Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, শনিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৮ , সময়- ৪:১১ পূর্বাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
সিরিয়ায় মার্কিন বিমান হামলায় শিশুসহ ৩২ জন বেসামরিক ব্যক্তি নিহত আগামী নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা আসছে, জাতীয় পার্টির মহাসমাবেশ আজ আওয়ামী লীগের জনপ্রিয়তা আকাশচুম্বি, জনগণ হৃদয় দিয়ে ভালোবাসে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী | প্রজন্মকণ্ঠ মানুষের ভিড়ের ওপর দিয়ে চলে গেল ট্রেন, ৫০ জন নিহত | প্রজন্মকণ্ঠ তরুণী ও কম বয়সী রোহিঙ্গা মেয়েরা পাচারের শিকার হচ্ছে : জাতিসংঘ যারা বহিষ্কারের ঘোষণা দিয়েছেন তারা বিকল্পধারার কেউ নন : মাহী বি চৌধুরী  আমরা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের স্বাধীনতা এখনও পুরোপুরি অর্জন করতে পারিনি : রাষ্ট্রপ্রতি সর্বত্র মানুষের মঙ্গলের সুযোগ করে দিতে শেখ হাসিনার সরকার কাজ করছে : অর্থমন্ত্রী  সংস্কৃতি অঙ্গনে কালো ছায়া নেমে এলো | প্রজন্মকণ্ঠ চার দিনের সরকারি সফর শেষে দেশে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী আজ | প্রজন্মকণ্ঠ

যেমনটা দেখতে চাই আমার প্রিয় কক্সবাজার শহরকে


রোমানা তাছলিমা 

আপডেট সময়: ৫ অক্টোবর ২০১৮ ১১:৩৫ এএম:
যেমনটা দেখতে চাই আমার প্রিয় কক্সবাজার শহরকে

ফেসবুক স্ট্যাটাস : আমি কক্সবাজারের মেয়ে এবং কক্সবাজার জেলার গর্বিত সচেতন একজন বাসিন্দা।কক্সবাজার আমার ভালবাসার শহর এবং অহংকার। আমাদের পর্যটন নগরী কক্সবাজার যতটা প্রাকৃতিক ভাবে সুন্দর ও মনোমুগ্ধকর ততখানি প্রকাশ পানি বলে এখনো দেশ বিদেশি পর্যটকরা কক্সবাজার বলতে সমুদ্র সৈকত ও কয়েকটি ফাইভস্টারমানের হোটেলকে বুঝে থাকেন,এর বাইরে কক্সবাজার জেলায় আরো অনেক সুন্দর সুন্দর দর্শনীয় স্থান রয়েছে যা সুষ্ঠ পরিকল্পনার মাধ্যমে সবার কাছে তুলে ধরতে হবে এবং কক্সবাজারকে আরও স্মার্টলি সুপ্রতিষ্ঠিত করে সারা বিশ্বদরবারে তুলে ধরতে হবে। তাই আমি কক্সবাজারকে নিম্নউক্তভাবে দেখতে চাই বা দাবী সমূহ ---

(১) কক্সবাজারকে "পর্যটন রাজধানী ঘোষণা" করা; 

(২) কক্সবাজারকে "সিটি কর্পোরেশন" ও ম্যাগাসিটি ঘোষণা করা (মহেশখালী, কক্সবাজার সদর, রামু উপজেলা সমগ্র এলাকা এবং উখিয়া উপজেলার রাজাপালং, রত্নাপালং, হলদিয়াপালং, জালিয়াপালং ইউনিয়নের এলাকা সহ) ; 

(৩) ঢাকা ও নারায়নগঞ্জ হতে সকল লবণ কারখানা বন্ধ করে দিয়ে ইসলামপুর-নাপিতখালিকে কেন্দ্র করে ইসলামপুর আশেপাশের এলাকায় লবণ শিল্পনগরী গড়ে তোলা 

(৪) কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পাশ হতে নুনিয়ারছড়া কেন্দ্রিক শুটকী তৈরির কেন্দ্র সরিয়ে খুরুশকুল ও চৌফলদন্ডী ই্উনিয়ন ভিত্তিক অত্যাধুনিক রপ্তানীমুখী শুটকী প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র গড়ে তোলা ; 

(৫) সোনাদিয়া গভীর সমুদ্রবন্দর প্রকল্পের কাজ দ্রুত শুরু করা; 

(৬) সোনাদিয়া হতে মহেশখালী হতে ইসলামপুর ও মহেশখালী হতে মাতারবাড়ি, কুতুবদিয়া, মগনামা, পেকুয়া, আনোয়ারা হয়ে চট্টগাম অভিমুখী এক্সপ্রেসওয়ে নির্মানের পরিকল্পনা গ্রহণ করা (যা ভবিষ্যতে সোনাদিয়া গভীর সমুদ্রবন্দরের ব্যবহার উপযোগীতা বাড়াবে); 

(৭) মেরিন ড্রাইভ রোড (নুনিয়ার ছড়া হতে শাহ পরীর দ্বীপ পর্যন্ত্য) যাতে ১২ মাস ব্যবহার উপযোগী থাকে, সে জন্য অবকাঠামো সংস্কার ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত রাখা; 

