কুড়িগ্রামে বিলুপ্ত ছিটবাসীর ভাগ্যন্নয়নে ফলদ ও মৎসচাষ

কুড়িগ্রামে বিলুপ্ত ছিটবাসীর ভাগ্যন্নয়নে ফলদ ও মৎসচাষ

কুড়িগ্রামে বিলুপ্ত ছিটবাসীর ভাগ্যন্নয়নে ফলদ ও মৎসচাষ

হুমায়ুন কবির সূর্য্য, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি : সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ডে পাল্টে যেতে শুরু করেছে বিলুপ্ত ছিটমহল দাসিয়ারছড়ার জনজীবন। এবার পরিত্যক্ত ও দখলী জলাভূমি উদ্ধার করে রংপুর মৎস উন্নয়ন প্রকল্প পুকুর খননের মাধ্যমে শুরু করেছে মাছ চাষ। পাশাপাশি পাড় সমূহে ফলজ চারা রোপনের মাধ্যমে বাড়তি আয়ের সুযোগ পাচ্ছে জলাশয় তীরবর্তী মানুষ। ফলে ফলদ বৃক্ষ ও মৎস চাষে ভাগ্য বদল হবে সাবেক ছিটবাসীর। 

রোববার সকালে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ফুলবাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাছুমা আরেফিন। এসময় উপস্থিত ছিলেন রংপুর মৎস উন্নয়ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক আতাউর রহমান খান, ফুলবাড়ী উপজেলা মৎস অফিসার মাহমুদুন্নবী মিঠু, ফুলবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান হারুন অর রশীদ প্রমুখ।

জানা যায়, দারিদ্র বিমোচনের লক্ষ্যে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও জলাশয়ে জীব বৈচিত্র রক্ষা এবং মৎস আবাসস্থল উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার রংপুর বিভাগের ৮ জেলায় চালু করেছে মৎস উন্নয়ন প্রকল্প। এই প্রকল্পে সরকারি প্রাতিষ্ঠানিক পুকুর, বরোপীট, বন্ধ জলাশয় পূণ:খনন, অভায় মের মাধ্যমে মাছ চাষ, বিল নার্সারী স্থপনের মাধ্যমে উন্নয়নের ধারায় যুক্ত হবে দরিদ্র কয়েক শ’ পরিবার। এ লক্ষে ফুলবাড়ী উপজেলার দাসিয়ারছড়ায় ৪৬টি পরিবারসহ ১৪০টি পরিবারকে ২টি খাসসহ ১৩টি পুকুর এবং ৩টি বরোপীট খনন ও সংস্কারের মাধ্যমে উন্নয়ন কর্মকান্ডে যুক্ত করা হচ্ছে। এজন্য বরাদ্দ ধরা হয়েছে প্রায় দেড় কোটি টাকা। এর মাধ্যমে ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটবে বিলুপ্ত ছিটবাসীদের জীবনে।

এ ব্যাপারে রংপুর মৎস উন্নয়ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক আতাউর রহমান খান জানান, রংপুর বিভাগের ৮টি জেলার ৪০টি উপজেলার ৩৯৮টি ইউনিয়নে অব্যবহ্নত জলাশয় সংস্কারকরণ, মাছচাষ, অভয়াশ্রম স্থাপন। প্লাবন, বিল ও পুকুর পাড়ে নার্সারী স্থাপন এবং লক্ষিত জনগোষ্ঠীকে আয়বৃদ্ধিমূলক কর্মসূচির মাধ্যমে তহবিল গঠন, সঞ্চয় কার্যক্রম এবং বিভিন্ন পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।

পাঠকের মন্তব্য