Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, রবিবার, ২০ জানুয়ারী ২০১৯ , সময়- ১১:৪৬ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
বঙ্গভবনে শপথ নিলেন নবগঠিত মন্ত্রিপরিষদের ৪৭ সদস্য টানা তৃতীয় মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, শপথপাঠ করালেন রাষ্ট্রপতি  পারফরমেন্স করতে না পারলে মন্ত্রিত্ব থাকবে না  শতভাগ আওয়ামী লীগের মন্ত্রিসভা, অধিকাংশ নতুন মুখ  প্রেমিকার জন্য রাজসিংহাসন ছাড়লেন সুলতান মুহাম্মদ পুরোবিশ্বে সফল দেশ হিসেবে পরিচিত বাংলাদেশ উত্তরায় সড়ক অবরোধ করে পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ বিতর্ক নেই, তবুও মন্ত্রিসভায় ঠাঁই মেলেনি যাদের  মন্ত্রিসভা নিয়ে মুখ খুললেন তোফায়েল আহমেদ বড় চমক অর্থনীতি ও ব্যবসা-বাণিজ্য সম্পর্কিত পাঁচ মন্ত্রণালয়ে

কলড্রপে শীর্ষে রয়েছে গ্রামীণফোন, হারাচ্ছে গ্রাহক  


প্রজন্মকণ্ঠ অনলাইন রিপোর্ট

আপডেট সময়: ৫ নভেম্বর ২০১৮ ৯:১২ পিএম:
কলড্রপে শীর্ষে রয়েছে গ্রামীণফোন, হারাচ্ছে গ্রাহক  

মোবাইল নম্বর অপরিবর্তিত রেখে অন্য অপারেটরে যাওয়া মোবাইল নম্বর পোর্টেবিলিটি (এমএনপি) সেবা চালুর পর সবচেয়ে বেশি গ্রাহক হারাচ্ছে গ্রামীণফোন।

সম্প্রতি বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) প্রকাশিত এমএনপি সেবার পরিসংখ্যানে এতথ্য জানা গেছে। গ্রামীণফোন ছেড়ে অন্য অপারেটরে যাওয়া গ্রাহকরা জানান, কলড্রপের কারণেই গ্রামীণফোন ছেড়েছেন তারা। অবশ্য গ্রামীণফোন কর্তৃপক্ষ বলছেন, এটা আমাদের গ্রাহকের সংখ্যার তুলনায় ছেড়ে যাওয়া খুব বেশি কিছু না।

গত ২১ অক্টোবর বিটিআরসির প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পহেলা অক্টোবর থেকে এমএনপি সেবা চালু হওয়ার পর থেকে ১৮ দিনের হিসাবে গ্রামীণফোন ছেড়ে অন্য অপারেটরে গেছে ১১ হাজার ৬৭৬ জন গ্রাহক। সেখানে বিভিন্ন অপারেটর থেকে গ্রামীণফোনে এসেছে ৪ হাজার ৪১ জন গ্রাহক।

অন্যদিকে, রবি ছেড়েছেন ৫ হাজার ৯৭৩ জন, বাংলালিংক ছেড়েছেন ৮ হাজার ৯১৬ জন ও টেলিটক ছেড়েছেন ২৫২ জন।

বিটিআরসির তথ্যানুযায়ী, অক্টোবরের প্রথম ১৮ দিনের হিসাবে নম্বর অপরিবর্তিত রেখে অপারেটর বদল করতে আবেদন করেন ৪৭ হাজার ৯০ জন। এর মধ্যে অন্য অপারেটরে গেছেন ২৬ হাজার ৮১৭ জন। আবেদন বাতিল হয়েছে ২০ হাজার ২৫৫ গ্রাহকের। আর যাচাইয়ের প্রক্রিয়ায় রয়েছে ১৮ জনের আবেদন।

এমএনপি সেবা নিয়ে গ্রামীণফোন ছেড়ে অন্য অপারেটরে যাওয়া অধিকাংশ গ্রাহক জানান, কলড্রাপের কারণেই গ্রামীণফোন ছাড়ছেন তারা। মতিঝিলে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবী শরিফুল ইসলাম গ্রামীণফোন ছেড়ে অন্য অপারেটরে গেছেন। তিনি পরিবর্তন ডটকমকে বলেন, কলড্রপে ব্যাপক ডিস্টার্ব করতো। যার কারণে গ্রামীণফোন ছেড়ে অন্য অপারেটরে গেছি।

সম্প্রতি গ্রামীণফোনের কলড্রপ নিয়ে সংসদে ক্ষোভ প্রকাশ করে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেন, আমরা যারা গ্রামীণফোন ব্যবহার করি, তারা জানি এক একটি কলে তিন থেকে পাঁচবার কলড্রপ হয়। গুরুত্বপূর্ণ কথা বলছি কলড্রপ হচ্ছে, আবার করতে হয়, সময় নষ্ট হয়, অসুবিধা হয়।

তিনি বলেন, গ্রামীণফোনের মতো কলড্রপ অসুবিধা কোনো অপারেটরে হয় না। এ ব্যাপারে টেলিযোগাযোগমন্ত্রীর কাছে পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান তোফায়েল আহমেদ।

এদিকে কলড্রপ নিয়ে সম্প্রতি বিটিআরসির প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা যায়, কলড্রপে শীর্ষে রয়েছে গ্রামীণফোন। গত এক বছরে ১০৩ কোটি ৪৩ লাখ বার কলড্রপ হয়েছে অপারেটরটির। ২০১৭ সালে সেপ্টেম্বর থেকে চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত প্রকাশিত প্রতিবেদনে এতথ্য জানা যায়।

এছাড়া বিটিআরসির নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি কলড্রপের জন্য গ্রাহককে ১ মিনিট টকটাইম ফেরত দিতে হবে। তবে একই প্রতিবেদনে দেখা গেছে, গ্রামীণফোনের ১০৩ কোটি ৪৩ লাখ বার কলড্রপ হলেও গ্রাহকরা রিটার্ন কল মিনিট ফেরত পেয়েছে মাত্র ১০ কোটি ৩০ লাখ।

গ্রাহকদের গ্রামীণফোন ছেড়ে যাওয়া প্রসঙ্গে সংস্থাটির হেড অফ এক্সটার্নাল কমিউনিকেশনস সৈয়দ তালাত কামাল পরিবর্তন ডটকমকে বলেন, এটা আমাদের গ্রাহক সংখ্যার তুলনায় খুবই কম। সামান্য কিছু গ্রাহক কমেছে।

কলড্রপ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিটিআরসির নিয়মনুযায়ী কলড্রপ ২ শতাংশের মধ্যে থাকতে হবে। আমাদের কলড্রপ ১ বা ১.২ শতাংশের বেশি হবে না। আর কলড্রপ প্রযুক্তি নির্ভর, এখানে সমস্যা থাকবেই। তবে আমরা এই টেকনিক্যাল সমস্যাগুলো সমাধানের চেষ্টা করছি। সুত্র- পরিবর্তন 


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top