Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০১৯ , সময়- ২:৪৩ পূর্বাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী হলেন ফেরদৌস ও শাহ ফরহাদ নেতাজি'কে কেন রাষ্ট্রনায়কের মর্যাদা দেওয়া হল না, ক্ষুব্ধ মমতা সাংবাদিকদের একটা করে ফ্ল্যাট দেবে সরকার আ'লীগের নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর জনগণ শান্তিতে : কাদের ফেব্রুয়ারি মাসে বিশ্ব ইজতেমা করার সিদ্ধান্ত ডাকসু নির্বাচন, আগামী ১১ মার্চ বিশ্ব চিন্তাবিদের তালিকায় এবার শেখ হাসিনা  যুবলীগ ও আ'লীগের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধ ১০ গণতন্ত্র ও উন্নয়ন একসঙ্গে চলবে : প্রধানমন্ত্রী দুদকের পরিচালক সাময়িক বরখাস্ত

এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ


প্রজন্মকণ্ঠ অনলাইন রিপোর্ট

আপডেট সময়: ২৯ ডিসেম্বর ২০১৮ ৩:৫৯ এএম:
এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ

ড. শরীফ এনামুল কবির. উপ-সম্পাদকীয় : সবুজে ঘেরা ছায়াসুনিবিড় গ্রাম বলতে যা বোঝায়, তার চিত্র পাল্টেছে অনেকখানি। বর্ষায় গ্রামের মেঠোপথে কাদা, রাস্তায় গর্ত, কিংবা সড়ক ভেঙে পানির প্রবাহ, এসব বলতে গেলে অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামবাংলা থেকে। কারণ, এখন দেশের বেশিরভাগ গ্রামেই মেঠোপথের জায়গায় স্থান করে নিয়েছে পিচঢালা সরু পথ। সবুজ শস্য ক্ষেতের মধ্য দিয়ে কালো পিচঢালা রাস্তা গিয়ে ঠেকেছে মফস্বল শহরের কেন্দ্রে। যা গ্রামীণ অর্থনীতির ইতিবাচক উন্নয়ন ঘটিয়েছে। মাঠ থেকে করলা, আলু, বেগুন বা যে কোনো শাক-সবজিসহ ফসল সহজেই শহরে নিয়ে যেতে পারছেন কৃষক। বিক্রি করতে পারছেন বেশি দামে। নদীনালা বা নিজের পুকুরের মাছও ভ্যান বা ছোট পিকআপে করে নিয়ে সরাসরি পাইকারি বাজারে বিক্রি করছেন মাছ চাষি। এতে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্যও কমেছে খানিকটা। ফলে লাভের পুরোটাই যাচ্ছে চাষি বা কৃষকের পকেটে। আবার, বিদ্যুতের আলোয় সন্ধ্যার পর আলোকিত হয়ে উঠছে কৃষকের ঘর। বাচ্চারা পড়ালেখা করছে আনন্দের সঙ্গে। কৃষকের কুঁড়েঘর পদ্ধতিতেও এসেছে ব্যাপক পরিবর্তন। কুঁড়েঘর, শনের ছাউনি বা টিন ঘেরা দেয়ালে জায়গা করে নিয়েছে ইট। গেল এক দশক ধরেই গ্রামের সঙ্গে আমার নিবিড় যোগাযোগ। পেশাগত কাজে রাজধানী শহরে থাকলেও সুযোগ পেলেই ছুটে যাই গ্রামেগঞ্জে। বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকেই বলছি, এখন বেশিরভাগ গ্রামেই বদলে যাওয়া এই দৃশ্য। যা মনে আনন্দের দোলা দেয় গ্রামবাসীর। গ্রামের নারীরা এখন সাজুগুজুর জন্য পার্লারের সন্ধানে শহরে যায়। বেশ কিছু মফস্বল অঞ্চলেও গড়ে উঠেছে নারীদের জন্য পার্লার বা শরীরচর্চার জন্য জিম। আর, প্রান্তিক পর্যায়ের চাষিরাও আগের চেয়ে বেশ সমৃদ্ধ। তাদের চাষাবাদ বা কৃষিভিত্তিক ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার হচ্ছে প্রতিনিয়ত। 