(৮) শাহ পরীর দ্বীপের পার্শ্ববর্তী জালিয়াপাড়া খাল হতে সেন্ট মার্টিন দ্বীপ বড় লঞ্চ চলাচলের ব্যবস্থা করার লক্ষ্যে জালিয়াপাড়া খাল খনন করে নৌবন্দর তৈরি করা (এতে সময়, জালানী বাচবে, আবহাওয়ার গতি লক্ষ্য করে স্বল্প সময়ে সেন্ট মার্টিন্স দ্বীপে পর্যটকরা যেতে পারবে ); 

(৯) চৌফলদন্ডী জেটি উন্নত করা, যাতে বর্ষা মৌসুমে মহেশখালীতে পর্যটকরা সহজে যেতে পারে । 

(১০) রামু, হিমছড়ি, সোনারপাড় ও মহেশখালীতে পর্যটন মোটেল গড়ে তোলা ; 

(১১) দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইনের নির্মান কাজ দ্রুত শেষ করা ; 

(১২) ভবিষ্যতে কক্সবাজার হতে শাহ পরীর দ্বীপ পর্যন্ত্য ও পটিয়া হতে বাশখালী-কুতুবদিয়া-মহেশখালী হয়ে সোনাদিয়া পর্যন্ত্য রেললাইন নির্মানের সম্ভাব্যতা যাচাই ও পরিকল্পনা গ্রহণ করা ; 

(১৩) ভবিষ্যত মেগাসিটি কক্সবাজারের কথা চিন্তা করে রামু ও উখিয়াতে বৃহদাকার পানি শোধনাগার প্ল্যান্ট তৈরি করা -- যা রামু ও নাইক্ষ্যংছড়ির পাহাড়সমূহের ছড়ার পানি হতে সংগ্রহ করে শোধন করে ভবিষ্যতে কক্সবাজার মেগাসিটিতে নিরাপদ পানি সরবরাহে কাজে আসবে; 

(১৪) কক্সবাজার শহরের ছোট ছোট ও পুরনো জরাজীর্ণ ব্যক্তিমালিকানাধীন হোটেল সমূহকে অনূদান দিয়ে উন্নত মানের হোটেলে রুপান্তরের জন্য উদ্যোগ নেয়া- যেসব হোটেল মহেশখালী, লিঙ্ক রোড, রামু বাইপাস,হিমছড়ি, সোনারপাড় এলাকায় সরিয়ে নেয়ার ব্যবস্থা করা যেতে পারে ; 

(১৫) পর্যটকদের সহায়তার জন্য সরকারিভাবে ফি নিয়ে গাইড সার্ভিসের ব্যবস্থা করা; 

(১৬) কক্সবাজার শহরে দেশী-বিদেশী প্রবীণ ব্যক্তিদের বার্ধক্যজনিত চিকিতসার জন্য একটি বড় আকারের বিশেষায়িত হাসপাতাল গড়ে তোলা (যা বয়ষ্কদের জন্য একই সঙ্গে ভ্রমণ ও চিকিতসার জন্য উদ্বুদ্ধ করবে, সামগ্রিকভাবে কক্সবাজারের অর্থনীতিতে ইতিবাচক অবদান রাখবে ।

(১৭) কক্সবাজার, রামু, উখিয়াতে বড় স্টেডিয়াম সহ ক্রীড়া পল্লী গড়ে তোলা --- যা নিরাপদ আবহাওয়ায় ক্রীড়া প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও প্রতিযোগিতার আয়োজনে কাজে আসবে; 

(১৮) কক্সবাজার জেলার সকল ঐতিহাসিক, ধর্মীয় স্থাপনা সম্পর্কে ব্যাপক প্রচারণা; যাতে পর্যটকরা জেনে এখানে বেশি সময় ভ্রমণে উতসাহিত হয় । 

(১৯) বর্তমান কক্সবাজার পৌরসভা এলাকার ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নতি ও রাস্তাগুলি প্রশস্ত করার উদ্যোগ নেয়া --- যানজটের ভোগান্তি লাঘবে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া ; 

(২০) কক্সবাজারে একটি বড় আকারের ও উন্নত মানের আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা -- যাতে বিদেশীরাও এসে এখানে পড়তে পারে । 

(২১) রোহিঙ্গাদের নির্দিষ্ট ক্যাম্পে সুযোগ সুবিধা বাড়িয়ে দিয়ে তাদের ক্যাম্পেই থাকা নিশ্চিত করা; যাতে তারা এখানকার স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে মিশে তাদের কোন ক্ষতি করতে না পারে এবং বিশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরী হতে নাপারে।কেননা এই রোহিঙ্গাদের কারনে রাস্তা-ঘাটে ও বিভিন্ন চেকপোস্টে স্হানীয় জনগন নানাভাবে কারনে অকারনে হয়রানির শিকার হচ্ছে। 

(২২) ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকের কারনে কক্সবাজারের বিশুদ্ধ পরিবেশ বিপর্যস্ত সহ কক্সবাজারের সুনাম নষ্ট হচ্ছে তাই কক্সবাজার থেকে সবধরনের মাদক নিমূর্ল সহ মাদকমুক্ত কক্সবাজার ঘোষণা করা হোক। 

(২৩) রাজনীতি থেকে শুরু করে সামাজিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক প্রতিটি ক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য বিভিন্ন সুযোগ সুবিধাসহ জেন্ডার বৈষম্য দূর করা হোক তবেই আমাদের প্রিয় কক্সবাজার হবে সারা বাংলাদেশের জন্য আদর্শ উন্নয়নরে রোল মডেল।

ফেসবুক স্ট্যাটাস লিঙ্ক : রোমানা তাছলিমা 

 


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top