Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, বুধবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৮ , সময়- ১০:৪৯ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় গণসংযোগে মির্জা ফখরুল  বিতর্কিত সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদ ও তাঁর রাজনীতি  প্রমাণিত হলো বিএনপি সন্ত্রাসী দল : কাদের  বিবাহবার্ষিকীতে দোয়া চাইলেন ক্রিকেট সুপারস্টার সাকিব টুঙ্গিপাড়া থেকে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করলেন সভানেত্রী শেখ হাসিনা  খালেদা জিয়ার প্রার্থিতা নিয়ে রিটের আদেশ আগামীকাল  মনোনয়নপত্র ফিরে পাচ্ছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিরো আলম নির্বাচনী প্রচার শুরু করবেন শেখ হাসিনা, ১২ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুর যাচ্ছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য ২০১৫ থেকে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট ২০৩০

গ্রেনেড হামলার স্বীকারোক্তি না দিলে মামলা দেখিয়ে ক্রসফায়ারে দেব : জজ মিয়া


প্রজন্মকণ্ঠ অনলাইন রিপোর্ট

আপডেট সময়: ৯ অক্টোবর ২০১৮ ৪:৫৬ পিএম:
গ্রেনেড হামলার স্বীকারোক্তি না দিলে মামলা দেখিয়ে ক্রসফায়ারে দেব : জজ মিয়া

২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা নিয়ে কম হয়নি জলঘোলা, দুই দফা তদন্ত হলেও আসল ঘটনা বেরিয়ে আসে তৃতীয় দফার তদন্তে। ওই তদন্তের সবচেয়ে আলোচিত বিষয় ছিলো জজ মিয়া নাটক ফাঁস। হামলার দিন নোয়াখালীর সেনবাগে নিজ গ্রামের বাজারে চায়ের দোকানে বসে জজ মিয়া টেলিভিশনের খবরে জানতে পারেন বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলার খবর। অথচ তাকেই বানানো হয় প্রধান আসামি। আসল ঘটনা আড়াল করতেই এমন নাটক সাজানো হয়েছিল বলে মনে করেন নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা।

এক সময় রাজধানীর মতিঝিল এলাকায় ফলের দোকান চালাতেন জজ মিয়া। থাকতেন একটি মেসে। ওই সময় পুলিশের জঙ্গি বিরোধী অভিযানে একটি বিস্ফোরক মামলার আসামি হয়ে যান নোয়াখালীর সেনবাগের যুবক জজ মিয়া।

আর সেটিই কাল হয়ে দাঁড়ায় তার জন্যে। একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার পর পুলিশ গ্রেফতার করে তাকে। প্রথমে প্রলোভন, পরে নির্যাতন নিপীড়ন- এমনকি ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে রাজি করানো হয় একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার দায় স্বীকার করতে।

জজ মিয়া বলেন, 'তারা আমাকে সিআইডি অফিসে নিয়ে গেছে। গ্রেনেড হামলার ফুটেজ দেখিয়েছে। দেখায়ে বলে তোর এই এই ভাবে স্বীকারোক্তি দিতে হবে।  স্বীকারোক্তি না দিলে মামলা দেখায়ে ক্রসফায়ারে দিয়ে দেব। পরে রাজি না হলে অনেক মানসিক নির্যাতন করে। এরপর আমি স্বীকারোক্তি দিতে রাজি হই যাতে ক্রসফায়ারে না দেয়। পরে আমাকে নাম মুখস্ত করায়।'

কিন্তু এক সময় বিএনপি জোট সরকারের পরিবর্তন হয়ে আসে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার। সামনে আসে ক্ষমতার অপব্যবহার আর স্বেচ্ছাচারিতার আড়ালে চাপা পড়তে যাওয়া এক নির্মম সত্য।

নতুন করে তদন্ত শুরু হয় একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনা। উন্মোচিত হয় জজ মিয়া নাটক। জজ মিয়া বলেন, 'বিভিন্ন গণমাধ্যমকে বলার পরে আমি এই মামলা থেকে অব্যহতি পাই।'

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলার টার্গেট ছিলেন তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনা। আতঙ্কিত মানুষ যখন প্রাণ বাঁচাতে এদিক ওদিক ছুঁটছিলো, সে সময় আইনশৃঙ্খলা বাহীনি তাদের ওপর লাঠি চার্জ করে। নিক্ষেপ করা হয় টিয়ারশেল।

 নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল অব. মোহাম্মদ আলী শিকদার বলন, একটি বিশেষ মহলকে আড়াল করতেই সাজানো হয়েছিলো জজ মিয়া নাটক। এর সঙ্গে তৎকালীন সরকারের মদদ ছিলো। আদালতের রায়ে জজ মিয়াসহ একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার ন্যায় বিচার পাবেন- এমনটাই প্রত্যাশা তার। তথ্যসূত্র : সময় নিউজ 


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top