এলিজাবেথ ছেড়ে ইয়র্ক হোটেলে উঠলেন ওবায়দুল কাদের

ওবায়দুল কাদের

ওবায়দুল কাদের

আজ শুক্রবার দুপুর ১টার পর সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়কমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতাল ছাড়ার পর হাসপাতালের পেছনের ইয়র্ক হোটেলে একটি রুম নেওয়া আছে ওবায়দুল কাদেরের জন্য। মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে উপস্থিত ওবায়দুল কাদেরের ঘনিষ্ট সূত্র এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

হাসপাতাল ছাড়লেও এখনই দেশে ফিরতে পারছেন না ওবায়দুল কাদের। কারণ আরো কিছুদিন চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে নিয়মিত চেকআপে থাকতে হবে তাঁকে। চেকআপ শেষে তারপর দেশে ফিরতে পারতেন তিনি। এর আগেই অবশ্য চিকিৎসকরা জানিয়েছিলেন, মধ্য এপ্রিলে দেশে ফিরতে পারবেন তিনি।
 
মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে আজ শুক্রবার সকালে তোলা ওবায়দুল কাদেরের একাধিক ছবি পাওয়া গেছে। তাতে দেখা যায়, দীর্ঘ চিকিৎসা আর জটিল সব অস্ত্রোপচারের ধকল কাটিয়ে ওবায়দুল কাদের এখন বেশ সুস্থ। মুজিব কোট পরিহিত কাদের হাস্যোজ্জ্বল মুখে বসে আছেন। একটি ছবিতে ওবায়দুল কাদেরের স্ত্রী ইশরাতুনেচ্ছা কাদেরও আছেন। ওবায়দুল কাদেরে পাশেই বসে আছেন মাউন্ট এলিজাবেথের চিকিৎসক ডা. ফিলিপ কোহে। অন্য একটি ছবিতে ওবায়দুল কাদেরকে দেখা গেছে তার চিকিৎসক দলের সঙ্গে। সফল একটি অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে এই দলটিই তাকে সুস্থ করে তুলেছে। এছাড়া ছোট ভাই মির্জা কাদেরের সঙ্গেও একটি ছবি রয়েছে ওবায়দুল কাদেরের।

গত ৩ মার্চ ভোরে ঢাকায় নিজ বাসায় শ্বাসকষ্ট শুরু হলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করা হয় ওবায়দুল কাদেরকে। সেখানে দ্রুত এনজিওগ্রাম করা হলে তার হৃৎপিণ্ডের রক্তনালীতে তিনটি বড় ব্লক ধরা পড়ে। এর মধ্যে একটি ব্লক স্টেন্টিংয়ের (রিং পরানো) মাধ্যমে দ্রুত অপসারণ করেন চিকিৎসকরা। পরদিন প্রখ্যাত হৃদরোগ সার্জন দেবী শেঠি ভারত থেকে এসে দেখেন ওবায়দুল কাদেরকে। তার পরামর্শে সেদিনই (৪ মার্চ) এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়।

সেখানে মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে কাদেরের চিকিৎসায় গঠন করা হয় মেডিক্যাল বোর্ড। দীর্ঘ পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও আনুষাঙ্গিক চিকিৎসার পর তার শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে ২০ মার্চ ওবায়দুল কাদেরের বাইপাস সার্জারি করা হয়। পরে আইসিইউ থেকে ২৬ মার্চ কেবিনে নেওয়া হয় তাকে। আজ হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পাচ্ছেন তিনি।

পাঠকের মন্তব্য