ভোটের সময় সাংবাদিকদের যা যা মনে রাখতে হবে

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংবাদ পরিবেশনের বিষয়ে নীতিমালা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন৷ এতে বলা হয়েছে সাংবাদিকরা ভোট কেন্দ্রে কোন পরিস্থিতিতে, কিভাবে সংবাদ সংগ্রহের অনুমতি পাবেন৷ 

নিরাপদ দূরত্বে : ভোট কক্ষের ভিতর থেকে কোনো পরিস্থিতেই সরাসরি সম্প্রচার করা যাবে না৷ তবে নিরাপদ দূরত্ব থেকে সম্প্রচার করা যাবে৷ সাংবাদিকরা ভোট গণনা দেখতে পারবেন, তবে তা সরাসরি সম্প্রচার করা যাবে না৷ গোপন কক্ষের ছবি সংগ্রহ বা দৃশ্য সম্প্রচার করা যাবে না৷

একসাথে একাধিক মিডিয়া নয় : নির্বাচন কমিশনের অনুমতিপ্রাপ্ত সাংবাদিকরাই কেবল ভোট কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন৷ তবে একটি ভোটকক্ষে এক সাথে একাধিক গণমাধ্যমের সাংবাদিক প্রবেশ করতে পারবেন না৷

ছোঁয়া যাবে না : ভোট কেন্দ্রে প্রবেশের পর সাংবাদিকরা কোনো নির্বাচনি উপকরণ স্পর্শ বা অপসারণ করতে পারবেন না৷

মিলেছে মোটরসাইকেলের অনুমতি : নির্বাচনের দিন সাংবাদিকদের মোটরসাইকেল ব্যবহারের অনুমতি দেয়া হবে না বলে জানিয়েছিল নির্বাচন কমিশন৷ এ সিদ্ধান্তের সমালোচনা হয়েছে অনেক৷ সংবাদপত্র সম্পাদকদের সংগঠন সম্পাদক পরিষদ এক চিঠিতে এ সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের অনুরোধ জানিয়েছিল৷ অবশেষে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, নির্বাচনের দিন কমিশনের দেয়া স্টিকার লাগানো মোটরসাইকেল ব্যবহার করতে পারবেন সাংবাদিকরা৷

বিশেষ যানবাহন : ২৯ ডিসেম্বর রাত ১২টা থেকে নির্বাচনের দিন ৩০ ডিসেম্বর রাত ১২টা পর্যন্ত যান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকবে৷ তবে নির্বাচনের প্রার্থী, তাঁদের এজেন্ট, বিদেশি পর্যবেক্ষক, নির্বাচনের সংবাদ সংগ্রহের কাজে নিয়োজিত দেশি বিদেশি সাংবাদিক রিটার্নিং অফিসারের অনুমতি সাপেক্ষে মোটরচালিত যান ব্যবহার করতে পারবেন৷ অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিসসহ জরুরি সেবায় নিয়োজিত যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে৷

কোথায় পাবেন অনুমতিপত্র : শুধুমাত্র নির্বাচন কমিশনে থেকে অনুমতি প্রাপ্তরাই ভোট কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন৷ নির্বাচনের জন্য নিযুক্ত রিটার্নিং কর্মকর্তারা এ অনুমতিপত্র দেন৷ এ ছাড়া ঢাকা থেকে যে সাংবাদিকরা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সংবাদ সংগ্রহ করতে যাবেন, তাঁদের অনুমিতপত্র নির্বাচন কমিশন সচিবালয় থেকে দেয়া হবে৷

পাঠকের মন্তব্য