Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৮ , সময়- ৪:২১ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
জঙ্গি আস্তানা : নরসিংদীর শেখেরচর ও মাধবদীতে দুটি বাড়ি ঘিরে রেখেছে পুলিশ  ওয়েজবোর্ডের আওতায় আসছে অনলাইন নিউজপোর্টাল রামকৃষ্ণ মিশনে দুর্গা আরাধনা দেখলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তারেক জিয়াকে বিএনপি প্রধানের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেবার জন্য অনুরোধ করেছে আন্তর্জাতিক মহল নিজস্ব প্রস্তাবনা উপস্থাপন করতে না দেয়ায় অপমানিত বোধ করেছি : মাহবুব তালুকদার  ময়মনসিংহ পৌরসভাকে সিটি কর্পোরেশন ঘোষণা, সর্বস্তরে আনন্দের বন্যা গ্রেনেড হামলার মামলার রায়ে আমরা সন্তুষ্ট কিন্তু কিছু আপত্তি আছে : শাহরিয়ার আলম ড. কামাল বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন, আলহামদুলিল্লাহ : খালেদা জিয়া জাফরুল্লাহর বিরুদ্ধে সেনাকর্মকর্তার থানায় সাধারণ ডায়েরি, তদন্তে ডিবি কেন কমিশন সভা বর্জন করেছেন কমিশনার মাহবুব তালুকদার

টেকনাফ মেরিন ড্রাইভসংলগ্ন সৈকত থেকে ৯ লাখ পিস ইয়াবা জব্দ, আটক ১


প্রজন্মকণ্ঠ অনলাইন রিপোর্ট

আপডেট সময়: ৮ অক্টোবর ২০১৮ ২:৩৫ পিএম:
টেকনাফ মেরিন ড্রাইভসংলগ্ন সৈকত থেকে ৯ লাখ পিস ইয়াবা জব্দ, আটক ১

টেকনাফ মেরিন ড্রাইভসংলগ্ন সৈকত থেকে আলাদা অভিযানে ৯ লাখ ১২ হাজার পিস ইয়াবা বড়ি জব্দ করেছে পুলিশ, বিজিবি ও র‌্যাব। জব্দকৃত ইয়াবার আনুমানিক মূল্য ২৯ কোটি ৬ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (উখিয়া সার্কেল) নিহাদ আদনান তাইয়েন বলেন, ‘রোববার সকাল ৭টার দিকে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভসংলগ্ন সৈকত এলাকা দিয়ে ইয়াবা বড়ির একটি বড় চালান পাচারের গোপন সংবাদে টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রনজিত কুমার বড়ুয়া, পরিদর্শক (তদন্ত) এবিএমএস দোহা ও বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পরিদর্শক আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান নেয়।

এ সময় নোয়াখালী পাড়া সংলগ্ন সৈকত এলাকায় দিয়ে ইয়াবার চালান পাচারের খবরে অভিযানে গেলে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা ইয়াবার বস্তা ফেলে পালিয়ে যায়। এতে সাগর থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় পৃথকভাবে চারটি ইয়াবার বস্তা জব্দ করে তারা। পরে বস্তা খুলে গণনা করে ৬ লাখ পিস ইয়াবা বড়ি পাওয়া যায়। জব্দকৃত ইয়াবা বড়ির আনুমানিক মূল্য ১৮ কোটি টাকা।’

টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ওসি রণজিত কুমার বড়ুয়া বলেন, ‘জব্দকৃত ইয়াবা বড়ির চালান পাচারে কারা জড়িত তাদের চিহ্নিত করে মাদক আইনে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’

