শুক্রবারের জুম্মার নামাজের গুরুত্ব 

শুক্রবারের দিন জোহরের নামাজের পরিবর্তে জুমার নামাজকে ফরজ করা হয়েছে । জোহরের চার রাকাত ফরজ এর পরিবর্তে জুম্মার দুই রাকাত ফরজ নামাজ পরা হয় ।
নিন্মে বর্নিত হাদিসগুলো অনুযায়ী , জুম্মার নামাজের গুরুত্ব অনেক ।

হজরত তারেক ইবনে শিহাব (রা.) থেকে বর্নিত একটি হাদিস এ বলা হয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ (স.) বলেছেন (ক্রীতদাস ,নাবালেগ বাচ্চা ও অসুস্থ ব্যাক্তি -এই চার প্রকার মানুষ ছাড়া প্রত্যেক মুসলমানের ওপর নামাজ জামাতের সাথে আদায় করা ফরজ । (আবু দাউদ -১০৬৭ ,মুসতাদেরকে হাকেম-১০৬২,আস-সুনানুল কাবীর-৫৫৮৭)

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্নিত রাসূলুল্লাহ (স.) বলেছেন , যে ব্যক্তি শরিয়তসম্মত কোনো কারণ ছাড়া জুমার নামাজ বর্জন করবে, তার নাম মুনাফিক হিসেবে গন্য করা হবে, যা মুছে ফেলা হবে না এবং পরিবর্তন ও করা হবে না। (তাফসিরে মাজহারি ,খণ্ড - ৯ , পৃষ্ঠা - ২৮৩)

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্নিত রাসূলুল্লাহ (স.) বলেছেন , যে সমস্ত লোক জুম্মার নামাজ থেকে দূরে থাকে বা (পড়ে না) তাদের সম্পর্কে বলেছেন, নিশ্চয়ই আমার ইচ্ছা হয় যে আমি কাউকে নামাজ পড়ানোর আদেশ করি, সে মানুষকে নামাজ পড়াক। অতঃপর যে সমস্ত লোক জুমার নামাজ পড়ে না, আমি তাদের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দিই। (মুসলিম -৬৫২, মুসনাদে আহমাদ - ৩৮১৬, মুসনাদে ইবনে আবি শাইবা - ৫৫৩৯, আসু-সুনানুল কুবরা -৪৯৩৫)

পাঠকের মন্তব্য