Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮ , সময়- ২:৫৩ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় গণসংযোগে মির্জা ফখরুল  বিতর্কিত সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদ ও তাঁর রাজনীতি  প্রমাণিত হলো বিএনপি সন্ত্রাসী দল : কাদের  বিবাহবার্ষিকীতে দোয়া চাইলেন ক্রিকেট সুপারস্টার সাকিব টুঙ্গিপাড়া থেকে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করলেন সভানেত্রী শেখ হাসিনা  খালেদা জিয়ার প্রার্থিতা নিয়ে রিটের আদেশ আগামীকাল  মনোনয়নপত্র ফিরে পাচ্ছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিরো আলম নির্বাচনী প্রচার শুরু করবেন শেখ হাসিনা, ১২ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুর যাচ্ছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য ২০১৫ থেকে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট ২০৩০

জয়ের পথ প্রশ্বস্ত করতেই ৮০ জনের মনোনয়ন বাতিল : অলি আহমেদ


প্রজন্মকণ্ঠ অনলাইন রিপোর্ট

আপডেট সময়: ৩ ডিসেম্বর ২০১৮ ৪:৫৫ পিএম:
জয়ের পথ প্রশ্বস্ত করতেই ৮০ জনের মনোনয়ন বাতিল : অলি আহমেদ

বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের প্রধান সমন্বয়ক কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ বীর বিক্রম অভিযোগ করেছেন, ক্ষমতাসীনদের জয়ের পথ প্রশ্বস্ত করতেই নানা অজুহাতে ৮০ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল তাদের নির্বাচন থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে। এভাবে চলতে থাকলে ২০ দলের শেষ পর্যন্ত নির্বাচনী লড়াইয়ে থাকা হবে কি না, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন তিনি।

গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে ২০ দলীয় জোটের বৈঠকের পর অলি আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, “আজকে যে বাছাই ছিল সেখানে বেগম খালেদা জিয়াসহ ৮০ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। আমি বলব, এটা বিরোধী দলকে বের করে দেওয়া হয়েছে, ভ্যাকেট করে দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ তাদের (আওয়ামী লীগ) জয়লাভ করার পথটা এগিয়ে রেখেছে। এভাবে হলে বিরোধী দলে আমরা যারা আছি, আমাদের পক্ষে শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে টিকে থাকা হয়ত সম্ভব হবে না।”

তিনি বলেন, “আমরা জাতির কাছে ওয়াদা করেছিলাম, আমরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব। সেই অনুযায়ী ২০ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে নমিনেশন জমা দেওয়া হয়েছে। তবে দুঃখের সাথে বলতে হয়, নমিনেশন জমা দেবার পূর্বে ও পরে জোটের অনেক নেতাকে মিথ্যা মামলা দেখিয়ে জেলে নিক্ষেপ করা হয়েছে। এর মূল উদ্দেশ্যই হচ্ছে, যাতে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকে। এছাড়া আজকে বেগম খালেদা জিয়াসহ ৮০ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। তার মধ্যে অনেকগুলো ছিল একই ধরনের। যেমন মেয়র ও উপজেলা চেয়ারম্যান ছিলেন, তারা পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে তার রিসিভ কপি মনোনয়নপত্রের সাথে দেয়া হয়েছে। পদত্যাগ গ্রহণ করবে কি করবে না, এটা সরকারের ব্যাপার। এই অজুহাত দেখিয়ে অনেকের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।

“আবার অনেকের ক্ষেত্রে বলা হয়েছে যে, আপনার নাম ঋণ খেলাপির মধ্যে আছে। আদৌ তারা কখনও ঋণ নেননি, অথচ খেলাপির তালিকায় তাদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আবার অনেকে সরকারি বিধি বিধান মেনে ঋণ পুণঃতফসিল করেছে, এই ধরনের অনেকেও নির্বাচনের অযোগ্য বলে ঘোষণা করা হয়েছে।”

এছাড়া বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের স্বাক্ষর নিয়ে ‘বিভ্রান্তির’ কথা বলে অনেকের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে বলে জানান অলি আহমেদ।

তিনি বলেন, “বিএনপির মহাসচিব প্রায় ৬০০ এর উপরে দস্তখত করেছেন। দুই একটা দস্তখত এদিকে ওদিক বাঁকা হতেই পারে। এটা তো সিল মেরে করেননি, হাতেই করতে হয়েছে। এটা রিটার্নিং অফিসারের উচিৎ ছিল ৫ মিনিট সময় দিয়ে বিএনপির কাছ থেকে সঠিক তথ্যটা নেওয়া অথবা আমরা প্রত্যেকটা দলের পক্ষ থেকে যারা নিজের দলের প্যাডে সিল দিয়ে দস্তখত দিয়ে নির্বাচন কমিশনে পাঠিয়েছি, সেগুলোর সাথে মিলিয়ে দেখা। কোনো কিছু না করে একতরফাভাবে ২০ দলীয় জোটকে ক্ষতিগ্রস্ত করার জন্য ৮০ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।”

নির্বাচন কমিশন তাদের কোনো অভিযোগ-দাবি আমলে না নিয়ে ‘সরকারি আদেশ পালন করছে’ বলে অভিযোগ করেন তিনি।

এলডিপি নেতা আরও অভিযোগ করেন, “সরকার তো কাউকে ঘরে থাকতে দিচ্ছে না। প্রতিদিন বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। নির্বাচনের পরিবেশ মোটেও নাই, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নাই। এভাবে ভয়ভীতি ও গ্রেপ্তার হলে আপনারাই বলুন, আমরা কীভাবে নির্বাচন করব। এ ব্যাপারে আমরা সরকারের কাছ থেকে স্পষ্ট ঘোষণা চাই।”

বৈঠকে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির নজরুল ইসলাম খান, খেলাফত মজলিশের মাওলানা মুহাম্মদ ইসহাক, জামায়াতে ইসলামীর আবদুল হালিম, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মাওলানা নুর হোসাইন কাশেমী, মুফতি মুহাম্মদ ওয়াক্কাস, মুসলিম লীগের এএইচ এম কামরুজ্জামান খান, ইসলামী ঐক্যজোটের মাওলানা আবদুল করীম, ন্যাপ-ভাসানীর আজহারুল ইসলাম, জাগপার মহাসচিব খোন্দকার লুৎফর রহমান, এনপিপির মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা, ন্যাপের এম এন শাওন সাদেকী, ডিএলের সাইফুদ্দিন আহমেদ মনি, লেবার পার্টির ফারুক রহমান, ইসলামিক পার্টির আবুল কাশেম, এনডিপির মো. আবু তাহের, জাতীয় দলের সৈয়দ এহসানুল হুদা, জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) শফিউদ্দিন ভুঁইয়া, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) সৈয়দ মোহাম্মদ ইব্রাহীম, পিপলস লীগের সভাপতি গরীবে নেওয়াজ, পিপলস পার্টি অব বাংলাদেশের (পিপিবি) নুরুল হক প্রমুখ।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top