Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৮ , সময়- ৯:২৬ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
এ পর্যন্ত ১১টি টেস্ট জিতেছে বাংলাদেশ  আতঙ্কিত ও ক্ষুব্ধ রোহিঙ্গারা, প্রত্যাবাসন স্থগিত  ক্ষমা চাইতে ফখরুলকে ছাত্রলীগের ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিলো ছাত্রলীগ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বানচালের যড়যন্ত্র সফল হবে না : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৩০ ডিসেম্বরই নির্বাচন, পেছানোর সুযোগ নেই : নির্বাচন কমিশন সচিব প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা শুরু হচ্ছে আগামী রবিবার বোনের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর ভালোবাসা বিএনপিকে রাজনৈতিক দল বলা যায় না, তারা একটি সন্ত্রাসী সংগঠন : সজীব ওয়াজেদ  নির্বাচনী সহিংসতা ঠেকাতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে পুলিশ | প্রজন্মকণ্ঠ বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসার বিষয়ে আদেশ আগামী রোববার

৮ হাজার রোহিঙ্গার প্রথম তালিকা যাচাই করে তথ্য স্বীকার করেছে মায়ানমার


প্রজন্মকণ্ঠ অনলাইন রিপোর্ট

আপডেট সময়: ১৬ অক্টোবর ২০১৮ ৮:৪৩ পিএম:
৮ হাজার রোহিঙ্গার প্রথম তালিকা যাচাই করে তথ্য স্বীকার করেছে মায়ানমার

দেশে প্রত্যাবাসনের জন্য বাংলাদেশ থেকে দেওয়া ৮ হাজার রোহিঙ্গার প্রথম তালিকা যাচাই করে তথ্য স্বীকার করেছে মায়ানমার। সোমবার সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান পররাষ্ট্র মন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলি। তিনি বলেছেন, মায়ানমারের বিদেশ সচিবের নেতৃত্বে সরকারি দলের প্রতিনিধিরা এই মাসের শেষেই বাংলাদেশে আসছেন। তখন জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের সভায় এ নিয়ে চূড়ান্ত আলোচনা হবে। প্রত্যাবাসনের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে মাহমুদ আলি বলেন, বলার মতো নতুন কিছু নেই। প্রক্রিয়া চলছে। 

তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের নেওয়ার পর তাদের থাকার জন্য রাখাইন প্রদেশে তাদের গ্রামে ঘর তুলতে হবে। এক্ষেত্রে মায়ানমারকে সহযোগিতা করছে ভারত। রাখাইনের মংডু এলাকায় যেখানে রোহিঙ্গাদের বাস, সেখানে ঘর তৈরিতে সহযোগিতার জন্য চিনকেও অনুরোধ করেছেন বলে জানান বিদেশমন্ত্রী। চলতি বছরের জানুয়ারিতে স্বাক্ষরিত চুক্তির আওতায় গত ফেব্রুয়ারিতে প্রত্যাবাসনের জন্য প্রথম তালিকায় ১৬৭৩টি পরিবারের ৮ হাজার ২ জন রোহিঙ্গার নাম পাঠিয়েছিল বাংলাদেশ। 

ওই চুক্তিতে দুই বছরের মধ্যে ৭ লাখের মতো রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের লক্ষ্য ঠিক করা হলেও মাত্র আট হাজারের প্রথম তালিকা যাচাই করতেই অনেক সময় নিল মায়ানমার সরকার। বাংলাদেশে ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা থাকলেও এই চুক্তি অনুযায়ী শুধু গত বছরের আগস্টের পর থেকে আসা শরণার্থীদের প্রত্যাবাসনের জন্য বিবেচনা করা হচ্ছে। বিভিন্ন সময় নির্যাতনের মুখে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়ে ছিল চার লাখের মতো রোহিঙ্গা।

গত বছরের আগস্টে রাখাইনে সেনা অভিযান শুরুর পর বাংলাদেশ সীমান্তে নামে রোহিঙ্গাদের ঢল। রাষ্ট্রসংঘের ভাষায় মায়ানমারে ‘জাতিগত নির্মূল অভিযান’-এর মুখে শরণার্থী হয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গার সংখ্যা ৭ লাখ ছাড়িয়েছে। এই রোহিঙ্গারা রয়েছে কক্সবাজারের কয়েকটি আশ্রয় শিবিরে। প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া বিলম্বিত হওয়ায় সেখান থেকে একটি অংশকে নোয়াখালির ভাসানচরে সরিয়ে নিচ্ছে সরকার। 

জনবহুল বাংলাদেশে এই রোহিঙ্গারা দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতার উপর চাপ সৃষ্টি করছে বলে তাদের ফেরত পাঠাতে চায় ঢাকা। রোহিঙ্গাদের নিজেদের নাগরিক হিসেবে মানতে নারাজ মায়ানমারের সরকার চুক্তি করলেও প্রত্যাবাসনে গড়িমসি করে আসছে বলে বাংলাদেশ সরকারের অভিযোগ। তাই মায়ানমারের উপর চাপ বাড়াতে বিশ্ব সম্প্রদায়ের উপর আহ্বান জানিয়ে আসছে বাংলাদেশ।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top