কবি, কাকলী আক্তার মৌ এর কবিতা সমগ্র


আল্লাহ মহান

হে আল্লাহ তুমি রহিম রহমান,
কত সুন্দর ধরনী মোদের করেছ দান।
যা কিছু দেখি সব তোমারি অবদান,
শেষ করা যাবে না বলে তোমার গুণগান।

হে আল্লাহ তুমি কত সুমহান,
ধরনী সৃষ্টি করে মোদের দিয়েছ প্রাণ।
তুমি কত মহিয়ান ও গরিয়ান,
তাই তো সর্বদা করি তোমার গুণগান।

কি অপরূপ ধরনী মোদের করেছ দান,
দিনে ওঠে সূর্য রাতে চন্দ্র সব তোমারি অবদান। 
ধরনীকে এমন সৌন্দর্য করেছ প্রদান,
না জানি কত সুন্দর তুমি আল্লাহ সুমহান।

রচনাকালঃ ২০/০১/২০১৮খ্রিঃ
 
শৈশব স্মৃতি

ছোট ছোট ছেলে মেয়ে কোমলমতি মন,
প্রাণ চায় শৈশবে করিতে গমণ। 
ইচ্ছে করে তাদের সাথে মিশে করি খেলা,
সারাদিন ঘুরে ফিরে কেটে যাক বেলা।

গরমে সারাদিন ডুব লাগাই বিলে,
কেটে যায় সারা বেলা আনন্দে হেসে খেলে। 
ডাংগুলি হা ডু ডু খেলা করি মাঠে,
ঘুরে ফিরে সন্ধ্যায় মন দেই পাঠে।

মাঝে মাঝে পড়া ছেড়ে আড্ডা জমাই,
পারিবারিক বন্ধনে দেই স্নেহের ঝালাই। 
রাত্রিতে সকলে এক সাথে বসে,
ঝুড়ি খুলি গল্পের আজো ভালবেসে।

রচনাকালঃ ২১/০১/২০১৮খ্রিঃ
 
ইবাদত

বন্ধ ম‌নের জানালা খু‌লে তা‌কি‌য়ে তু‌মি দেখ,
অতীত ভুলে নতুন করে বাঁচতে তুমি শেখো। 
বন্ধ কর লোক দেখানো সকল ইবাদত,
তওবা করে জীবন গড় পাবে হেদায়েত।

লাজ ভুলে মসজিদেতে নামায তুমি পড়,
যিকির পড়ে অন্তরটাকে পবিত্র তুমি কর। 
আল্লাহর হুকুম সর্বদা তুমি করিও তামিল,
নেক বান্দার কাতারেতে হবে তুমি সামিল।

মনে রেখো ইবাদতে ব্যত্যয় যদি ঘটে,
নিজেকে পাবে তুমি জাহান্নামের তটে। 
আল্লার কাছে প্রার্থনা করি সকলে মিলে,
ইবাদতে যায় যেন দিন আনন্দে হেসে খেলে।

রচনাকালঃ ২৪/০১/২০১৮খ্রিঃ
 
নামায

মস‌জি‌দেরই মিনা‌রে‌তে আযান শু‌নি ভাই,
আকুলি বিকুলি করে মন চল নামাযেতে যাই। 
এখুনি হতে হবে তৈরী সময় যে বেশি নাই,
প্রথম কাতারে পড়ব নামায জায়গা যেন পাই?

মনেতে আনন্দ পাই যখন দাড়াই সারি সারি,
হে রব রহমত কর যেন নামায পড়তে পারি। 
নামাযের শুরুতে যখন ঈমাম দেন তাকবীর,
মনেতে শিহরন জাগে নত হয় মোর শীর।

তাকবীর দিয়ে যখন সিজদায় হই রত,
নয়ন দিয়ে ঝরে পানি শুধুই অবিরত। 
নামায শেষে দোয়া করি তোমার তরে,
ইসলামের আলো যেন জ্বলে ঘরে ঘরে।

তারিখঃ ১০/০৮/২০১৮খ্রিঃ
 
মা বাবা বটবৃক্ষের ছায়া

ধরনী‌তে অতি দরদী মো‌দের মা বাবা,
গায়েতে লাগতে দেন না কষ্টের কাল থাবা। 
মাথার ঘাম পায়ে ফেলে করে লালন পালন,
তবে কেন বদলায় না মোদের চলন বলন?

বৃদ্ধ বয়সে তাদের প্রতি দেই না কোন শ্রম,
উপরন্তু ঝামেলা ভেবে পাঠাই বৃদ্ধাশ্রম। 
অতি সঙ্গোপনে বলি- পেয় নাকো ব্যথা,
বৃদ্ধাশ্রমে তুমিও যাবে মনে রেখ কথা। 

মা বাবাকে পাশে রেখো পাবে তুমি বল,
জান্নাতের অবস্থান কিন্তু তাদের পদতল। 
মা বাবা হলেন মোদের বটবৃক্ষের ছায়া,
জান্নাতের পরশ পাবে সাথে রবের দয়া।

তারিখঃ ১১/০৭/২০১৮খ্রিঃ 

লেখক : কবি, কাকলী আক্তার মৌ

 

পাঠকের মন্তব্য