পুলিশ সদস্যদের হত্যার আসামি ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী, আতঙ্কে গাইবান্ধাবাসী 

চার পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে হত্যাসহ ছয়টি নৃশংস হত্যা, নাশকতা-সহিংসতা মামলার আসামি জামায়াত নেতা মাজেদুর রহমান। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধা-১ আসনে তিনি জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট সমর্থিত ধানের শীষের প্রার্থী হয়েছেন। এতে আবারও আতঙ্কের জনপদে পরিণত হয়েছে সুন্দরগঞ্জের বামনডাঙ্গা এলাকা।

পাঁচ বছর আগে ঠিক যে স্থানে চার পুলিশকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছিল ফেলে গিয়েছিল জামায়াত শিবিরের সন্ত্রাসীরা, সেখানে বামনডাঙ্গার মানুষ একটি স্মৃতির স্মারক গড়ে দিয়েছে। পাঁচ বছরে বারুদে পোড়া, তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড অনেক কিছুই মুছে গেছে। কিন্তু সেই স্মৃতি ভুলে যাওয়ার আগে জামায়াতের ফিরে আসার পদধ্বনিতে আবার আতঙ্কে সাধারণ মানুষ।

তারা বলেন, এলোমেলো হয়ে গিয়েছিল তারা। এখন আবার তারা এক হচ্ছেন। এটা আমাদের জন্যে হুমকি স্বরূপ। যে হুমকির আমরা আছি তা যেন আর না থাকে। এরই মধ্যে পুলিশ হত্যা, বামনডাঙ্গা স্টেশন, থানা, মুক্তিযোদ্ধা অফিস ভাঙচুর, লুট ও অগ্নিসংযোগের চারটি মামলায় চার্জশিট দেয়া হয়েছে। যাতে অভিযুক্তদের মধ্যে মাজেদুর রহমান অন্যতম। আর এমন একজনকে প্রার্থী করায় প্রতিবাদী হয়ে উঠেছেন দেয়ালে পিঠ ঠেকা নির্যাতিত অসহায়রা। 

তারা বলেন, আগামী নির্বাচনে জামায়াতের যে পদচারণা তাতে আমাদের ভবিষ্যৎ অন্ধকারে নিমজ্জিত। আমরা এর থেকে পরিত্রাণ চাই।

এই আসনে মহাজোটের প্রার্থী করা হয়েছে জাতীয় পার্টি থেকে। যিনি চেয়ে আছেন ভোটারদের অশায়। গাইবান্ধা-১ আসনে মহাজোট প্রার্থী ব্যারিস্টার শামিম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, মহাজোট যদি ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে তাহলে দেড় লাখের বেশি ভোট আমাদের থাকবে। ৩ লাখ ৪০ হাজার ভোটারের মধ্যে দেড় লাখের বেশি ভোট যে পাবে তার জয় সুনিশ্চিত।

২০১৩ সালে জামায়াত নেতা দেলওয়ার হোসেন সাইদির রায় ঘোষণা ও ২০১৪ সালের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জামায়াত-শিবিরের তাণ্ডবে পুড়েছিল শতাধিক স্কুল, অসংখ্য বাড়িঘর। তথ্যসুত্র- সময় টিভি 

পাঠকের মন্তব্য