Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৮ , সময়- ৪:৪৬ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
জঙ্গি আস্তানা : নরসিংদীর শেখেরচর ও মাধবদীতে দুটি বাড়ি ঘিরে রেখেছে পুলিশ  ওয়েজবোর্ডের আওতায় আসছে অনলাইন নিউজপোর্টাল রামকৃষ্ণ মিশনে দুর্গা আরাধনা দেখলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তারেক জিয়াকে বিএনপি প্রধানের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেবার জন্য অনুরোধ করেছে আন্তর্জাতিক মহল নিজস্ব প্রস্তাবনা উপস্থাপন করতে না দেয়ায় অপমানিত বোধ করেছি : মাহবুব তালুকদার  ময়মনসিংহ পৌরসভাকে সিটি কর্পোরেশন ঘোষণা, সর্বস্তরে আনন্দের বন্যা গ্রেনেড হামলার মামলার রায়ে আমরা সন্তুষ্ট কিন্তু কিছু আপত্তি আছে : শাহরিয়ার আলম ড. কামাল বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন, আলহামদুলিল্লাহ : খালেদা জিয়া জাফরুল্লাহর বিরুদ্ধে সেনাকর্মকর্তার থানায় সাধারণ ডায়েরি, তদন্তে ডিবি কেন কমিশন সভা বর্জন করেছেন কমিশনার মাহবুব তালুকদার

বঙ্গবন্ধু মেডিকেল খালেদা : এতে ক্ষুব্ধ তারেক রহমান 


প্রজন্মকণ্ঠ অনলাইন রিপোর্ট

আপডেট সময়: ৮ অক্টোবর ২০১৮ ১:১৬ পিএম:
বঙ্গবন্ধু মেডিকেল খালেদা : এতে ক্ষুব্ধ তারেক রহমান 

বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে মা খালেদা জিয়া ভর্তি হওয়ায় বেজায় চটেছেন তারেক জিয়া। তারেক জিয়া এখন কাগজে কলমে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। নাজিমউদ্দিন রোড থেকে বিএসএমএমইউতে স্থানান্তরে তারেক জিয়ার মতামত নেওয়া হয়নি, এজন্য ক্ষুব্ধ এই পলাতক নেতা। তারেক জিয়া মনে করছেন, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলা রায়ের আগে বিএনপি নেতা-কর্মীদের দৃষ্টি অন্যদিকে সরাতেই সরকার এই কৌশল নিয়েছে। দলের মহাসচিবকে টেলিফোন করে এ নিয়ে নিজের ক্ষোভও ঝেড়েছেন তারেক। 

তারেক মনে করছে, এর ফলে গ্রেনেড হামলা মামলার রায় নির্বিঘ্নে দেওয়ার পথ তৈরি করল সরকার। আগামী ১০ অক্টোবর গ্রেনেড হামলা মামলার রায় দেওয়ার দিন ধার্য রয়েছে। তারেক মনে করছেন, খালেদাকে বিএসএমএমইউতে নিয়ে বিএনপিকে ঠাণ্ডা করল ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। দলের মহাসচিবকে বলেছেন, ‘আগামী ক’দিন দলের নেতা কর্মীদের দৃষ্টি থাকবে বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে। ফলে নতুন কোনো আন্দোলনের সম্ভাবনাই থাকল না। তাছাড়া তারেক জিয়া মনে করছেন, বিএনপি এবং খালেদা জিয়া এতদিন মনে করে আসছিলো যে কোনো অবস্থাতেই তিনি (বেগম জিয়া) বঙ্গবন্ধুতে চিকিৎসা নেবেন না। বেগম জিয়া একমাত্র ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসার দাবিতে অনঢ় ছিলেন। 

তারেক জিয়া মির্জা ফখরুলকে জিজ্ঞেস করেন, কী এমন ঘটল যে এখনই তাকে বঙ্গবন্ধুতে যেতে হবে? বরং বেগম জিয়া যদি বিএসএমএমইউতে যেতে অস্বীকৃতি জানাতেন, তাহলে ১০ অক্টোবর ঘিরে একটা বড় শো ডাউনের সম্ভাবনা ছিল। যদিও বিএনপি মহাসচিব তারেক জিয়াকে বোঝানোর চেষ্টা করেন যে, এটা হাইকোর্টের সিদ্ধান্ত। এই সিদ্ধান্ত না মানলে বেগম জিয়ার চিকিৎসাই বন্ধ হয়ে যেত। তাছাড়া বিএনপি মহাসচিব মনে করেন, নাজিমউদ্দিন রোড থেকে বঙ্গবন্ধুতে স্থানান্তর হওয়ায় বেগম জিয়ার সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এখন সহজেই বিভিন্ন ব্যাপারে তাঁর পরামর্শ গ্রহণ করা যাবে। কিন্তু তারেক জিয়া তেমনটি মনে করেন না। 

বরং তারেক মনে করেন, এর ফলে বিএনপির সব গোপনীয়তাই ফাঁস হয়ে যাবে। গোয়েন্দা ফাঁদে বেগম জিয়ার সব নির্দেশ এবং পরামর্শই সরকারের কাছে আগাম চলে যাবে। সরকার সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে পারবে।

অবশ্য বিএনপির অধিকাংশ নেতাই মনে করছেন, বেগম জিয়ার সুচিকিৎসা দরকার। এই চিকিৎসা বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভালোই হবে বলে তারা মনে করছেন। তাই তারেক জিয়ার আপত্তিকে তারা ‘সংকীর্ণ’ এবং মাকে জিম্মি করে রাখার কৌশল হিসেবে দেখছেন। বিএনপির একজন সিনিয়র নেতা, নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, ‘বেগম জিয়ার এই পরিণতির জন্য তারেক জিয়াই দায়ী। এখন তারেক জিয়া খালেদার লাশ নিয়ে রাজনীতি করছে। এটা দুর্ভাগ্যজনক।’

তারেক জিয়া ক্ষুব্ধ হলেও বিএনপি নেতারা বেগম জিয়া হাসপাতালে স্থানান্তর হওয়ায় খুশি। তারা মনে করছেন, এটাও একটা বিজয়। তাঁরা সুচিকিৎসার যে দাবি আদায় করতে চেয়েছিলেন, তা অর্জিত হয়েছে।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top