কুড়িগ্রামে যবনিকা ঘটল ৪০তম জাতীয় সাইক্লিং প্রতিযোগিতার

কুড়িগ্রামে যবনিকা ঘটল ৪০তম জাতীয় সাইক্লিং প্রতিযোগিতার

কুড়িগ্রামে যবনিকা ঘটল ৪০তম জাতীয় সাইক্লিং প্রতিযোগিতার

হুমায়ুন কবির সূর্য্য, কুড়িগ্রাম থেকে : অব্যবস্থাপনা আর অনিয়মের মধ্যদিয়ে শনিবার কুড়িগ্রামে যবনিকা ঘটল ৪০তম জাতীয় সাইক্লিং প্রতিযোগিতার। প্রতিযোগিতায় ১২টি পদক পেয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। তারা ৭টি স্বর্ণ, ৩টি রৌপ ও ২টি ব্রোঞ্জ পদক পেয়েছে। রানার আপ বর্ডারগার্ড বাংলাদেশ পেয়েছে ১০টি পদক। তারা ৬টি স্বর্ণ ও ৪টি রৌপ্য পদক নিয়ে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে। 

এছাড়াও বিজেএমসি ৩টি স্বর্ণ ৬টি রৌপ্য ও ৫টি ব্রোঞ্জসহ ১৪টি পদক পেয়ে তৃতীয়স্থান অধিকার করে। বাংলাদেশ আনসার ১টি স্বর্ণ, ৪টি রৌপ্য ও ৮টি ব্রোঞ্জসহ ১৩টি পদক, মাগুরা জেলা ক্রীড়া সংস্থা ১টি স্বর্ণ, বাংলাদেশ জেল ১টি রৌপ্য ও ১টি ব্রোঞ্জসহ ২টি পদক এবং ঢাকা ও সিলেট জেলা ক্রীড়া সংস্থা ১টি করে ব্রোঞ্জ পদক অর্জন করেছে।

তবে ৬টি ইভেন্ট বাদ দেয়ায় সাইক্লিস্টদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়। প্রচার-প্রচারণা না থাকায় খেলোয়াড় ও আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ ছাড়া গালারী ও মাঠ ছিল দর্শকশূন্য। এদিকে একদিন আগে মাইকিং করে স্টেডিয়ামে হাতে গোনা কয়েকটি ব্যানার ও ফেস্টুন দিয়েই জাতীয় সাইক্লিং এর প্রচারের দায় সারিয়েছে ফেডারেশন। অর্ধশতাধিক স্বেচ্ছাসেবক ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কাজ করেও পায়নি সম্মানী ও যাতায়াতভাতা। 

জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহ-সভাপতি শেখ বাবুল জানান, প্রচার-প্রচারণা ছিল দায়সারা গোছের। জেলা ক্রীড়া সংস্থা ও প্রশাসনের সাথে সাইক্লিং ফেডারেশনের কোন সমন্বয় ছিল না। তারা একক সিদ্ধান্তে কাজ করায় তার মান নিয়ে বিব্রতকর অবস্থায় পরতে হয়েছে। ফলে জৌলুষ হারিয়েছে এবারের ৪০তম সাইক্লিং প্রতিযোগিতা। জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক সাঈদ হাসান লোবান জানান, সুষ্ঠু, সুন্দর ও সফলভাবে অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। এটি বিশাল একটি আয়োজন। ব্যাপকভাবে করা গেলে আরো ভাল হতো।

বাংলাদেশ সাইকেল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক পারভেজ হাসান, প্রতিযোগিতা সফল হয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানান, আবহাওয়া, মাঠ এবং রোড রেসে পর্যাপ্ত জায়গার অভাবে টেকনিক্যাল কারণে ৬টি ইভেন্ট বাতিল করা হয়। এছাড়া সবকিছু ঠিকঠাক হয়েছে। বাজেট এবং অব্যবস্থাপনার বিষয়ে কথাবলতে চাননি তিনি।

ইনডেক্স গ্রুপ, জেডটি মোবাইলের পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলাদেশ সাইক্লিনিং ফেডারেশন এবং কুড়িগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থার ব্যবস্থাপনায় তিনদিন ব্যাপি এ প্রতিযোগিতায় ৬টি কর্পোরেট এবং ১৫টি জেলা দলের আড়াই শ’জন সাইক্লিটস অংশগ্রহন করে। 

পাঠকের মন্তব্য