টেকনাফ-২ বিজিবি অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আছাদুজ্জামান বলেন, ‘একইদিন ভোরে তার নেতৃত্বে বিজিবির একটি বিশেষ টহলদল নিয়ে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভসংলগ্ন সৈকত এলাকা দিয়ে সাগর পথে ইয়াবা বড়ির বড় চালান পাচারের গোপন সংবাদ পেয়ে সাগরের তীরবর্তী এলাকায় অবস্থান নেয়। অবস্থানকালে বাহারছড়া নোয়াখালী পাড়া সৈকত এলাকায় দিয়ে ইয়াবার চালান পাচারের খবরে অভিযানে গেলে বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে ইয়াবা পাচারকারীরা সাগরে ইয়াবার বস্তা ফেলে নৌকাটি নিয়ে পালিয়ে যায়।

এ সময় সাগরের মধ্যে বস্তাটি দেখতে পেয়ে নৌকা দিয়ে গিয়ে সেটি উদ্ধার করে তীরে নিয়ে আসা হয়। পরে বস্তাটি থেকে ২ লাখ ১০ হাজার পিস ইয়াবা বড়ি পাওয়া যায়। জব্দকৃত ইয়াবা বড়ির আনুমানিক মূল্য ৬ কোটি ৩০ লাখ টাকা।’

পরে দমদমিয়া চেকপোস্টে বাস তল্লাশি চালিয়ে ৫৮ লাখ ১২ হাজার টাকা মূল্যের ১৯ হাজার ৩৭৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয় বলেও জানান তিনি।
সংশ্লিষ্টদের উপস্থিতিতে জব্দকৃত ইয়াবা বড়ি ধ্বংস করা হবে বলে জানান এই বিজিবি কর্মকর্তা। এদিকে, টেকনাফ পৌরসভায় অভিযান চালিয়ে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‌্যাব-৭ এর সদস্যরা। এ সময় তার কাছ থেকে ৮৩ হাজার ৬০০ পিস ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করা হয়েছে।

আটক সৈয়দ আলম ওরফে ভুট্টো (৩৬) টেকনাফ সদর ইউনিয়নের পূর্ব গুদারবিল এলাকার মৃত রহমত হোসেন ছেলে। সকালে টেকনাফ পৌরসভার অলিয়াবাদে তার শ্বশুর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ইয়াবাসহ তাকে আটক করা হয়।

দুপুর ২টার দিকে ক্ষুদে বার্তায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছে টেকনাফ-১ ক্যাম্পের ইনচার্জ লেফটেন্যান্ট মির্জা শাহেদ মাহাতাব। তিনি বলেন, ‘খবর ছিল দীর্ঘ দিন ধরে সৈয়দ আলম ওরফে ভুট্টো সাগর পথে মিয়ানমার থেকে ইয়াবার বড় চালান এনে টেকনাফে মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছিল। এর সূত্রে ধরেই রোববার সকালে তিনিসহ র‌্যাব-৭ কক্সবাজার ক্যাম্পের ইনচার্জ মেজর মেহেদি হাসানের নেতৃত্বে র‌্যাবের একটি দল টেকনাফ পৌরসভার রফিকুল কাদেরের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ভুট্টোকে আটক করা হয়েছে।

পরে তার স্বীকারোক্তি মতে কাঠের নিচ থেকে পলিথিন মোড়ানো ৭৩ হাজার ৬০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ সময় বাড়িতে আরও তল্লাশি চালিয়ে আলমারি থেকে আরও ১০ হাজার পিস ইয়াবা বড়ি পাওয়া যায়।’

আটক ব্যক্তি একজন শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী উল্লেখ করে লেফটেন্যান্ট মির্জা শাহেদ বলেন, ‘চলমান মাদক বিরোধী অভিযানে টেকনাফে র‌্যাবের পাঁচটি ক্যাম্প রয়েছে। এসব ক্যাম্পের সদস্যরা মাদক ঠেকাতে রাত-দিন স্থল-জলপথে টহল দিয়ে যাচ্ছে। তবে র‌্যাবের একার পক্ষে ইয়াবা বন্ধ করা সম্ভব নয়, স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে ইয়াবা ব্যবসা নির্মূল করা সম্ভব হবে।’


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top