প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে ডাকসু বিজয়ীরা যাচ্ছেন গণভবনে

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমন্ত্রণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে বিজয়ীরা আজ গণভবনে যাচ্ছেন। বিকাল ৪টায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাদের এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

গণভবনে ডাকসুর অন্য নির্বাচিতদের যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হলেও ভিপি নুরুল হক নুরের যাওয়া নিয়ে গতকাল রাত পর্যন্ত অনিশ্চয়তা ছিল। প্রথমে এ বিষয়ে আগ্রহ দেখালেও গতকাল ঢাবির রাজু ভাস্কর্যে অনশনরত শিক্ষার্থীদের দেখতে এসে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী সরকারের সর্বোচ্চ ব্যক্তি। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিয়েও ওনার দায়িত্ব রয়েছে। আমি যাওয়ার পক্ষে পজিটিভ, প্রধানমন্ত্রীর সামনে আমরা সমস্যাগুলো তুলে ধরতে পারব। তবে আমি একা বললে তো হবে না, অনেকে স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচিত হয়েছে। স্বতন্ত্র প্যানেলগুলো রয়েছে। কাজেই তাদের সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত নেব। সম্মতি দিলে যাব। বিশেষ করে আমি আন্দোলনকারী ভাইবোনদের সঙ্গে কথা বলে এবং যারা এ নির্বাচনে অংশ নিয়েছে, তাদের সঙ্গে কথা বলে ফাইনাল ডিসিশন নেব।

পরে রাতে কোটা আন্দোলনকারীসহ অন্যদের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকের ভিত্তিতে নুরুল হক নুরের গণভবনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

গতকাল দুপুরে অন্যদের সম্মতির ভিত্তিতে গণভবনে যাওয়ার কথা জানালেও এর আগে ডাকসুর নবনির্বাচিত ভিপি বণিক বার্তাকে জানিয়েছিলেন, হল ও কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদে তাদের প্যানেল থেকে যারা যারা নির্বাচিত ও প্রধানমন্ত্রীর দাওয়াত পেয়েছেন, তাদের সবাই যাবেন।

সে সময় প্রধানমন্ত্রীর কাছে নতুন করে কোনো দাবি উত্থাপন করা হবে কিনা—এমন প্রশ্নের উত্তরে নুর বলেছিলেন, প্রধানমন্ত্রী আমাদের চায়ের দাওয়াত দিয়েছেন। এখন সেখানে আমরা দাবিদাওয়া তুলব কিনা, সেটা তো বলা যাচ্ছে না। এখানে অন্য বিষয়ে আলোচনার সুযোগ আছে কিনা, তা আমরা জানি না।

সুযোগ পেলে ৩১ মার্চের মধ্যে ডাকসুতে পুনরায় ভোটগ্রহণের দাবি তোলা হবে কিনা জানতে চাইলে নুরুল হক নুর বলেন, এ বিষয়টি নিয়ে আমি ওখানে এভাবে কথা বলতে চাই না। কারণ তিনি আমাদের তো বলেননি, তোমাদের আলোচনার জন্য ডাকছি। তিনি আমাদের চায়ের দাওয়াত দিয়েছেন।

নুর বলেন, দেশের প্রধানমন্ত্রী আমাদের ডেকেছেন, সেটা আমাদের জন্য সৌভাগ্যের বিষয়। সেখানে তার সঙ্গে কথা বলতে আমাদের যাওয়া উচিত। সেখানে আমরা যাব।

পাঠকের মন্তব্য