বুড়ীগঙ্গা নদীর পাড়ে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

বুড়িগঙ্গা নদীর দুই পাশে ৭ তলা ভবনসহ প্রায় ১৫টি পাকা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে বিআইডব্লিউটিএ।

সকালে (২৯ জানুয়ারি) কামরাঙ্গীরচর এলাকা থেকে শুরু হয় উচ্ছেদ অভিযান। নদী দখল করে গড়ে তোলা এসব ভবন এর আগেও উচ্ছেদ করা হয়েছিলো জানিয়ে বিআইডব্লিউটিএ বলছে, এবার তারা টেকসই উচ্ছেদের দিকে নজর দিচ্ছে। এদিকে ক্ষতিগ্রস্তদের দাবি, পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই চালানো হচ্ছে এমন অভিযান।

বুড়িগঙ্গার কামরাঙ্গীচরের খোলামোড়া ঘাটে অবৈধভাবে স্থাপিত ৭ তলা ভবনটি দেড় বছর আগে আরো একবার উচ্ছেদ করা হয়েছিলো। সেখানে আবারো ভবন নির্মাণ করায় মঙ্গলবার (২৯ জানুয়ারি) বিআইডব্লিউটিএ তা উচ্ছেদ করে। টেকসই উচ্ছেদের জন্য ভেঙে দেয়া হয় ভবনটির পিলারগুলোও।

মূলত নদীর জায়গা অবৈধ দখলদারদের হাত থেকে মুক্ত করতে মঙ্গলবার শুরু হয় বিআইডব্লিউটিএর ১১ দিনব্যাপী উচ্ছেদ অভিযান। এদিন বুড়িগঙ্গার কামরাঙ্গীরচর ও কেরানীগঞ্জ এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান চালায় বিআইডব্লিউটিএ। এ সময় উচ্ছেদে ক্ষতিগ্রস্তরা আগে থেকে না জানানোর অভিযোগ তুললেও, বিআইডব্লিউটিএর ম্যাজিস্ট্রেটের দাবি সতর্ক করতে আগে মাইকিং করা হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্তরা জানান, আমাদেরকে আগে থেকে জানানো হয়নি, কোন মাইকিং করা হয়নি আজকে উচ্ছেদ করা হবে। আমাদের বাড়িওয়ালা আগে থেকে কিছুই জানায়নি।

উচ্ছেদ অভিযানের মাধ্যমে যে কোন মূল্যে বুড়িগঙ্গা দখলমুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছে বিআইডব্লিউটিএ। ঢাকা নদীবন্দরের যুগ্ম পরিচালক এ কে এম আরিফ উদ্দিন বলেন, বুড়িগঙ্গার দুই পাড়ে যতবড়ই অশুভ শক্তি আসুক না কেন, যতবড় ভবনই নির্মাণ হক আমরা তা ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেব।

ঢাকার চারপাশের নদীর জায়গা দখলমুক্ত করে পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে গত বছর নির্দেশনা দেয় উচ্চ আদালত।

পাঠকের মন্তব্য