Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ , সময়- ৫:৩২ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
খালেদা জিয়ার চিকিৎসা বিতর্ক কেন ? বিএনপি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সাক্ষাত শেষে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী | প্রজন্মকণ্ঠ পছন্দের হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য আবেদন খালেদা জিয়ার | প্রজন্মকণ্ঠ খালেদা জিয়া কারাগারের বাইরে থাকার সময়ও জনগণ তার ডাকে সাড়া দেয়নি : ওবায়দুল কাদের বিএনপি-জামায়াত ক্লিনহার্ট অপারেশন চালিয়ে আ'লীগের অসংখ্য নেতাকর্মীকে নির্যাতনের শিকার করেছিল : প্রধানমন্ত্রী  ধর্মমন্ত্রী ও ভূমিমন্ত্রীর  কড়া সমালোচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে রিজভীর নেতৃত্বে মিছিল করেছে বিএনপি আ'লীগের প্রতিনিধিদলের উত্তরবঙ্গ সফর শুরু । প্রজন্মকণ্ঠ   বিজিবি-বিএসএফ সম্মেলন : সীমান্ত হত্যা শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনার অঙ্গীকার | প্রজন্মকণ্ঠ  সেমিফাইনাল নিশ্চিত করতে মাঠে নামছে স্বাগতিক বাংলাদেশ, আগামীকাল | প্রজন্মকণ্ঠ

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি'র শর্ত অযৌক্তিক দাবি মনে করছে আওয়ামী লীগ 


প্রজন্মকণ্ঠ অনলাইন রিপোর্ট

আপডেট সময়: ৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ৬:০৯ পিএম:
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি'র শর্ত অযৌক্তিক দাবি মনে করছে আওয়ামী লীগ 

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সমাবেশে বিএনপি নির্বাচনে যেতে ছয়টি শর্ত দিয়েছে৷ এর মধ্যে প্রধান শর্ত হল নির্বাচনের আগে খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি৷ কিন্তু আওয়ামী লীগ মনে করে বিএনপি নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করতেই এসব শর্ত দিচ্ছে৷

শনিবার নয়াপল্টনে বিএনপি'র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সমাবেশে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তাঁর বক্তৃতায় আগামী নির্বাচনে যাওয়ার আগে ছয়টি দাবি পূরণের কথা বলেছেন৷ শর্তগুলো হলো, প্রথমত, নির্বাচনের আগে খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি ও তাঁর নামে দেয়া সব মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে৷ আরো রয়েছে, একাদশ সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে সরকারের পদত্যাগ, সংসদ ভেঙে দিতে হবে৷ নির্বাচনের আগে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করতে হবে, সেনাবাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দিতে হবে৷ বর্তমান নির্বাচন কমিশনকে পুনর্গঠন করতে হবে৷

খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়টি সমাবেশে প্রধান দাবি হিসেবে উঠে এসেছে৷ বক্তারা বলেছেন বিএনপি'র চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার মুক্তি ছাড়া কোনো নির্বাচন নয়৷ জিয়া অর্ফানেজ ট্রাস্ট মামলায় ৫ বছরের কারাদণ্ড মাথায় নিয়ে খালেদা জিয়া গত ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে কারাগারে আছেন৷

সমাবেশে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি'র স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী৷ তিনি রবিবার ডয়চে ভেলেকে বলেন, আমরা সরকারের কাছে এই দাবি পেশ করেছি৷

সরকার এ নিয়ে আলোচনা শুরু করতে পারে৷ কিন্তু সরকার যদি আলোচনায় না আসে তাহলে আন্দোলন হবে৷ আমরা আন্দোলন শুরু করবো৷ আর এটা তো শুধু বিএনপি'র দাবি নয়৷ বাম জোট এবং যুক্তফ্রন্টও দু'একটি ছাড়া একই ধরনের দাবি দিয়েছে৷ দাবির পক্ষে এখন অনেকগুলো দল৷ তাই যুগপৎ আন্দোলন হবে৷

