খুব সহজে কোমরের ব্যাথা কমানোর উপায়

যখন একজন রোগী জানতে পারেন তার শরীরে অস্ত্রপচার করতেই হবে, না হলে রোগের হাত থেকে অব্যাহতি মিলবে না তখন চিন্তায় তার কপালে ভাজ দেখা দেয়, শরীর মন দুর্বল হয়ে পড়ে। কারণ অস্ত্রপ্রচার মানেই শরীরের অসহ্য যন্ত্রনা সহ্য করা। সে যে কারণেই হোক বা শরীরের যে স্থানেই হোক না কেন। মা যখন সন্তানের জন্ম দিতে অপারেশন থিয়েটারে যান তখন ও আনন্দের সাথে সাথে যন্ত্রণার ভয়টা কিন্তু মনের কোণে থেকেই যায়।

এই যন্ত্রণার হাত থেকে কি মুক্তি নেই ?

কোমরে ব্যথা খুব সাধারণ একটি সমস্যা। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে তা অসতর্ক হাঁটাচলা বা ওঠা-বসার কারণে হয়ে থাকে। সঠিকভাবে হাঁটাচলা বা ওঠা-বসা করলে কোমর ব্যথা সাধারণত হয় না। কিছু ব্যায়াম কোমর ব্যথা প্রশমনে সাহায্য করে, এমনকি ওষুধের চেয়েও ভালো ফল দেয়। খুব অল্প সময়ে সহজে করা যায় এমন কিছু ব্যায়ামের কথাই জানা যাক।

এই ব্যায়াম প্রতিদিন রাতে ও সকালে বিছানায় শুয়ে শুয়ে করতে পারেন। সময় লাগবে সর্বোচ্চ সাত মিনিট।

১. সমতল হালকা নরম বিছানায় চিত হয়ে শুয়ে দুই হাত শরীরের দুই পাশে রেখে দুই পা সোজা করে শুতে হবে। এরপর হাঁটু ভাঁজ না করে এক পা ওপরের দিকে তুলুন যত দূর সম্ভব। ১০ সেকেন্ড পা তুলে রাখতে হবে বা ১০ গোনা পর্যন্ত পা তুলে রাখতে পারেন। একইভাবে অপর পা ওপরে তুলুন এবং একই সময় নিন।

২.এবার একইভাবে হাঁটু ভাঁজ না করে একসঙ্গে দুই পা তুলতে হবে এবং একই সময় নিন।

৩. এবার এক হাঁটু ভাঁজ করে দুই হাত দিয়ে জড়িয়ে ধরে হাঁটুকে বুকে লাগানোর চেষ্টা করতে হবে। এভাবে ১০ সেকেন্ড পার করতে হবে। একইভাবে অপর হাঁটু বুকে লাগাতে হবে এবং একই সময় পার করুন।

৪. এবার একসঙ্গে দুই হাঁটু ভাঁজ করে দুহাতে জড়িয়ে বুকে লাগাতে হবে।

৫. সর্বশেষ ধাপটি হলো দুই পা সোজা করে পায়ের পাতার দিকে সটান করে ১০ সেকেন্ড রাখতে হবে।

প্রতিটি ধাপ ১০ সেকেন্ড দীর্ঘায়িত হবে বা ১০ গোনা পর্যন্ত করতে হবে। এই ধাপগুলো অনুসরণ করে দু-তিনবার সকাল-রাতে করতে হবে—যা কোমরের মাংসপেশির প্রদাহ কমায় ও শক্তিশালী করে তোলে। ফলে কোমরে ব্যথা কমে আসে। সূত্র: মায়োক্লিনিক

পাঠকের মন্তব্য