প্রধানমন্ত্রীর দাওয়াত প্রত্যাখ্যান নেতিবাচক রাজনীতির বহিঃপ্রকাশ

গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দাওয়াত প্রত্যাখ্যান করে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট তাদের নেতিবাচক রাজনৈতিক মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

আজ (সোমবার) সচিবালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ওবায়দুল কাদের বলেছেন, নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ করতে বিএনপির অপচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বিনিময়ে দলটি এলে অনেক বিষয়ে আলোচনা হতে পারত, না আসা নেতিবাচক রাজনীতি। 

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, গণতন্ত্র এক চাকার সাইকেল নয়। এটি দুই চাকার বাইসাইকেল। সংসদে বিরোধীপক্ষ শক্তিশালী হলে গণতন্ত্র মজবুত হয়।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের অভিযোগের ব্যাপারে ওবায়দুল কাদের বলেন, পৃথিবীর কোনো দেশে ত্রুটি-বিচ্যুতি ও প্রশ্ন ছাড়া নির্বাচন হয়েছে, কেউ বলতে পারবে না। অনেক বৃহৎ দেশেও নির্বাচন ত্রুটিপূর্ণ হয়েছে। তাই বলে তাদের দেশে গণতন্ত্র ও উন্নয়ন থেমে থাকেনি।

এক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, গণফোরামের দুজন সংসদ সদস্য শপথ নিতে পারেন বলে শুনেছি। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের জ্যেষ্ঠ সদস্যদের আগামী ২ ফেব্রুয়ারি গণভবনে চায়ের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গত শনিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে ঐক্যফ্রন্ট এবং বাম জোটের নেতাদের কাছে আলাদা আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়।

তবে সংলাপের পরিবর্তে চা চক্রের আমন্ত্রণে হতাশ ঐক্যফ্রন্ট নেতারা। তারা বলছেন, এতে নির্বাচন নিয়ে বিতর্ক এড়িয়ে যাওয়া হচ্ছে। ঐক্যফ্রন্টের সবচেয়ে বড় দল বিএনপি, বাম গণতান্ত্রিক জোট এবং ইসলামি আন্দোলন ইতোমধ্যে জানিয়ে দিয়েছে তারা গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর চায়ের আমন্ত্রণে যাবে না। তাদের মত, প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে সাড়া দিলে নেতা-কর্মীরা হতাশ হবেন। জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে এ রকম চায়ের দাওয়াতে যোগ দেবার অর্থ হবে জনগণের সঙ্গে একটা তামাশা।

তবে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমন্ত্রণে ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের গণভবনে না আসার সিদ্ধান্ত অগণতান্ত্রিক বলে মন্তব্য করেছেন, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

পাঠকের মন্তব্য