Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮ , সময়- ২:৫২ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় গণসংযোগে মির্জা ফখরুল  বিতর্কিত সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদ ও তাঁর রাজনীতি  প্রমাণিত হলো বিএনপি সন্ত্রাসী দল : কাদের  বিবাহবার্ষিকীতে দোয়া চাইলেন ক্রিকেট সুপারস্টার সাকিব টুঙ্গিপাড়া থেকে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করলেন সভানেত্রী শেখ হাসিনা  খালেদা জিয়ার প্রার্থিতা নিয়ে রিটের আদেশ আগামীকাল  মনোনয়নপত্র ফিরে পাচ্ছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিরো আলম নির্বাচনী প্রচার শুরু করবেন শেখ হাসিনা, ১২ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুর যাচ্ছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য ২০১৫ থেকে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট ২০৩০

সিনহার বইয়ের নামে কোনো চক্রান্তকারী মহল বিএনপি-জামাতকে ধোকা দিচ্ছে না তো ?


আবদুল্লাহ হারুন জুয়েল

আপডেট সময়: ১৫ অক্টোবর ২০১৮ ১০:১০ পিএম:
সিনহার বইয়ের নামে কোনো চক্রান্তকারী মহল বিএনপি-জামাতকে ধোকা দিচ্ছে না তো ?

ফেসবুক স্ট্যাটাস : সিনহার বই নিয়ে ব‍্যাপক আলোচনা হচ্ছে। তার বইয়ের একটি বিষয় দিয়ে শুরু করি। সিনহা তার নিয়োগের আগে জানতো না তাকে প্রধান বিচারপতি নিয়োগ করা হবে। ওয়াহাব মিঞা অনেক বলার পরও সে কোনো লবিং করে নি। শামসুদ্দিন মানিকের নাম আলোচনায় থাকলেও একদিন আইনমন্ত্রী তাকে জানান, প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী আপনাকে প্রধান বিচারপতি হিসেবে মনোনীত করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী সিনহাকে প্রধান বিচারপতি নিযুক্ত করে ভুল করেছেন, এখন সেই মূল্য দিচ্ছেন, যেভাবে শাহবুদ্দিন আহমেদকে রাষ্ট্রপতি করে ভুল করেছিলেন। কিন্তু এই ভুল কি সাধুবাদ পাওয়ার যোগ্য নয়? এই মনোনয়নে কি দেশের স্বার্থই প্রধানমন্ত্রীর কাছে মুখ্য ছিল না?

এই বইতেই পাবেন কতটা ধৈর্য্য ধরে নেত্রী বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচার সম্পন্ন করতে অপেক্ষা করেছেন, ত‍্যাগ স্বীকার করেছেন এবং আইনগত প্রক্রিয়ায় কোনোরূপ হস্তক্ষেপ করেন নি।

সিনহার বই লেখার মূল উদ্দেশ্য কি তা নিয়ে কিছু বলার প্রয়োজন নেই। কিন্তু এই বইয়ের সূত্র ধরে বিএনপি জামাত তাদের স্বভাবসিদ্ধ মিথ্যাচার করছে। জামায়াত নির্দোষ এ জাতীয় যা লেখা নেই সেটাকে শিরোনাম করে অপপ্রচার চালাচ্ছে।

বলা প্রয়োজন, সিনহার বইয়ে এমন কিছু নেই যা থেকে প্রমাণ হবে আওয়ামী লীগ খারাপ, এতে এমন কিছু নেই যা বিএনপি জামাতের নিষ্পাপ হওয়ার সনদ দেয়; বরং তার বইয়ের কিছু বিষয় থেকে প্রমাণ হয়, আওয়ামী লীগের কোনো বিকল্প নেই।

যারা এ বইয়ের কন্টেন্ট থেকে কোনো সুবিধা নিতে চাচ্ছেন, সিনহা সম্পর্কে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি জানা প্রয়োজন।

১. আপনারা কি মনে করেন সিনহা যা লিখেছেন তার সবই সত্যি?
২. কোনটি সত‍্যি, কোনটি মিথ্যা তা যাচাই করার মাপকাঠি কি?
৩. ধরে নিচ্ছি সিনহা জামাতের পক্ষ নিয়েছে। এজন্য কি জামাত নেতাদের অপকর্ম পূণ‍্যে পরিণত হবে?
৪. সিনহার বইয়ের লেখা যদি প্রণিধানযোগ্য কিতাবের সমতূল‍্য হয় তাহলে কি আপনাদের বিরুদ্ধে যায় এমন বিষয়গুলো কি স্বীকার করে নিবেন?

