আর কত ছাড় দেব, যারা আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখায়

ফরিদা পারভীন 

ফরিদা পারভীন 

শাহীন খন্দকার : জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফরিদা পারভীন বলেন, আমরা আইন মানতে চায় না। আইনের শাসন সবচেয়ে বেশী প্রয়োজন। যারা বিল্ডিং বানিয়েছে তারা অপরাধ করছে অথচ বিল্ডিং আইন মানছে না আর আমরা একের পর এক ছাড় দিয়ে যাচ্ছি। যারা আইনের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখায় তাদের শাস্তি প্রদান করা উচিত। আমাদের সবাইকে সুসংগঠিত ও সোচ্চার হওয়া উচিত। প্রতিদিন যেভাবে সড়ক দুর্ঘটনায় ও অগ্নি˜গ্ধ হয়ে সাধারণ মানুষ মৃত্যুবরণ করছে এর চেয়ে বড় মানবাধিকার লংঘন আর হতে পারে না। এখনই সময় ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশের সবাইকে সচেতন করা। 

কনজ্যুমারস হোপ এন্ড এনভায়রনমেন্ট ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (সিডেফ) এর উদ্যোগে হিউম্যান রাইটস ক্যাম্পিং- ২০১৯ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।  

সংগঠনের সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ মানবাধিকার ফেডারেশনের চেয়ারম্যান ড. মো. শাজাহান।  প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন যুদ্ধকালীন কমান্ডার বেঙ্গল প্লাটুন বীরমুক্তিযোদ্ধা ইসমাইল হোসেন বেঙ্গল। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু সমাজ সংস্কার সমিতির সভাপতি অধ্যাপক হীরেন্দ্র নাথ বিশ^াস, জাতীয় মানবাধিকার সমিতির চেয়ারম্যান মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা, শহর সমাজসেবা কার্যালয়ের সভাপতি আলহাজ¦ মো. আসাদউল্লাহ খান আসাদ, মানবাধিকার কর্মী ড. প্রীতি সরমান বড়–য়া, অনুষ্ঠান উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক কাজী মো. জিয়াউদ্দিন। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক রেজাউল করিম, নজরুল ইসলাম সাচি, কবি সেলিনা পারভীন প্রমুখ।

সভার শুরুতেই স্বাধীনতা সংগ্রামে নিহত সকল শহীদদের এবং চকবাজার, বনানী, গুলশানে অগ্নিদগ্ধদের প্রতি সম্প্রতি সড়ক দুর্ঘটনায় যারা নিহত হয়েছেন তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ১ মিনিট নীরবতা পালন করা হয় এবং তাদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

প্রধান অতিথি ড. শাহজাহান বলেন, প্রতিবাদই সমাজ পরিবর্তনের হাতিয়ার। রাষ্ট্র যখন সন্ত্রাস করে বিচার দেয়ার জায়গা তখন থাকে না। একজন পুলিশ যদি সাধারণ মানুষের পকেটে ইয়াবা ঢুকিয়ে মামলা দেয়  তখন সে কার কাছে আইনের আশ্রয় চাইবে। আমাদের মত আইনের সেবকরা যদি সত্যকে মিথ্যা বানিয়ে নিরাপরাধ মানুষকে অপরাধী করে তাহলে কার কাছে সঠিক বিচার চাইবে। ডাক্তারের কাছে চিকিৎসা নিতে এলে পরীক্ষা নিরীক্ষার নামে তাকে লম্বা ফর্দ ধরিয়ে দেয়। হাজার হাজার টাকা খরচ করে যখন আবার ডাক্তারের কাছে আসে তখন বলে দুধ ডিম বেশী করে খাবেন। অথচ ঘরে থাকা গরু ছাগল বিক্রি করেই সে ডাক্তারের কাছে এসেছে। বিবেকের দায়বদ্ধতাই হচ্ছে সবচেয়ে বড় মানবাধিকার। 

পাঠকের মন্তব্য