বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের উদ্যোগে হানিফের জন্মবার্ষিকী

হানিফের জন্মবার্ষিকী

হানিফের জন্মবার্ষিকী

বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে প্রয়াত মেয়র মোহাম্মদ হানিফের ৭৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আজ সোমবার সকালে সংগঠনের গুলশানস্থ কার্যালয়ে স্টিয়ারিং কমিটির সভাপতি, খ্যাতিমান অভিনেত্রী সারাহ বেগম কবরীর সভাপতিত্বে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। 

আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন সংগঠনের কার্যকরী সভাপতি অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামান, সহ সভাপতি কন্ঠশিল্পী রফিকুল আলম, সহ সভাপতি চিত্রনায়িকা রোজিনা, চিত্রনায়িকা নূতন, রোকেয়া প্রাচী, সাধারণ সম্পাদক অরুন সরকার রানা, কন্ঠশিল্পী দিনাত জাহান মুন্নী, কন্ঠশিল্পী এস.ডি রুবেল, চিত্রনায়ক সাকিল খান, সাংগঠনিক সম্পাদক জেনিফা ফেরদৌস, চলচ্চিত্র বিষয়ক সম্পাদক শাহনুর, মোত্তাছিম বিল্লাহ, বৃষ্টি রানী সরকার, মাধবী সরকার, হাবিবুল্লাহ রিপন, দিলীপ সরকার প্রমুখ। 

সারাহ বেগম কবরী বলেন, প্রয়াত মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার অত্যন্ত বিশ^স্তভাজনদের একজন। তিনি আওয়ামী লীগের দুঃসময়ে শক্ত হাতে হাল ধরে মহানগর আওয়ামী লীগকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। তিনি ছিলেন একজন যোগ্য সংগঠক ও কর্মীবান্ধব নেতা। তাঁর শূন্যতা সহজে পূরণ হবার নয়। 

তিনি ছিলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একান্ত সচিব। ছয় দফা থেকে শুরু করে দেশের সব আন্দোলন-সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন তিনি। মোহাম্মদ হানিফ ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগেরও সভাপতি ছিলেন। দায়িত্ব পালন করেছেন সংসদের হুইপ হিসেবেও। তারই নেতৃত্বে ১৯৯৬ সালে 'জনতার মঞ্চ' গঠিত হয়, যা ছিল আওয়ামী লীগের রাজনীতির জন্য একটি টার্নিং পয়েন্ট।

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশে শেখ হাসিনার ওপর নারকীয় গ্রেনেড হামলার সময় মানবঢাল রচনা করে বঙ্গবন্ধু কন্যাকে রক্ষা করেন হানিফ। একের পর এক ছোড়া গ্রেনেডে বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রাণে রক্ষা  পেলেও মারাত্মক আহত হন তিনি। তার মস্তিস্কসহ দেহের বিভিন্ন অংশে অসংখ্য স্প্রিন্টার ঢুকে পড়ে। আহতাবস্থায়ও রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন তিনি। 

পাঠকের মন্তব্য