Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, সোমবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৮ , সময়- ১:৪৩ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
আয়কর মেলার শেষ দিন আজ দুর্নীতিসহ ১১ সূচকে রেড জোনে বাংলাদেশ : এমসিসি  চিকিৎসা বিষয়ে খালেদা জিয়ার রিটের আদেশ আজ  নাজমুল হুদাকে ৪৫ দিনের মধ্যে আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ  নির্বাচনকালীন সম্ভাব্য নাশকতা মোকাবিলায় সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার  একজন শিশুকে পিইসি পরীক্ষার জন্য যেভাবে পরিশ্রম করতে হয়, সত্যিই অমানবিক : সমাজকল্যাণমন্ত্রী নির্বাচনকে সামনে রেখে আদর্শগত নয়, কৌশলগত জোট করছে আওয়ামী লীগ : সাধারণ সম্পাদক থার্টিফার্স্ট উদযাপন নিষিদ্ধ : স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের স্বার্থে পেশাদারিত্ব বজায় রাখবে সেনাবাহিনী  মহাজোটের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ হয়ে নির্বাচনে যাওয়ার শিগগিরই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসছে 

তেসরা নভেম্বর : কিছু নেপথ্য কথা


প্রজন্মকণ্ঠ অনলাইন রিপোর্ট

আপডেট সময়: ৩ নভেম্বর ২০১৮ ৩:৫৪ এএম:
তেসরা নভেম্বর : কিছু নেপথ্য কথা

আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী, উপ-সম্পাদকীয় : ১৯৭৫ সালের তেসরা নভেম্বরের জেলহত্যা দিবসটি আমরা প্রতিবছর পালন করি। কিছু আপ্তবাক্য উচ্চারণ করি এবং শহীদ চার জাতীয় নেতার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করি। কিন্তু এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের রাজনীতি এবং সেই রাজনীতি এখন পর্যন্ত বাংলাদেশকে যে প্রভাবিত করছে, সে সম্পর্কে আমাদের গবেষকদেরও কোনো অনুসন্ধিৎসা আছে বলে মনে হয় না। আমরা সাধারণভাবে মনে করি, এটা ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের নির্মম হত্যাকাণ্ডেরই অনুবৃত্তি। এটা সত্য, ১৫ আগস্টের জাতির পিতার হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তেসরা নভেম্বরের জেল হত্যাকাণ্ড অবশ্যই সম্পর্কিত। কিন্তু চার শহীদ জাতীয় নেতার অন্যতম মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদকে হয় প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে অপসারণ অথবা তাকে হত্যা করা এই ষড়যন্ত্রের শুরু মুক্তিযুদ্ধ চলাকালেই। 

দেশ স্বাধীন হওয়ার পর বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পরবর্তী টার্গেট ছিলেন তাজউদ্দীন আহমদ। কিন্তু জেলে বন্দী অপর তিন জাতীয় নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, কামরুজ্জামান ও ক্যাপ্টেন (অব.) মনসুর আলীকেও হত্যায় আসামি করেন, তারা জেলে বসে খোন্দকার মোশতাকের তাঁবেদার সরকারকে হটিয়ে একাত্তরের মূল ধারার সরকার আবার কি করে ক্ষমতায় প্রতিষ্ঠা করা যায় সে সম্পর্কে তাজউদ্দীনের নেতৃত্ব মেনে নিয়ে সলাপরামর্শ ও উপায় উদ্ভাবনের  চেষ্টা করছিলেন। 

আরেক জাতীয় নেতাও জেলে তাদের সঙ্গে ছিলেন। কিন্তু তিনি কৌশলে বেঁচে গিয়েছিলেন। তিনি আবদুস সামাদ আজাদ। তার মুখেই শুনেছি, জেলে হত্যাকাণ্ড শুরু হওয়ার সময় তিনি পাশের সেলে ছিলেন। বিপদ মাথার উপরে বুঝতে পেয়ে তিনি নামাজে দাঁড়িয়ে যান। ঘাতকরা অন্য চার নেতাকে হত্যার পর তাকে হত্যা করতে এসে নামাজে দণ্ডায়মান দেখে ফিরে যায়। তারা ভেবেছিল পরে এসে হত্যা করবে। কিন্তু চার নেতাকে হত্যার পর জেলে পাগলা ঘন্টি বাজানো হয় এবং সারা জেলে হৈচৈয়ের ফলে সামাদ আজাদ বেঁচে যান। মুজিবনগর সরকারে সবাই বঙ্গবন্ধুর অনুসারী ছিলেন। কিন্তু তাদের মধ্যে তিনটি গ্রুপ ছিল। তাজউদ্দীনের বামঘেঁষা প্রগতিশীল এই শেষোক্ত গ্রুপ মুক্তিযুদ্ধ চলাকালেই অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রিত্বের পদ থেকে তাজউদ্দীন আহমদকে সরানোর জন্য তিন তিনবার তার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব এনেছিলেন। তাজউদ্দীনের পেছনে ইন্দিরা গান্ধীর দৃঢ় সমর্থন এবং নিজের প্রগতিশীল গ্রুপ ও উত্তরবঙ্গের গ্রুপের সহযোগিতায় তাজউদ্দীনের নেতৃত্ব রক্ষা পায়। 

