Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৮ , সময়- ৯:১০ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
এ পর্যন্ত ১১টি টেস্ট জিতেছে বাংলাদেশ  আতঙ্কিত ও ক্ষুব্ধ রোহিঙ্গারা, প্রত্যাবাসন স্থগিত  ক্ষমা চাইতে ফখরুলকে ছাত্রলীগের ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিলো ছাত্রলীগ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বানচালের যড়যন্ত্র সফল হবে না : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৩০ ডিসেম্বরই নির্বাচন, পেছানোর সুযোগ নেই : নির্বাচন কমিশন সচিব প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা শুরু হচ্ছে আগামী রবিবার বোনের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর ভালোবাসা বিএনপিকে রাজনৈতিক দল বলা যায় না, তারা একটি সন্ত্রাসী সংগঠন : সজীব ওয়াজেদ  নির্বাচনী সহিংসতা ঠেকাতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে পুলিশ | প্রজন্মকণ্ঠ বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসার বিষয়ে আদেশ আগামী রোববার

ওয়েজবোর্ডের আওতায় আসছে অনলাইন নিউজপোর্টাল


প্রজন্মকণ্ঠ অনলাইন রিপোর্ট

আপডেট সময়: ১৬ অক্টোবর ২০১৮ ১২:৫২ এএম:
ওয়েজবোর্ডের আওতায় আসছে অনলাইন নিউজপোর্টাল

ওয়েজবোর্ডের আওতায় আসছে অনলাইন নিউজপোর্টাল। ‘গণমাধ্যম কর্মী ওয়েজবোর্ড’ নামে পরিচিতি পাবে নতুন একটি ওয়েজবোর্ড। তাতে অনলাইন নিউজ পোর্টাল, পত্রিকা, রেডিও, টেলিভিশনসহ সকল গণমাধ্যমকে নিয়ে আসা হবে। যেটি হবে একটি স্বাধীন ওয়েজবোর্ড। ঠিক এই প্রস্তাব রেখে ‘গণমাধ্যম কর্মী (চাকুরির শর্তাবলী) আইন ২০১৮’ এর নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। আইনের খসড়ায় বলা হয়েছে, এটি হবে স্বাধীন ওয়েজবোর্ড। এটা শ্রম আইনের আওতায় থাকছে না। সাংবাদিকরাও শ্রমিক হিসেবে নয়, গণমাধ্যম কর্মী হিসেবে পরিচিত হবে।

সোমবার (১৫ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এ আইনের নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।

মোহাম্মদ শফিউল আলম বলেন, আইনে গণমাধ্যমকে নিয়ে অভিন্ন ওয়েজবোর্ডে নিয়ে আসা হয়েছে। এই ওয়েজবোর্ডটি গণমাধ্যম কর্মী ওয়েজবোর্ড নামে পরিচিত হবে। যারা গণমাধ্যমে কাজ করবে তারা শ্রমিক নন, গণমাধ্যমকর্মী। নতুন আইনে শ্রমিক কথাটি থাকবে না। শ্রম আইনে যেখানে শ্রমিক হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে ওখান থেকে বেরিয়ে আসবে। এখানে গণমাধ্যম কর্মীর পরিষ্কার সংজ্ঞা হল-গণমাধ্যমে পূর্ণকালীন সাংবাদিক, কলাকুশলী, প্রশাসনিক কর্মকর্তা অথবা কর্মচারী, নিবন্ধিত সংবাদপত্রের মালিকানাধীন ছাপাখানা এবং বিভিন্ন বিভাগে নিয়োজিত কর্মী। ছাপাখানা বলতে সংবাদপত্র রিলেটেড ছাপাখানাকে বুঝানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘আইনে ওয়েজবোর্ডের কথা বলা হয়েছে। এটা শ্রম আইনের নয়, স্বাধীন ওয়েজবোর্ড।’ এই ওয়েজবোর্ডে অনলাইন নিউজ পোর্টাল, পত্রিকা, রেডিও, টেলিভিশনসহ সকল গণমাধ্যমকে নিয়ে আসা হয়েছে। আইনে ১০ ধারায় নতুন একটি প্রস্তাবনাও আছে -তা হল পরিদর্শন কমিটি। পরিদর্শন কমিটির অনুমোদন সাপেক্ষে গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব চাকরিবিধি থাকবে। ৪ ধারায় বলা হয়েছে, কোনো গণমাধ্যমকর্মীর নিয়োগপ্রাপ্তির একবছর সমাপ্তির পর প্রদেয় ভবিষ্যৎ তহবিলে মাসিক চাঁদা দেওয়া শুরু করতে পারবে। যিনি মালিক তিনিও সমানহারে এখানে কন্ট্রিবিউট করবেন।

