পদ্মাসেতুর এক হাজার ৮০০ মিটার দৃশ্যমান হলো

পদ্মাসেতু

পদ্মাসেতু

শরীয়তপুরের জাজিরার নাওডোবা প্রান্তে পদ্মা সেতুতে দ্বাদশ স্প্যান ‘৫-এফ’ (সুপার স্ট্রাকচার) বসানো হয়েছে। মাঝপদ্মায় সেতুর ২০ ও ২১ নম্বর পিলারের ওপর স্প্যানটি বসানোর মধ্য দিয়ে সেতুর এক হাজার ৮০০ মিটার দৃশ্যমান হলো।

সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে দেশি-বিদেশি প্রকৌশলীদের চেষ্টায় সেতুর ২০ ও ২১ নম্বর পিলারের ওপর সফলভাবে অস্থায়ী স্প্যানটি বসানো হয়েছে। পরে স্থায়ীভাবে এই স্প্যানটি ২৪ ও ২৫ নম্বর পিলারের ওপর বসানো হবে।

এর আগে সোমবার সকাল সোয়া ৯টার দিকে ধূসর রংয়ের ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের ও ৩ হাজার ১৪০ টন ওজনের স্প্যানটি নিয়ে তিন হাজার ৬০০টন ধারণ ক্ষমতার ‘তিয়ান ই’ ভাসমান ক্রেনটি রওনা করে।

প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার স্প্যান বসানোর পরিকল্পনা থাকলেও ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’র কারণে তা বাতিল করেন সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা। 

উল্লেখ্য, পদ্মাসেতুতে ৪২টি পিলারের ওপর বসবে ৪১টি স্প্যান। ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এ বহুমুখী সেতুর মূল আকৃতি হবে দোতলা। ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে পদ্মাসেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হয়। সেতু নির্মাণে ব্যয় হচ্ছে ৩৩ হাজার কোটি টাকা। ২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ৩৭ ও ৩৮ নম্বর পিলারের ওপর প্রথম স্প্যান, ২০১৮ সালের ২৮ জানুয়ারি ৩৮ ও ৩৯ নম্বর পিলারের ওপর দ্বিতীয় স্প্যান, ১১ মার্চ ৩৯ ও ৪০ নম্বর পিলারের ওপর তৃতীয় স্প্যান, ১৩ মে ৪০ ও ৪১ নম্বর পিলারের ওপর চতুর্থ স্প্যান, ২৯ জুন ৪১ ও ৪২ নম্বর পিলারের ওপর পঞ্চম স্প্যান, ২০১৯ সালের ২৩ জানুয়ারি ৩৬ ও ৩৭ নম্বর পিলারের ওপর ষষ্ঠ স্প্যান ও ২০ ফেব্রুয়ারি ৩৫ ও ৩৬ নম্বর পিলারের ওপর সপ্তম স্প্যান, মাওয়া প্রান্তের ৪ ও ৫ নম্বর পিলারের ওপর অষ্টম স্প্যান, জাজিরা প্রান্তে ২১ মার্চ ৩৪ ও ৩৫ নম্বর পিলারের ওপর নবম স্প্যান, ১০ এপ্রিল ১৩ ও ১৪ নম্বর পিলারের ওপর দশম স্প্যান, সবশেষ গত ২৩ এপ্রিল ৩৩ ও ৩৪ নম্বর পিলারের উপর একাদশ স্প্যানটি বসানো হয়।

পাঠকের মন্তব্য