কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারীতে অতীতের রেকর্ড ভেঙে এবার আমনের বাম্পার ফলন 

কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলায় অতীতের রেকর্ড ভেঙে এবার আমনের বাম্পার ফলন হওযায় আমন চাষী কৃষকদের মুখে হাসির ঝিলিক দেখা যায়।

এতে কৃষক পরিবার গুলোতে বইছে আনন্দের হাসির বন্যা। গ্রামের ঘরে ঘরে চলছে নবান্ন উৎসবের আমেজ। উপজেলার ৬ টি ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ জমির মাঠে মাঠে বর্তমান এখন পাকা সোনালী রংয়ের ধান। কৃষকরা ব্যস্থ হয়ে পড়েছেন পাকা ধান কেটে ঘরে তুলতে। চলতি মাসের শুরু  থেকেই শুরু হয় ধান কাটা উৎসব। ইতিমধ্যে ধান কেটে ঘরে তুলার চেষ্টা করছেন উপজেলার  কৃষকেরা। কৃষকদের মতে. সময়ে  সময় বৃষ্টিপাত হওয়ায় রোপা আমনের ফলন খুবই ভালো হয়েছে।

তারপর এবার বন্যার আলামত না হওয়ায় আমন ধানের ক্ষতি হয়নি।

তাছাড়াও উপজেলা কৃষি বিভাগের পরামর্শে কৃষকরা কাজে লাগিয়েছে। কৃষকরা যথাসময়ে মাঠ উপযোগী করে চারা লাগানো. সার দেওয়া কীটনাশক ছিটানো. পোকামাকড় দমন. ক্ষেতের পার্চিং পদ্ধতি প্রয়োগসহ নানান কারণে এবার আমনের বাম্পার ফলন হয়েছে। এসব কারণে একবছরের ব্যাবধানে এখানে আমন আবাদ বেড়েছে ৮ হাজার ৬০৬  হেক্টরের বেশি  জমিতে আমন চাষ হয়েছে।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য মতে. রৌমারী উপজেলায় আমনের। লক্ষমাত্রা ছিলো ৭-৫০০ হেক্টর আর আবাদ হয়েছে ১১ হাজার হেক্টর। রৌমারী কৃষি কর্মকর্তারা জানান এবছর পাঁচটি উচ্চ ফলনশীল জাতের ধান চাষাবাদ হয়েছে। ব্রি ২৩.ব্রি২৫.ব্রি ৩২.ব্রি.৩৯ব্রি. ৪০ব্রি.৪৬ব্রি.৫২ব্রি.৫১ব্রি.৬২ব্রি৪৯ব্রি।
রৌমারী উপজেলার প্রায় কৃষকই সোনালী রংএর ধান কাটছেন আর আনন্দের সাগরে ভাসছেন।৬০ শতকের প্রতি বিঘা জমিতে ৪০/৫০ মন ধান উৎপাদনে
সক্ষম হয়েছে আমন চাষী কৃষকরা।

রৌমারী আমন চাষী কৃষকদের সরেজমিন ঘুরে কথা হয় যাদুরচর ইউনিয়ন এর বিকরিবিল গ্রামের শেখ ফরিদ মেম্বার. কোরভাঙ্গী গ্রামের আইয়ব আলী মেমবার সাবেক. সদর ইউনিয়নের চাক্তাবাড়ী গ্রামের  আবুল হাশেম ব্যাপারী. বন্ধবেড় ইউনিয়নের আব্দুল কাদের চেয়ারম্যান সাবেক উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার. চর শৌলমারী ইউনিয়নের আঃ করিম মাস্টার . দাতভাঙ্গা ইউনিয়নের সামসুল হক চেয়ারম্যান. শৈমারী ইউনিয়নের হাবিবুর রহমান হাবিল চেয়ারম্যানসহ।

আমন চাষি কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে গতবার বন্যায় ক্ষতি হয়েছে ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে পারবে বলে আশাবাদী আমন চাষি কৃষকরা। বন্ধবেড় ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আঃ কাদের একজন ভারি কৃষক জানান আমি ১৫ বিঘা জমিতে আমন চাষ করি

বিঘা প্রতি ৪০ থেকে ৫০ মন নামতেছে এতে ১৫ বিঘা জমিতে প্রায় ৭ শ মন ধান উৎপাদনে সক্ষম হয়েছেন রৌমারীর কৃষকরা । উপজেলা কৃষি কর্মকর্ত সাইখুল ইমলাম জানান এবার আমনের বাম্পার ফলন হয়েছে এতে গতবছর যে বন্যায় সমস্যা গুলো হয়েছিল এবার পুষিয়ে উঠার মতো ফসল কৃষকের আবাদ হয়েছে।   

পাঠকের মন্তব্য