আগে সপ্তাহে একজন সংবাদকর্মীর ৪৮ ঘণ্টা কর্মঘন্টা থাকলেও নতুন আইনে সেটি ৩৬ ঘণ্টা করা হয়েছে। আর এর বেশি কাজ করলে ওভারটাইম দিতে হবে বলে জানান সচিব। তিনি বলেন, ‘ছুটির বিষয়েও এখানে অগ্রগতি আছে। আগে যেটা ১০ দিনের সিএল ছুটি ছিল সেটা এই আইনের ৬ ধারায় ১৫ দিন ধার্য করা হয়েছে। এছাড়া অর্জিত ছুটি আগে ছিল ৬০ দিন সেটা এখন ১০০ দিন হবে। সেটা ১১ দিনে ১ দিন করে জমা হবে।’

তিনি জানান, ‘প্রত্যেক গণমাধ্যমকর্মী তাদের চাকরির মেয়াদের ১৮ ভাগের ১ ভাগ পূর্ণ বেতনে অসুস্থ্যতাজনিত ছুটি পাবে। গণমাধ্যমকর্মীরা উৎসব ছুটি পাবে সর্বোচ্চ ১০ দিন। প্রত্যেক নারী গণমাধ্যমকর্মী ৬ মাস মাতৃত্বকালীন ছুটি প্রাপ্ত হবে। প্রত্যেক গণমাধ্যমকর্মী ৩ বছর অন্তর ৩০ দিন শ্রান্তি-বিনোদন ছুটি পাবে।’

সচিব আরও জানান, ৭ ধারায় চিকিৎসা সুবিধার সুবিধার ক্ষেত্রে বলা হয়েছে, প্রত্যেক গণমাধ্যমকর্মী স্বাস্থ্যবীমা সুবিধা পাবে। ৮ ধারায় নারীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। ৯ নম্বর ধারায় বলা আছে, সরকার এ আইনর সাথে সামঞ্জস্য রেখে গণমাধ্যমের সাথে জড়িত গণমাধ্যমকর্মী ও কর্মচারীদের ওয়েজ নির্ধারণের জন্য প্রজ্ঞাপনমূলে গণমাধ্যমকর্মী ওয়েজবোর্ড গঠন করবে।

১৪ ধারায় বলা হয়েছে, সরকার কর্তৃক অনুমোদিত ওয়েজের নিম্নতর হার সংশ্লিষ্ট সকল গণমাধ্যম মালিকের উপর অবশ্যই পালনীয় হবে। অর্থাৎ মিনিমাম অ্যামাউন্টটা গণমাধ্যমকর্মীকে দিতে হবে। ১৬ ধারায় বলা আছে, যদি কোনো গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের নিকট কোনো গণমাধ্যমকর্মীর বকেয়া পাওনা থাকে তাহলে ওই গণমাধ্যমকর্মী স্বয়ং অথবা তার লিখিত ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তি কিংবা মৃত গণমাধ্যমকর্মীর ক্ষেত্রে তার পরিবারের কোনো সদস্য আদালতে মামলা দায়ের করতে পারবে।

‘আইনের ১৯ ধারায় শান্তির বিধান রাখা হয়েছে। এ আইনে বর্ণিত ধারা অথবা ধারাসমূহ অথবা এর অধীন প্রণীত বিধি লঙ্গন করলে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে। সর্বনিম্ন ৫০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ ৫ লক্ষ টাকা জরিমানা করা যাবে।’ ১৯ এর ৩ এ বলা হয়েছে, এ আইন লঙ্ঘনকারী প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়াসহ যেকোনো পর্যায়ে সরকার প্রদও যেকোনো সুযোগ-সুবিধা বন্ধ অথবা স্থগিত রাখতে পারবে সরকার।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top