এই উত্তরবঙ্গের গ্রুপের নেতা ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম। বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে তিনি ছিলেন অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি। আমি তখন কলকাতায়। মুজিবনগর সরকারের সঙ্গে অত্যন্ত ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করি। ফলে সরকারের ভিতরের খবর কিছু কিছু পাই। যুদ্ধের শেষের দিকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খোন্দকার মোশতাকের মার্কিন সিআইএ ও পাকিস্তানের গোয়েন্দা চক্রের সঙ্গে গোপন যোগাযোগের খবর ফাঁস হয়ে যায়। মন্ত্রিসভা থেকে বরখাস্ত করা না হলেও কার্যত তাকে নিষ্ক্রিয় করে রাখা হয়। একই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় অন্যতম সেক্টর কমান্ডার মেজর জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে। পাকিস্তানের গোয়েন্দাদের সঙ্গে তার গোপন সম্পর্কের কথা জেনে তাকে এবং তার জেড ফোর্সকে যুদ্ধে নিষ্ক্রিয় করে ফেলা হয়। মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি কর্নেল ওসমান গনি (পরে জেনারেল) জিয়াউর রহমানকে বিভিন্ন ষড়যন্ত্রের দায়ে কোর্ট মার্শালে সোপর্দ করতে চেয়েছিলেন। প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের হস্তক্ষেপে জিয়াউর রহমান সেবার রক্ষা পান। 

১৬ ডিসেম্বর ঢাকায় পরাজিত পাকিস্তান বাহিনীর আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে ওসমানী যাননি, তার মূল কারণ মুজিবনগর সরকারের অভ্যন্তরে ডান ও বামপন্থিদের কোন্দল। একে খন্দকারকে শেষ মুহূর্তে পাঠানো হয়। মুজিবনগর থেকে তাজউদ্দীন সরকার ঢাকায় স্থানান্তরিত হওয়ার পর কার্যত আবদুস সামাদ আজাদ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করতে থাকেন। মোশতাক গ্রুপ কোণঠাসা হয়ে পড়েন। ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি পাকিস্তানের কারাগার থেকে বঙ্গবন্ধু দেশে ফিরে আসেন। সঙ্গে করে নিয়ে আসেন ড. কামাল হোসেনকে। মুক্তিযুদ্ধের সময় তাকে নিয়ে অনেক বিতর্ক ছিল। 

স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত এম. আর. আখতার মুকুলের ‘চরমপত্রে’ প্রায় প্রত্যহই ড. কামাল হোসেনের সমালোচনা করা হতো। এ সময় নতুন করে মন্ত্রিসভা গঠন করা হয়। এর নেপথ্যে একটি ঘটনা ঘটে। তাজউদ্দীনের পরিকল্পনা ছিল বঙ্গবন্ধু রাষ্ট্রপতি পদে থাকবেন। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের এই পুনর্গঠনের দারুণ সংকটময় মুহূর্তে স্বাধীনতা যুদ্ধে যোগদানকারী সব দলের সমন্বয়ে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে একটি শক্তিশালী জাতীয় সরকার গঠিত হবে। আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা এর বিরোধিতা করেন। জানা যায়, তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছিলেন ড. কামাল হোসেনও। তিনি সংসদীয় গণতন্ত্রের দোহাই গেয়ে বঙ্গবন্ধুকে প্রধানমন্ত্রীর পদ গ্রহণ করে দলীয় সরকার গঠনের পরামর্শ দেন। তাতে দলের ডানপন্থিরা বিশেষ করে মোশতাক গ্রুপ অত্যন্ত খুশি হন। কারণ, এ ব্যবস্থায় তাজউদ্দীন প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরে যেতে বাধ্য হবেন। শেষ পর্যন্ত তাই হলো, বঙ্গবন্ধু ১৯৭২ সালেই দেশের নতুন সংবিধান প্রণয়ন শেষ করেন এবং ১৯৭৩ সালেই একটি সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠান দ্বারা জনগণের কাছ থেকে তার সরকারের জন্য নতুন করে ম্যান্ডেট গ্রহণ করেন। 

