তারেক-জোবায়দা'র ব্যাংকের তিনটি হিসাব জব্দের নির্দেশ

তারেক-জোবায়দা'র ব্যাংকের তিনটি হিসাব জব্দের নির্দেশ

তারেক-জোবায়দা'র ব্যাংকের তিনটি হিসাব জব্দের নির্দেশ

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার স্ত্রী জোবায়দা রহমানের নামে থাকা যুক্তরাজ্যের একটি ব্যাংকের তিনটি হিসাব জব্দের নির্দেশ দিয়েছে ঢাকার আদালত। বুধবার ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ কে এম ইমরুল কায়েশ এ আদেশ দেন, যা বৃহস্পতিবার প্রকাশ পেয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশনের একটি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এ আদেশ দেয়।

দুদকের আইনজীবী মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর বলেন, আদেশটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ব্রিটেনের অ্যাটর্নি জেনারেলের অফিসে পাঠানো হবে। সেখানে অ্যাটর্নি জেনারেল অফিস সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে পাঠিয়ে আদেশ কার্যকর করবেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক দুদক কর্মকর্তা বলেন, যুক্তরাজ্যের ব্যাংকটিতে তারেক রহমানের নামে দুটি এবং তার স্ত্রীর নামে একটি ব্যাংক হিসাব জব্দ করেছেন আদালত।

ওই দুদক কর্মকর্তা বলেন, এসব ব্যাংক হিসাবে বাংলাদেশ থেকে সন্দেহজনক লেনদেন হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। ব্রিটেনের ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (এফআইইউ) এসব ব্যাংক হিসাব আগেই জব্দ করেছে।

দুদকের অনুমতি (পারমিশন) মামলার আবেদনে বলা হয়, তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দেশ থেকে অর্থ পাচার করে বিদেশে বিনিয়োগ করার অভিযোগের অনুসন্ধান চলছে।

অনুসন্ধানে দেখা যায়, স্যানট্যান্ডার ব্যাংক ইউকে’তে পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠানের হিসাব থেকে তারেক রহমান এবং জোবায়দা রহমানের তিনটি ব্যাংক হিসাবে ৫৯ হাজার ৩৪১ দশমিক ৯৩ ব্রিটিশ পাউন্ড স্থানান্তর এফআইইউ, ইউকের নির্দেশে আটক আছে। ওই অর্থ তারা অন্যত্র হস্তান্তর বা রূপান্তর করার চেষ্টা করছেন।

তাই বর্ণিত অর্থের বিষয়ে এখনি কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে তা বেহাত হয়ে যাওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।

যুক্তরাজ্যে থাকা তারেকের বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের মাধ্যমে বিদেশে বিনিয়োগ সংক্রান্ত একটি অভিযোগের অনুসন্ধান করছে দুদক। সংস্থাটির উপপরিচালক আখতার হামিদ ভূইয়ার নেতৃত্বে এই অনুসন্ধান চলছে। গত বছর অনুষ্ঠিত একাদশ সংসদ নির্বাচন ‘প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে’ আসা ‘দেড়শ কোটি টাকার’ একটি অংশ উদ্ধারের পর তার সঙ্গে তারেকের সম্পৃক্ততার দাবি করেছিল র‌্যাব।

খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমান অর্থ পাচারের একটি মামলায় দেশের আদালতে দণ্ডিত; এছাড়া ২১ অগাস্টের গ্রেনেড হামলা এবং জিয়া এতিমখানা ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় তার দণ্ড রয়েছে। -যুগান্তর 

পাঠকের মন্তব্য