা তুলে দিয়েছেন বদরুদ্দোজা চৌধুরী হেলমেট পরে হামলার নির্দেশ দিয়েছিল বিএনপি নেতারা সেই তৃতীয় শক্তির নেতারা আজ কে কোথায় ?  বিদ্যুৎ খাতে দক্ষিণ কোরীয় বিনিয়োগ চাইলেন প্রধানমন্ত্রী বিদেশি টিভি চ্যানেলে দেশিপণ্যের বিজ্ঞাপন প্রচার বন্ধের নির্দেশ অধিকাংশ ইসলামী দলগুলি ভোটের মাঠে আওয়ামী লীগের সঙ্গে | প্রজন্মকণ্ঠ গত পাঁচ বছরে যেসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করেছে আ'লীগ সরকার | প্রজন্মকণ্ঠ #মি টু ঝড় এখন বাংলাদেশে 

কলরেট বেড়ে গেছে ৮০ শতাংশ, যৌক্তিকতা নেই বলে মনে করছে গ্রাহকরা


প্রজন্মকণ্ঠ অনলাইন রিপোর্ট

আপডেট সময়: ৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ১:১৭ এএম:
কলরেট বেড়ে গেছে ৮০ শতাংশ, যৌক্তিকতা নেই বলে মনে করছে গ্রাহকরা

উন্নত বিশ্বের পাশাপাশি আমাদের পাশ্ববর্তী দেশ ভারতে যখন ভয়েস কলের মূল্যই গ্রহণ করা হয় না, তখন আমাদের দেশে বেড়েছে ভয়েস কলের রেট। জিপি টু জিপিতে ১০ টাকার মিনিট কার্ডে আগে যখন কথা বলা যেত ২৫ মিনিট, এখন সেখানে পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ১৬ মিনিট। ১৪ টাকা রিচার্জে পাওয়া যেত ৪০ মিনিট, এখন পাওয়া যাচ্ছে ২৫ মিনিট। আর এভাবে কলরেট বাড়ানোর কোন যৌক্তিকতা খুঁজে পায় না গ্রাহকেরা। 

দেশে নাম্বার পোর্টেবেলিটি (এমএনপি) সেবা তথা নাম্বার অপরিবর্তিত রেখে অপারেটর পরিবর্তন ব্যবস্থা চালু হতে যাওয়ার কারণ দেখিয়ে মোবাইল ফোন অপারেটরগুলোর নতুন কলরেট নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ সংস্থা (বিটিআরসি)। ন্যূনতম কলরেট বাড়ানোয় গ্রাহকদের মধ্যে দেখা দিয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া অসন্তোষ। 

পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে থ্রিজি ও ফোরজি চালুর পর ভয়েস কলের মূল্য নেমে গেছে। কিছু কিছু অপারেটরে বিনামূল্যে ভয়েস কলে কথা বলা যায়। তাছাড়া আমাদের দেশে বেশিরভাগ গ্রাহক ব্যয় কমাতে অননেট এ বেশি কথা বলে। অর্থাৎ এক অপারেটর থেকে অন্য অপারেটরে কথা বলে এমন সংখ্যা কম। আর আমাদের দেশের আগে যেখানে ২৫ পয়সা মিনিটে কথা বলা যেত, সেখানে রেট বাড়িয়ে ৪৫ পয়সা করা হয়েছে। অর্থাৎ কলরেট বেড়ে গেছে ৮০ শতাংশ, যার কোনো যুক্তি নেই বলে মনে করছে গ্রাহকরা।

এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, নতুন কলরেটের গ্রাহকদের ক্ষতি হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। তবে যারা একই অপারেটরে বা এফএনএফের দীর্ঘক্ষণ কথা বলতেন তাদের ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে। তবে বৃহৎ জনগোষ্ঠীর জন্য নতুন কলরেট ক্ষতির কারণ হবে না। গ্রাহকদের সুবিধা বাড়াতে সামনে এমএনপি চালু হচ্ছে, তখন সমস্যাগুলো থাকবে না।’

তবে গ্রাহকদের মিশ্র প্রতিক্রিয়ার কথা শিকার করেছে মোবাইল অপারেটর কোম্পানিগুলো। তাদের মতে, নতুন কলরেটের ফলে গ্রাহকরা কী ধরনের বাধাগ্রস্ত হবেন সে ব্যাপারে এখনি বলা যাচ্ছে না। তবে নতুন কলরেটের ফলে সুবিধা-অসুবিধা দুটোই জড়িত। সামনে এমএনপি চালু হচ্ছে ফলে কলরেট পরিবর্তন একটি স্বাভাবিক বিষয়। যারা একই অপারেটর থেকে অন্য অপারেটরে কল করে তাদের জন্য ভালো। অন্যদিকে যারা একই অপারেটরে কম টাকায় কথা বলে তাদেরও এখন কথা বলতে বেশি পয়সা গুনতে হবে। তবে এ সিদ্ধান্তে অপারেটরগুলোর কোনো হাত নেই। এটি সরকারের সিদ্ধান্ত, সরকারের সিদ্ধান্তকে বাস্তবায়ন করতেই এ কলরেট চালু করা হয়েছে। তবে নতুন কলরেট চালু হওয়াই গ্রাহকরা কোনো অপারেটরে কথা বলছে সেটি নিয়ে ভাবতে হবে না।

বিষেশজ্ঞদের মতে, ‘নতুন কলরেট মাত্র শুরু হয়েছে। গ্রাহকদের অনুভূতি জানতে সময় লাগবে। তবে দীর্ঘ মেয়াদে এটা গ্রাহকদের জন্য ভালো হবে। 


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top