গেল কয়েক বছর পর্যালোচনা করলে বাংলাদেশের এগিয়ে যাওয়ার এমন তথ্যেরই দেখা মেলে। একটি সুখকর চিত্র চোখের সামনে ভেসে ওঠে। যে বাংলাদেশকে নিয়ে একসময় কটাক্ষ করেছিলেন বিশ্বমোড়লরা, তারাই আজ বিস্ময়ের সঙ্গে দেখছেন বাংলাদেশের এগিয়ে যাওয়া। এক সময়ের ভঙ্গুর অর্থনীতির লাল-সবুজের দেশটি এখন নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে। দরিদ্র কিংবা স্বল্পোন্নত পরিচয়ের ঘেরাটোপ থেকে বের হয়ে নতুন পরিচিতি উন্নয়নশীল দেশের পথে অগ্রযাত্রা। যা অর্থনৈতিক ও সামাজিক নানান সূচকে এগিয়ে যাওয়ারই অনন্য উদাহরণ।

বাংলাদেশ যে এগিয়ে যাচ্ছে, তা কেবল বক্তৃতার বাগাড়ম্বরই নয়, দৃশ্যমান উন্নয়ন, সঙ্গে পরিসংখ্যানের খতিয়ান। গত ২০১৭-১৮ অর্থবছরে বেড়েছে রেকর্ড পরিমাণ প্রবাসী আয়, বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ, রপ্তানি আয় কিংবা দেশের উন্নয়নে বিদেশি অর্থায়ন। বাংলাদেশ ব্যাংকের সবশেষ তথ্য বলছে, ডলারের দাম বাড়ায় বেড়েছে বৈধপথে প্রবাসী আয় আসা। গত একবছরেই প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ১ হাজার ৪৯৮ কোটি ডলার। আগের অর্থবছরে এর পরিমাণ ছিল ১ হাজার ২৭৭ কোটি ডলার। সে হিসাবে গত অর্থবছরে প্রবাসী আয় আসা বেড়েছে ১৭ দশমিক ৩ শতাংশ। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে দেশে প্রবাসী আয় এসেছিল ১ হাজার ২৭৭ কোটি মার্কিন ডলার। এ আয় গত তিন অর্থবছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে দেশে প্রবাসী আয় এসেছে ১ হাজার ৫৩১ কোটি ডলার, আর ১ হাজার ৪৯৩ কোটি ডলার আসে এর আগের বছরে।

প্রবাসী আয় বাড়ায় বেড়েছে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও। গেল সপ্তাহ পর্যন্ত যা দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৩১৭ কোটি ডলারে। মোবাইল ব্যাংকিং হিসাবের প্রবাসী আয় বিতরণের অভিযোগে গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর বিকাশের ২ হাজার ৮৮৭টি এজেন্টের কার্যক্রম বন্ধ করে দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। একই সঙ্গে ১ হাজার ৮৬৩টি এজেন্ট হিসাব বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপরই বড় হতে থাকে দেশের আয়ের অন্যতম এই উৎস। ইতিবাচক ধারা দেশের উন্নয়ন কর্মকা-ে বিদেশি অর্থায়নেও। গেল অর্থবছরে উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নে অর্থ পাওয়া গেছে ৬০০ কোটি ডলারের বেশি। এত বেশি অর্থছাড় আগে কখনই হয়নি। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে বিদেশি ঋণ ও অনুদানের অর্থ ছাড় হয়েছিল ৩৫০ কোটি ডলার। এ হিসাবে আগের অর্থবছরের চেয়ে গত অর্থবছরে অর্থ ছাড় বেড়েছে ৭১ দশমিক ৪১ শতাংশ। গত অর্থবছর থেকে সরকারের বেশ কয়েকটি অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত বড় প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে। ফলে দ্রুত অর্থছাড় করছে দাতা সংস্থাগুলো। জাইকার অর্থায়নে মেট্রোরেল প্রকল্প, মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে। গুলশানে হলি আর্টিজানে জঙ্গি হামলার পর বেশ কয়েক মাস এ সংস্থার অর্থায়নের চলমান প্রকল্পগুলোর কাজ বন্ধ ছিল। তবে গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে এগুলোর বাস্তবায়ন আবার শুরু হয়, বাড়তে থাকে অর্থ ছাড়ও। মেট্রোরেল প্রকল্পে ২২ হাজার কোটি টাকার মধ্যে ৭৫ শতাংশ ঋণ দেবে জাপানের সরকারি উন্নয়ন সংস্থা জাইকা। আর রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নে গতি বাড়ায় রাশিয়ার অর্থছাড় বেড়েছে। এ কেন্দ্রের জন্য প্রায় ১০০ কোটি ডলার অর্থছাড় হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদে বাস্তবায়নাধীন এ প্রকল্পে রাশিয়া ১ হাজার ২০০ কোটি ডলার ঋণ দেবে।