বইয়ের কিছু বিষয় উল্লেখ করছি :

১. হেফাজত ও জামায়াত এক মুদ্রার দুই পিঠ।
২. জিয়াউর রহমান পলিটিক‍্যাল ইসলামের সূচনা করে। ৩. রাষ্ট্র ধর্ম সংবিধান বহির্ভূত। আওয়ামী লীগ ও বিএনপি সংবিধান বহির্ভূত রাষ্ট্র ধর্ম বাদ দিতে সক্ষম হয় নি।
৪. বঙ্গবন্ধু এ দেশ স্বাধীন না করলে সিনহা বড়জোর কোনো প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষক হতে পারতেন, চীফ জাস্টিস নয়।
৫. হাইকোর্ট থেকে জাস্টিসিয়া সরানো উচিত হয় নি।
৬. বাংলাদেশ ছাড়া পৃথিবীর কোনো মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশে ভিন্ন ধর্মের কাউকে প্রধান বিচারপতি নিয়োগ করা হয় নি।
৭. কওমী মাদ্রাসার স্বীকৃতি দেশের জন্য দুর্যোগ স্বরূপ।

বিএনপি জামাতের কাছে প্রশ্ন - উল্লেখিত কোন কোন বিষয়ে আপনারা একমত?

জামায়াত ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার : জামায়াত নেতারা নিরপরাধ এমন কিছুই এ বইয়ে নেই। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল বিতর্কিত বা কোনো রায় জোর করে দেয়া হয়েছে এমন কিছুও লেখা নেই। বরং প্রধানমন্ত্রী এই বিচারকে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বলেছেন এবং সিনহা এই বিচার সম্পন্নে ভূমিকা রেখেছে সেই কৃতিত্ব দাবি করতে চেয়েছে।

বলা হয়েছে, বিচারপতি নিজামুল হক যুদ্ধাপরাধ সম্পর্কে অভিজ্ঞ হলেও কার্যক্রমে অসহযোগিতা করে এক বছরেও একটি রায় দিতে পারেন নি। সিনহা নেত্রীর কাছে গিয়ে দ্বিতীয় ট্রাইব্যুনাল গঠন, মামলার কার্যক্রমের সীমাবদ্ধতা দূর, যুদ্ধাপরাধ প্রমাণ করা ইত্যাদি বিষয়ে অবহিত করেন। নেত্রী ১৫ দিনের মধ্যে সহায়তার় প্রতিশ্রুতি পালন করেন। স্কাইপিতে সিনহার দুটি মামলার বিচারিক কার্যক্রম সম্পন্ন করার কথা, দুজনকে ফাঁসি দেয়া বলে অপপ্রচার করা হয়েছে সেটিও তার লেখায় উঠে এসেছে।

প্রধানমন্ত্রী দেশের অভিভাবক। কোনো কোনো দুর্নীতিবাজের পক্ষ নিলে তিনি জানতে চাইতেই পারেন। এটা নিয়ে সমালোচনার কিছু নেই। সিনহার বইতে উল্লেখ আছে কিভাবে চারশ কোটি টাকার বাজেট বরাদ্দ দিয়ে বিচার বিভাগের প্রত‍্যাশিত আদালতের কার্যক্রম ডিজিটালাইজ করা হয়েছে। কিভাবে সাকা চৌধুরী পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ের জাল সনদ উপস্থাপন করেছে তাও জেনে নিন এ বই থেকে।

শেষ কথা : কি করলে খালেদা ও তারেকের আইনগত সুবিধা বন্ধ করা যাবে সে ব‍্যাপারেও পরামর্শ দিয়েছেন সিনহা সাহেব।

আমি ভাবছি - বিএনপিকে জাতিসংঘ মহাসচিবের আমন্ত্রণের নামে লবিস্ট ফার্ম যেভাবে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে, সিনহার বইয়ের নামে কোনো চক্রান্তকারী মহল বিএনপিকে ধোঁকা দিচ্ছে না তো?

ফেসবুক স্ট্যাটাস link


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top