মাদ্রাসায় ৩০ ভাগ নারী শিক্ষক না থাকলে নিবন্ধন বাতিল

মাদ্রাসায় ৩০ ভাগ নারী শিক্ষক না থাকলে নিবন্ধন বাতিল

মাদ্রাসায় ৩০ ভাগ নারী শিক্ষক না থাকলে নিবন্ধন বাতিল

বেশিরভাগ মাদ্রাসায় পর্যাপ্ত নারী শিক্ষক না থাকায় ছাত্রীরা তাদের সমস্যা ঠিকভাবে জানাতে পারে না। এজন্য অনেক সময় যৌন হয়রানির শিকার হওয়ার অভিযোগও ছাত্রীদের। শিক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, মাদ্রাসায় ৩০ ভাগ নারী শিক্ষক নিয়োগ না দিলে এমপিও, নিবন্ধন বাতিল করবে।

লক্ষীপুরের খিলবাইচা ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসা। শিক্ষার্থী সংখ্যা ১১ শ। এর মধ্যে ছাত্রী আছে ৫ শ। এখনে নারী শিক্ষক আছে মাত্র ৩ জন। ছাত্রীরা অভিযোগ করেছেন, নানা সমস্য নিয়ে অধ্যক্ষ মাওলানা নুর হাসানের কাছে গেলে বিভিন্ন সময় যৌন হয়রানির শিকার হতে হয়। পর্যাপ্ত নারী শিক্ষক থাকলে তাদের কাছেই অভিযোগ দিতেন ছাত্রীরা। 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষক আব্দুর রশিদ বলেন, সরকারকে কঠোর ভুমিকা নিতে হবে। সাম্প্রতিক সময়ে যেসব ঘটনা ঘটল তা সবার জন্য লজ্জাজনক। এ ধরনের ঘটনা যাতে আর না ঘটে সেজন্য এখনই সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।শিক্ষামন্ত্রণালয় বলছে, শীগগিরিই মাদ্রাসায় প্রয়োজনীয় নারী শিক্ষক নিয়োগ দিতে হবে। নইলে নিবন্ধন বাতিলসহ আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এ.কে.এম ছায়েফ উল্যা বলেন, আমরা মাদ্রাসাগুলোকে জানিয়ে দিচ্ছি নারী শিক্ষক নিয়োগ দিতে হবে। এর বাইরে যাওয়ার কোন উপায় নাই, যদি তারা কার্যক্রম চালাতে চায়।

কওমি মাদ্রসা কর্তৃপক্ষ বলছেন, প্রয়োজন অনুযায়ী নারী শিক্ষক তারাও নিয়োগ দিবেন। জাতীয় দ্বীনি শিক্ষা বোর্ডের সিনিয়র সহ সভপতি ইয়াহিয়া মাহমুদ বলেন, কওমি মাদ্রাসায় নারীদেরকে নারী শিক্ষকই পড়ায়। তারপরও যদি নারী শিক্ষক দরকার হয় আমরা নিয়োগ দিবো।

এরই মধ্যে মাদ্রাসাগুলোতে যৌন নিপীড়ন বিরোধী সেল গঠনের নির্দেশও দিয়েছে শিক্ষামন্ত্রণালয়।

পাঠকের মন্তব্য