আবার, পোশাক খাতের ওপর ভর করেই অব্যাহত আছে দেশের সামগ্রিক পণ্য রপ্তানি পরিস্থিতি। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো বলছে, গেল অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে ৩ হাজার ৩৭২ কোটি ৮৮ লাখ ডলার পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এই আয় গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ৬ দশমিক ৬৬ শতাংশ বেশি। গত অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে ৩ হাজার ১৬২ কোটি ২৮ লাখ ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। সব মিলিয়ে গত অর্থবছরে পণ্য রপ্তানি হয়েছিল ৩ হাজার ৪৬৫ কোটি ডলারের। সংস্থার পরিসংখ্যান বলছে, পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও লক্ষ্যমাত্রা ছোঁয়া যায়নি। এই হার লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে দশমিক ৪৪ শতাংশ কম। গেল অর্থবছরের মে মাস পর্যন্ত ১১ মাসে পণ্য রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩ হাজার ৩৭২ কোটি ৮৮ লাখ ডলার। পোশাক ছাড়াও পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, কৃষিজাত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে। তবে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, প্রকৌশল পণ্য, হিমায়িত খাদ্য, প্লাস্টিক পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হয়নি। সরকারের গতিশীল নেতৃত্বে অর্থনীতির সব সূচকেই ইতিবাচক ধারা অব্যাহত আছে। প্রবৃদ্ধির এই ধারা অব্যাহত রাখতে বহুমুখী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। যা আগামী ২০২০ সালের মধ্যে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সহায়ক হবে।

বাংলাদেশের এগিয়ে যাওয়ার স্বীকৃতি মিলেছে আন্তর্জাতিক ঋণমান নির্ধারক সংস্থা মুডিস, স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড পুওরস এবং ফিচ রেটিংয়ের কাছ থেকেও। আন্তর্জাতিক পর্যায়ের শীর্ষ এই তিন রেটিং সংস্থা বলছে, বাংলাদেশের অর্থনীতি স্থিতিশীল পর্যায়ে রয়েছে। যা ক্রমাগত উচ্চপ্রবৃদ্ধি অর্জনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। সংস্থাগুলোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মূলত কর কাঠামোর সংস্কার এবং অবকাঠামোর উন্নয়নের জন্য গৃহীত উদ্যোগের কারণে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। বাংলাদেশের অর্থনীতি উচ্চপ্রবৃদ্ধির অর্জনের পথে রয়েছে। দারিদ্র্য বিমোচন, খাদ্য নিরাপত্তা বৃদ্ধি এবং অবকাঠামো উন্নয়নে সাম্প্রতিক পদক্ষেপসহ প্রবৃদ্ধির সহায়ক শর্তগুলো দৃশ্যমান। রেটিং প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আসছে নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের অর্থনীতিতে একটি ধাক্কা লাগতে পারে। তবে তা দক্ষ নেতৃত্বে উৎরে যাওয়া সম্ভব। এ ছাড়া বর্তমান অবস্থান থেকে আরো সামনে এগোতে হলে বাংলাদেশকে ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন, দেশজ উৎপাদনের অনুপাতে রাজস্ব আয় বৃদ্ধি ও আঞ্চলিক সহযোগিতার মাধ্যমে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে হবে।

