Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০১৯ , সময়- ২:৪১ পূর্বাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী হলেন ফেরদৌস ও শাহ ফরহাদ নেতাজি'কে কেন রাষ্ট্রনায়কের মর্যাদা দেওয়া হল না, ক্ষুব্ধ মমতা সাংবাদিকদের একটা করে ফ্ল্যাট দেবে সরকার আ'লীগের নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর জনগণ শান্তিতে : কাদের ফেব্রুয়ারি মাসে বিশ্ব ইজতেমা করার সিদ্ধান্ত ডাকসু নির্বাচন, আগামী ১১ মার্চ বিশ্ব চিন্তাবিদের তালিকায় এবার শেখ হাসিনা  যুবলীগ ও আ'লীগের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধ ১০ গণতন্ত্র ও উন্নয়ন একসঙ্গে চলবে : প্রধানমন্ত্রী দুদকের পরিচালক সাময়িক বরখাস্ত

যুবলীগ ও আ'লীগের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধ ১০


প্রজন্মকণ্ঠ অনলাইন রিপোর্ট

আপডেট সময়: ২২ জানুয়ারী ২০১৯ ৯:২৫ পিএম:
যুবলীগ ও আ'লীগের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধ ১০

আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে নোয়াখালী সদর উপজেলার দাদপুর ইউনিয়নের খলিফারহাটে যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

এতে এক শিশুসহ ১০ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। সেই সঙ্গে আহত হয়েছেন আরও ১০ জন। গুলিবিদ্ধ ১০ জনকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে খলিফার হাট বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

গুলিবিদ্ধরা হলেন- শিশু শান্ত (১২), সোলাইমান (২৮), সুমন (২৩), জসিম (৪৫), অহিদ উল্লাহ (৩৫), সবুজ (২৩), মাসুদ (৩৫), মনির আহমদ (৫৫), সবুজ (২৩) ও জাকের (৩০)।

সুধরাম মডেল থানা পুলিশের ওসি মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা শিপন ও যুবলীগ নেতা জহির মেম্বার ওরফে কসাই জহির গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন বিরোধ চলে আসছে। এর আগেও তাদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। মাঝেমধ্যে এরকম করে থাকে তারা।

ওসি বলেন, গত ১১ ডিসেম্বর যুবলীগ নেতা জহির মেম্বার গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ নেতা শিপন সমর্থিত তিন আসামির জামিন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে শিপন সমর্থিত নেতাকর্মীরা খলিফারহাটে জহির মেম্বারের বাড়িতে হামলা চালায়। এতে শুরু হয় দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এ সময় শিশু ও স্থানীয় বাজারের ব্যবসায়ীসহ ১০ জন গুলিবিদ্ধ হন। সেই সঙ্গে সংঘর্ষে আহত হন আরও ১০ জন।

পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। তবে এ নিয়ে কোনো পক্ষই এখন পর্যন্ত অভিযোগ দেয়নি বলে জানান ওসি।

নোয়াখালী জেনারেল হাসাপাতালের চিকিৎসক মাসুদুর রহমান বলেন, আহত অবস্থায় ১০ জনকে হাসপাতালে আনা হয়। তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। তাদের সবার শরীরে গুলির দাগ থাকলেও অবস্থা আশঙ্কাজনক নয়।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top