রায়পুরে ঘূর্ণিঝড়ে ঘরবাড়ি ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি

রায়পুরে ঘূর্ণিঝড়ে ঘরবাড়ি ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি

রায়পুরে ঘূর্ণিঝড়ে ঘরবাড়ি ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’র আঘাতে ঘরবাড়ি ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বিদ্যুতের খুঁটি পড়ে যাওয়ায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এতে যোগাযোগ ব্যবস্থায় ত্রুটি দেখা দিয়েছে।

গাছপালা ভেঙে লোকজনের গায়ে পড়ে আহত হয়েছেন অন্তত ৭ জন। আধা-কাঁচা, পাকা প্রায় ২ শতাধিক বাড়িঘর বিধ্বস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। পাকা সয়াবিন ও ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। 

উপকূলীয় অঞ্চল দক্ষিণ ও উত্তর চরবংশী ইউনিয়নের ৪টি সাইক্লোন শেল্টারে ৭ শতাধিক পরিবার আশ্রয় নিয়েছে বলে জানা গেছে। শুক্রবার রাতে এসব পরিবারের মধ্যে সংসদ সদস্যের পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা শিল্পী রাণী রায় শুকনো খাবার ও বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করেছেন। আশ্রয় নেয়া কেন্দ্রগুলো পরিদর্শন ও খোঁজ খবর নিয়েছেন লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক অঞ্জল চন্দ্র পাল। 

রায়পুরে ৬নম্বর সতর্ক সংকেত জারি করেছে আবহাওয়া অধিদফতর।

দক্ষিণ চরবংশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবু ছালেহ মিন্টু ফরাজি জানান, টুনুর চর, কানির বগার চর, মিয়ার হাট ও চরলক্ষ্মী গ্রামের প্রায় দুই শতাধিক কাঁচা ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে এবং আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন। আহতদেরকে বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ঘূণিঝড় ফণীর প্রভাবে মেঘনা নদী উত্তাল হয়ে উঠেছে। নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে উপকূলীয় এলাকার ৪টি ইউনিয়ন প্লাবিত হতে শুরু করেছে। বন্ধ রয়েছে নৌ-চলাচল। থেমে থেমে দফায় দফায় বৃষ্টি ও দমকা হাওয়া বয়ে চলেছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিল্পী রাণী রায় জানান, শুক্রবার মধ্যরাতে ঘূর্ণিঝড় ফণীর প্রভাবের কারণে উপজেলার দক্ষিণ চরবংশী ও উত্তর চরবংশী ইউনিয়নসহ মেঘনা উপকূলীয় অঞ্চলের ৭শ’ পরিবারকে আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে আসা হয়েছে। তাদের মাঝে শুকনো খাবার ও বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, অনেক গাছপালা উপড়ে পড়েছে। ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। প্রায় ১৫০ থেকে ২০০টির মতো  ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে।

পাঠকের মন্তব্য