তিনি আরেক প্রশ্নের জবাবে বলেন, আমরা এখন ধারাবাহিক কর্মসূচি দেব৷ এই মাসেই অনেকগুলো কর্মসূচি দেয়া হবে৷ এভাবে ধারাবাহিক কর্মসূচির মাধ্যমেই আমরা চূড়ান্ত আন্দোলনের দিকে যাব৷ সাধারণ মানুষকে এই আন্দোলনে সম্পৃক্ত করা হবে৷ আর সেই কাজ আমরা এরই মধ্যে শুরু করে দিয়েছি৷

তিনি বলেন, নির্বাচন অবাধ, নিরপেক্ষ এবং অংশগ্রহণমূলক করতে হলে আমাদের দাবিগুলো সরকারকে মানতে হবে৷

খালেদা জিয়ার মুক্তির প্রশ্নে তিনি বলেন, এটা আমাদের এক নম্বর দাবি, দেশের নেতা-কর্মীরাও এটা চায়৷ আমরা বলেছি খালেদা জিয়ার মুক্তি ছাড়া নির্বাচন হবে না৷''

বিএনপি'র এইসব দাবির ব্যাপারে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, খালেদা জিয়াকে সরকার কারাদণ্ড দেয়নি৷ তাকে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত অর্থ আত্মসাতের মামলায়৷ তার বিরুদ্ধে আরো মামলা আছে৷ এগুলোকে আইনগতভাবেই মোকাবেলা করতে হবে৷ আইন অনুযায়ী খালেদা জিয়া রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা প্রার্থনাও করতে পারেন৷ এসব নিয়ে সরকারের কিছু নেই৷ বিএনপি জানে খালেদা জিয়াকে আইনগতভাবে নির্দোষ প্রমাণ করা যাবে না৷ তাই তারা আইনের পথে না গিয়ে তাকে মুক্তি দেয়ার অযৌক্তিক দাবি তুলছে৷

তিনি আরো বলেন, নির্বাচন হবে সাংবিধানিক পদ্ধতিতে৷ সংবিধানে যে রকম আছে সে রকমই নির্বাচন, নির্বাচনকালীন সরকার সব কিছু হবে৷ কোনো দলের দাবির কারণে সংবিধান পরিবর্তন করার প্রশ্নই ওঠে না৷ আর এটা করলে যে যার সুবিধামত সংবিধান পরিবর্তন করতে চাইবে৷

নির্বাচন কমিশন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়েছে রাষ্ট্রপতির গঠিত সার্চ কমিটির মাধ্যমে অত্যস্ত স্বচ্ছ উপায়ে৷ সেখানে আওয়ামী লীগ বিএনপিসহ আরো অনেক দল নাম দিয়েছে৷ সেখান থেকেই নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়েছে৷ তাই নির্বাচন কমিশন নিয়ে বিএনপি'র দাবির কোনো যৌক্তিকতা নেই৷ বিএনপি সব সময়ই নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্র করেছে৷ এবারো তাই করছে৷

আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিএনপি কঠোর আন্দোলন করবে কি করবে না এটা তাদের ব্যাপার৷ এ নিয়ে আমরা কোনো কথা বলতে চাই না৷ সরকার আছে৷ বিএনপি যদি আন্দোলনের নামে কোনো বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির চেষ্টা করে সেটা সরকার দেখবে৷ ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচন বর্জন করে বিএনপি ও তাদের জোটভুক্ত দলগুলো৷ তারা নির্বাচন প্রতিহতেরও ঘোষণা দিয়েছিল৷ তারা দাবি করেছিল নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন৷ ঐ একতরফা নির্বাচনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ টানা দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসে৷ চলতি বছরের ডিসেম্বরের শেষ দিকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কথা রয়েছে৷ তার আগে বিএনপি একটি বৃহত্তর রাজনৈতিক ঐক্যজোট গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করেছে৷ তবে দলের চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে নির্বাচনে বিএনপি যাবে কি যাবে না তা জানতে আরো অপেক্ষা করতে হবে৷


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top