বর্তমান এই রেটিং বাংলাদেশের জন্য স্বস্তিকর। এই রেটিংয়ের ফলে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে উৎসাহী হবেন। বাংলাদেশ বিদেশে বন্ড বিক্রি করে টাকা নিতে চাইলে সুদের হার কম হবে। আরো কিছু ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সুবিধাজনক অবস্থানে থাকবে।

২০০৯ সালে সরকার গঠন করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। ওই সময়ে আশু করণীয়, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করে তারা। পরে পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা গ্রহণ করে করার পাশাপাশি দশ বছর মেয়াদি প্রেক্ষিত পরিকল্পনা গ্রহণ করে সরকার। ২০১৪ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ আবারো জয়ী হয়ে সরকার গঠন করে। ধরে রাখে উন্নয়নের ধারাবাহিকতা। ১০ বছর একটানা সরকারের দায়িত্বগ্রহণ করে বিশ্বব্যাপী মন্দা থাকা সত্ত্বেও দেশের অর্থনৈতিক উন্নতি অব্যাহত রাখতে সক্ষম আওয়ামী লীগ সরকার। তারই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ এরই মধ্যে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশের মর্যাদা পেয়েছে। মাথাপিছু আয় ২০০৫ সালের ৫৪৩ ডলার থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ১ হাজার ৭৫২ ডলারে উন্নীত হয়েছে। দারিদ্র্যের হার ২০০৫-০৬ অর্থবছরে ৪১ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে ২১ শতাংশে হ্রাস পেয়েছে।

দিনবদলের সনদ ঘোষণা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গড়ে তোলেন ডিজিটাল বাংলাদেশ। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে জীবনমান সহজ করা এবং উন্নত করার উদ্যোগ নেয় সরকার। দেশে ১৪ কোটি মোবাইল সিম ব্যবহৃত হচ্ছে। ইন্টারনেট সার্ভিস প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত পৌঁছে গেছে। ১০ কোটি মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করছেন। দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল স্থাপন করে ব্যান্ডউইডথ বৃদ্ধি করা হয়েছে। গ্রামাঞ্চল পর্যন্ত ব্রডব্যান্ড সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। বর্তমানে প্রতিটি ইউনিয়নে ডিজিটাল সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে। সেখান থেকে জনগণ ২০০ ধরনের সেবা পাচ্ছেন। সকল ধরনের সরকারি ফরমস, জমির পর্চা, পাবলিক পরীক্ষার ফল, পাসপোর্ট-ভিসা সম্পর্কিত তথ্য, কৃষিতথ্য, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, আইনগত ও চাকরির তথ্য, নাগরিকত্ব সনদ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির প্রক্রিয়া, ক্রয়-বিক্রয়সহ বিভিন্ন বিল প্রদানের সুবিধা জনগণ পাচ্ছেন। ঘরে বসে আউটসোর্সিং-এর কাজ করে অনেক তরুণ-তরুণী স্বাবলম্বী হয়েছে। বিভিন্ন অ্যাপসের মাধ্যমে প্রবাসীরা আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছেন।

দরিদ্র দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের পথে অগ্রযাত্রায় পুরো কৃতিত্বই জননেত্রী ও দেশপ্রধান শেখ হাসিনার। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সফল নেতৃত্বেই দেশে বিনিয়োগের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। নতুন নতুন বিনিয়োগ আসছে দেশ ও বিদেশ থেকে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুধু বাংলাদেশে নয় তার দক্ষ নেতৃত্বের কারণে বিদেশের মাটিতেও সুনাম অর্জন করেছেন।

২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা-এসডিজি ও ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশ গড়তে এই উন্নয়নের ধারাবাহিকতা দরকার। এ লক্ষ্যে বর্তমান সরকারের ধারাবাহিকতারও বিকল্প নেই। সবার আগে দেশ। তাই দেশের উন্নয়নে, দেশের মানুষের কল্যাণে শেখ হাসিনার সরকারের ধারাবাহিকতা বজায় থাক, অব্যাহত থাক উন্নয়ন কর্মকা-। আপামর জনসাধারণের এই উপলব্ধি থেকেই বিজয়ের মাসে আসুক স্বাধীনতার পক্ষে আরেকটি বিজয়।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top