নবগঠিত মন্ত্রিসভায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী পদ থেকে আবদুস সামাদ আজাদকে সরিয়ে ড. কামাল হোসেনকে ওই পদ দেওয়া হয়। তাজউদ্দীন অর্থমন্ত্রী পদেই থেকে যান। কিন্তু তার ও তার গ্রুপের বিরুদ্ধে ডানপন্থিদের চক্রান্ত অব্যাহত থাকে। এই চক্রান্ত তুঙ্গে ওঠে তার টোকিও বক্তৃতাকে কেন্দ্র করে। অর্থমন্ত্রী হিসেবে দেশের তখনকার অর্থনৈতিক অবস্থা সম্পর্কে তিনি কিছু অপ্রীতিকর কথা বলেছিলেন। এটা বিকৃতভাবে বঙ্গবন্ধুকে জানানো হয়। বঙ্গবন্ধু প্রথমে তা বিশ্বাস করেননি। এটা তার কাছে বিশ্বাসযোগ্য করে তোলেন অর্থনীতিবিদ ড. মোজাফফর আহমদ চৌধুরী। যিনি ম্যাক (MAC) নামে পরিচিত ছিলেন। তারও অবস্থান ছিল মোশতাকপন্থি গ্রুপে। ম্যাক আরও একটি কৌশল করেন। তাজউদ্দীনের টোকিও বক্তৃতার যে কপি সিআইএ’র কাছে ছিল। 

ঢাকায় নিযুক্ত তৎকালীন মার্কিন রাষ্ট্রদূত তা যাতে বঙ্গবন্ধুকে দেখান তার ব্যবস্থা করেন। অতঃপর বঙ্গবন্ধু নিঃসন্দেহ হন তাজউদ্দীনের টোকিও বক্তৃতার বিষয়বস্তু সম্পর্কে। বঙ্গবন্ধু ও তাজউদ্দীনের মধ্যে যখন এই মনকষাকষি চলছে, তখন একদিন তাজউদ্দীন তার আত্মীয় পাইওনিয়ার প্রেসের মালিক মোহাইমেন সাহেবকে আমার কাছে পাঠান। মোহাইমেন সাহেব আমাকে তাজউদ্দীন সাহেবের বাসায় নিয়ে যান। সেখানে তিনি আমাকে সব কথা জানিয়ে জিজ্ঞাসা করলেন, এখন তার পদত্যাগ করা উচিত কিনা? আমি অবাক। আমার মতো এক নগণ্য সাংবাদিকের কাছে পদত্যাগ করা সম্পর্কে তিনি পরামর্শ চাইছেন! তার অসহায় অবস্থা বুঝতে পারলাম। তাই বললাম, আপনি পদত্যাগ করবেন কেন? বঙ্গবন্ধু যদি চান, তাহলে পদত্যাগ করবেন। আমার মনে হয় এটা একটা চক্রান্ত। আপনি দলে এবং দলের বাইরে প্রো লেফট গ্রুপ যারা আপনাকে সমর্থন করেন, তাদের বলতে পারেন, বঙ্গবন্ধুকে আপনার সম্পর্কে সঠিক তথ্য জানাতে। মন্ত্রিসভায় কামাল হোসেন আছেন, মন্ত্রিসভার বাইরে থাকলেও সিপিবি নেতারা বঙ্গবন্ধুর যথেষ্ট ঘনিষ্ঠ, তাদের বলতে পারেন। তাজউদ্দীন ম্লান হাসলেন। বললেন, ‘সিপিবি এখন সোভিয়েত ইউনিয়নের স্বার্থে কোনো কারণেই বঙ্গবন্ধুকে চটাবেন না। কামাল হোসেন? আপনারা ভাবতে পারেন। তিনি লেফট অরিয়েন্টেড। আমি জানি না, তিনি কোন গগনের চাঁদ?’ এর কিছুদিন পরই বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে তাজউদ্দীন আহমদ অর্থমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেন। নতুন অর্থমন্ত্রী হন ড. মোজাফফর আহমদ চৌধুরী— ম্যাক। 

