Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, বুধবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৮ , সময়- ১০:৫৩ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় গণসংযোগে মির্জা ফখরুল  বিতর্কিত সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদ ও তাঁর রাজনীতি  প্রমাণিত হলো বিএনপি সন্ত্রাসী দল : কাদের  বিবাহবার্ষিকীতে দোয়া চাইলেন ক্রিকেট সুপারস্টার সাকিব টুঙ্গিপাড়া থেকে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করলেন সভানেত্রী শেখ হাসিনা  খালেদা জিয়ার প্রার্থিতা নিয়ে রিটের আদেশ আগামীকাল  মনোনয়নপত্র ফিরে পাচ্ছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিরো আলম নির্বাচনী প্রচার শুরু করবেন শেখ হাসিনা, ১২ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুর যাচ্ছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য ২০১৫ থেকে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট ২০৩০

৫৫৩টি সিমসহ অপরাধী চক্রের গ্রামীণফোনের ২ কর্মকর্তা আটক


প্রজন্মকণ্ঠ অনলাইন রিপোর্ট

আপডেট সময়: ৮ অক্টোবর ২০১৮ ২:৪৪ পিএম:
৫৫৩টি সিমসহ অপরাধী চক্রের গ্রামীণফোনের ২ কর্মকর্তা আটক

অপরাধীদের কাছে ৫০০ টাকা থেকে ৫ হাজার টাকায় সিম বিক্রি করতেন গ্রামীণফোনের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ (বিজনেস সেলস) সৈয়দ তানভীরুর রহমান (৩৫) ও পরিবেশক তৌফিক হোসেন খান পলাশ (৩৮)।ব্যক্তিপর্যায়ে সিম ক্রয়ের ক্ষেত্রে প্রত্যেকের জাতীয় পরিচয়পত্র ও বায়োমেট্রিক প্রয়োজন। তবে কোনো প্রতিষ্ঠানের নামে কর্পোরেট সিম ইস্যু করার ক্ষেত্রে শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট একজনের নামেই প্রয়োজনীয় সবগুলো সিম রেজিস্ট্রেশন করা হয়।

সেই সুযোগকেই কাজে লাগাতেন গ্রামীণফোনের এই দুই কর্মকর্তা। তারা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামে বাড়তি সিম ইস্যু করে বাইরে বিক্রি করতেন। তাদের যোগসাজশে এসব সিম সাধারণত অপরাধীদের কাছে সরবরাহ করা হতো।

রোববার দুপুরে কারওয়ান বাজারে র‌্যাবের মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র‌্যাব-৪ এর অধিনায়ক (সিও) অ্যাডিশনাল ডিআইজি চৌধুরী মঞ্জুরুল কবির।

এর আগে শনিবার রাতে মিরপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে সৈয়দ তানভীরুর রহমান ও তৌফিক হোসেন খান পলাশকে আটক করে র‌্যাব-৪। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৫৫৩টি সিম, বায়োমেট্রিক রেজিস্ট্রেশনের কাজে ব্যবহৃত ১টি ল্যাপটপ ও ৯টি ট্যাব উদ্ধার করা হয়।

অ্যাডিশনাল ডিআইজি মঞ্জুরুল বলেন, গ্রামীণফোনের দুইটি নাম্বার থেকে এক শ্রীলঙ্কান নাগরিকের কাছ থেকে ১০ কোটি টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। ওই ঘটনায় গত ১৯ সেপ্টেম্বর ভাষাটেক থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।

ওই ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে দেখা যায়, জিপি নাম্বার দুইটি মাইক্রোকডেস ইনফরমেশন নামে একটি কোম্পানির নামে রেজিস্ট্রেশন করা। যা তৌফিক হোসেন খান পলাশের মালিকানাধীন মোনাডিক বাংলাদেশ নামে একটি ডিসট্রিবিউশন হাউজের মাধ্যমে ইস্যু করা হয় আর এই ডিসট্রিবিউশন হাউজের তদারকির দায়িত্বে ছিলেন গ্রামীণফোন কর্মকর্তা সৈয়দ তানভীরুর রহমান।

র‌্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, মাইক্রোকডেস ইনফরমেশন কোম্পানির অনুমতি ছাড়াই সিমগুলো অ্যাকটিভ করা হয়েছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে তৌফিক ও তানভীরুরকে আটক করা হয়। পরে তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর বিভিন্ন তথ্য।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাব-৪ এর সিও বলেন, তানভীর ও পলাশ বিভিন্ন বৈধ কোম্পানির নামে প্রয়োজনের চেয়ে বাড়তি সিম ইস্যু করতেন। তারপর সেগুলো ব্যক্তিগত ভাবে লাভের আশায় বাইরে উচ্চমূল্যে বিক্রি করতেন। এসব সিম সাধারণত অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসায়ী ও অপরাধীরা ক্রয় করে ব্যবহার করতেন।

প্রাথমিকভাবে ৪২টি কোম্পানির অধীনে ৮৬৭টি অবৈধ সিম অ্যাক্টিভ পাওয়া গেছে জানিয়ে তিনি বলেন, তৌফিক সাধারণত সিমগুলো বিভিন্ন কোম্পানির নামে ইস্যু করে ক্লিয়ারেন্স পাঠাতো আর তানভীরুর সিমগুলো অ্যাক্টিভেট করতেন। অ্যাক্টিভেট ৮৬৭টি সিম কোথায় কে ব্যবহার করছেন বিষয়গুলো তদন্তধীন রয়েছে।

এ চক্রের সঙ্গে জড়িতরা যতো বড় ক্ষমতাধরই হোক সবাইকে সনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে বলেও জানান অ্যাডিশনাল ডিআইজি মঞ্জুরুল।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top