কেরানীগঞ্জের বিসিকে রাসায়নিক পল্লী গড়ে তোলা হবে

স্থায়ী জায়গা ঠিক হওয়ার আগে পুরান ঢাকা থেকে রাসায়নিকের মজুদ সরাতে রাজি নন ব্যবসায়ীরা। হয়রানির অভিযোগ তুলে টাস্কফোর্সের অভিযান বন্ধের দাবিও জানিয়েছেন তারা। তবে অভিযান অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন দক্ষিণ ঢাকার মেয়র সাঈদ খোকন। আর সমস্যার সমাধানে শিগগিরই রোডম্যাপ তৈরির কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান। 

চকবাজারের চুড়িহাট্টায় গত ২০ ফেব্রুয়ারি ভয়াবহ আগুনে প্রাণ হারান ৭১ জন। এরপরেই পুরান ঢাকা থেকে রাসায়নিকের গুদাম সরাতে কঠোর অবস্থানে সরকার। দক্ষিণ সিটি করপোরেশনসহ বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়ে অভিযানে নামে টাস্কফোর্স। 

তবে অভিযানের সময় বেশ কয়েকবার ব্যবসায়ীদের বাধার মুখে পড়েছে টাস্কফোর্স। এমন পরিস্থিতিতে পুরান ঢাকার ঝুঁকিপূর্ণ ব্যবসা ও সমাধানের উপায় নিয়ে বুধবার নগরভবনে মুক্ত আলোচনার আয়োজন করে দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। এতে রাসায়নিক পল্লী না হওয়া পর্যন্ত পুরান ঢাকা থেকে ব্যবসা গোটাতে আপত্তি তুলে ধরেন ব্যবসায়ীরা। অভিযানের নামে টাস্কফোর্স হয়রানি করছে বলেও দাবি করেন তারা। 

সভায় প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান বলেন, সমস্যার স্থায়ী সমাধানে কেরানীগঞ্জের বিসিক এলাকায় রাসায়নিক পল্লী গড়ে তোলা হবে। সেখানে সব ধরনের রাসায়নিকের গুদাম ও কারখানা সরাতে রোডম্যাপ তৈরি হবে ২ থেকে ৩ সপ্তাহের মধ্যে। এর আগে অতিদাহ্য ২৯টি রাসায়নিক ছাড়া অন্যগুলোর ব্যবসা পুরান ঢাকায় চালাতে বাধা নেই বলেও জানান তিনি। 

দক্ষিণ ঢাকার মেয়র জানান, পুরান ঢাকায় টাস্কফোর্সের অভিযান অব্যাহত থাকবে, তবে ব্যবসায়ীদের হয়রানি ঠেকাতে সতর্ক থাকার আশ্বাস দেন তিনি। অভিযানে প্লাস্টিক পণ্যের কারখানাও বন্ধ করা হচ্ছে... এমন অভিযোগ জানান ব্যবসায়ীরা। এর পরিপ্রেক্ষিতে প্লাস্টিক পণ্য ঝুঁকিপূর্ণ কিনা তা ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে জানাতে বিস্ফোরক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকে অনুরোধ জানান মেয়র। 

পাঠকের মন্তব্য