বঙ্গবন্ধুর মন্ত্রিসভা থেকে তাজউদ্দীনের সমর্থক বাম ঘরানার অধিকাংশ মন্ত্রী পদত্যাগে বাধ্য হন। মন্ত্রিসভায় শক্তিশালী হয়ে ওঠেন খন্দকার মোশতাক এবং মোশতাকের সঙ্গীসাথী তাহেরউদ্দীন ঠাকুর, কে এম ওবায়দুর রহমান প্রমুখ। আমি এই সময় স্ত্রীর চিকিৎসা উপলক্ষে কলকাতায় ছিলাম। থাকতাম শিয়ালদার ডিকসন লেনে। সেখানেই কমুনিস্ট পার্টির মুখপত্র ‘স্বাধীনতার’ অফিস ছিল। সোমনাথ লাহিড়ি এই অফিসে বসতেন। তার কাছে প্রায়ই যেতাম। তিনি একদিন আমাকে বললেন, সিআইএ’র বন্ধুরা ঢাকায় বঙ্গবন্ধুর সক্রিয় ডালপালা কাটা শুরু করেছে। এটা শেষ হলেই তাকে টার্গেট করবে। আমি তাকে বলেছি, সোমেনদা, এই সত্যটা বাংলাদেশে আপনার কমুনিস্ট বন্ধুরা বুঝতে পারছে না। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু যখন তার শক্তির ভিত্তি ইঅঝঊ ঙঋ চঙডঊজ থেকে অনেকটাই বিচ্ছিন্ন এবং নবগঠিত বাকশাল তখনো অসংগঠিত, এই মুহূর্তে তাকে তার সব আপনজনসহ হত্যা করা হয়। এই হত্যাকাণ্ডের পরপরই গ্রেফতার করা হয় তাজউদ্দীনসহ চার জাতীয় নেতাকে। আমার মতে, তাজউদ্দীন ছিলেন একজন উচ্চশ্রেণির একাডেমিক পলিটিশিয়ান, কোনো বিপ্লবী নেতা নন (যদিও একটি গণসংগ্রামে তিনি নেতৃত্ব দিয়েছেন)। বিপ্লবী নেতা হলে বঙ্গবন্ধু হত্যার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তিনি অপর জাতীয় নেতা ও যুবনেতাদের সঙ্গে নিয়ে আন্ডারগ্রাউন্ডে যেতেন এবং প্রতিরোধ যুদ্ধ শুরু করতেন। তাহলে তিনটি শূন্য ট্যাংক নিয়ে কয়েকজন কর্নেল ও মেজরের এই হত্যার রাজনীতি পুরোপুরি সফল হতে পারত না। 

১৫ আগস্ট ও ৩ নভেম্বরের প্রতি বিপ্লবী হত্যাযজ্ঞ প্রতিরোধ করতে না পারাই বাংলাদেশে দীর্ঘস্থায়ী সামরিক শাসন ও স্বৈরাচারী শাসন কায়েম রাখা সম্ভব হয়েছিল। পরবর্তী হত্যাকাণ্ডগুলোর কিবরিয়া আহসানউল্লা হত্যা থেকে শেখ হাসিনাকে হত্যার জন্য ২১ আগস্টের ভয়াবহ গ্রেনেড হামলা একই চক্রান্তের পরবর্তী ধাপ মাত্র। উদ্দেশ্য ছিল, বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূল উদ্দেশ্যগুলো এবং তার অসাম্প্রদায়িক নেতৃত্বকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে বাংলাদেশকে আবার একটি মিনি পাকিস্তানে পরিণত করা। প্রতি তেসরা নভেম্বরে এই সত্যটা স্মরণে রেখে আমাদের স্বাধীনতার পক্ষের গণতান্ত্রিক শক্তি যদি ঐক্যবদ্ধ হয়ে সব আঘাতে প্রত্যাঘাতের জন্য প্রস্তুত না থাকেন, তাহলে আনুষ্ঠানিকভাবে কেবল ৩ নভেম্বরকে স্মরণ করে কোনো লাভ হবে না। প্রতি বিপ্লবী ও প্রতিক্রিয়াশীল চক্রগুলোর বর্তমানের নানা মুখোশ ধারণ সম্পর্কেও দেশের মানুষকে আরও ভালোভাবে সচেতন করা দরকার।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top