প্রশ্ন উঠেছে আদৌ সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব হবে তো ? 

বিরোধী ও বিভিন্ন সংস্থা সহ আন্তর্জাতিক মহল উদ্বিগ্ন৷ জাতীয় নির্বাচনের ঠিক আগেই যেভাবে বিক্ষিপ্ত হিংসা ছড়াচ্ছে তাতে সরকার অস্বস্তিতে৷ তবে নির্বাচন কমিশনের দাবি, সুষ্ঠু ভোট পরিবেশ বজায় রয়েছে৷ এমনই অবস্থায় সরকারপক্ষ আওয়ামী লীগ বনাম বিরোধী বিএনপি ও তাদের সম্মিলিত জোট ঐক্য ফ্রন্ট দু পক্ষই আক্রান্ত৷ বাড়ছে নিহতের সংখ্যা৷ এরকম পরিস্থিতিতে সোমবার থেকে নিরাপত্তা বজায় রাখতে নামছে সেনাবাহিনী৷

নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ৩০ জানুয়ারি নির্বাচনের পরে আগামী ২ জানুয়ারি পর্যন্ত সেনা মোতায়েন থাকবে সর্বত্র৷ ভোটকেন্দ্র ও ভোট-গ্রহণের পরিবেশ সুষ্ঠু রাখতে এবং নির্বাচনী এলাকায় যে কোনও ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা রুখতেই তাদের নিযুক্ত করা হয়েছে৷ রিটার্নিং কর্মকর্তার সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রয়োজন অনুযায়ী টহল দেবেন৷ ৩,৩০০ জন সেনা কর্মী নিযুক্ত থাকবেন শান্তি রক্ষায়৷

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের জারি করা নোটিশে বলা হয়েছে, নির্বাচনের দায়িত্বপ্রাপ্ত রিটার্নিং কর্মকর্তা সহায়তা চাইলে আইনশৃঙ্খলা বিপন্ন হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিলে পুলিশসহ অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে তারা সহায়তা করবেন। ভোটকেন্দ্রের ভেতরে বা ভোট গণনা কক্ষের শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্ব পালন করবেন সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা।

যে কোনও অবৈধ সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে সশস্ত্র বাহিনীকে ডাকা হলে, তারা ফৌজদারি কার্যবিধির ১২৭ থেকে ১৩২ ধারা অনুযায়ী কাজ করবেন। এ ক্ষেত্রে অন্য কোনও উপায়ে বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করা না গেলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার জন্য সামরিক শক্তি প্রয়োগ ও গ্রেফতারের নির্দেশ দিতে পারবেন। সেই অনুযায়ী তারা ব্যবস্থা নেবেন।  

পাঠকের মন্তব্য